বাংলাহান্ট ডেস্ক : এসআইআর নিয়ে রাজ্যে অব্যাহত অশান্তি। ফরাক্কা বিধানসভা কেন্দ্রে বিডিও অফিসে তৃণমূল বিধায়কের তাণ্ডব, মাইক্রো অফিসারদের উপরে আক্রমণের ঘটনায় তীব্র ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। এক্স হ্যান্ডেলে একটি পোস্টে সরাসরি রাজ্যের শাসক দলকে কটাক্ষ শানিয়েছেন তিনি।
মাইক্রো অবজার্ভারদের উপরে হামলায় ক্ষুব্ধ শুভেন্দু (Suvendu Adhikari)
পোস্টে শুভেন্দু লিখেছেন, এসআইআর এর শুনানি চলাকালীন মুর্শিদাবাদ জেলার ফরাক্কা বিধানসভা কেন্দ্রে মাইক্রো অবজার্ভারদের উপরে সংঘটিত হামলায় তিনি অত্যন্ত ক্ষুব্ধ এবং স্তম্ভিত। এই কর্মকর্তারা নিজেদের সাংবিধানিক দায়িত্ব পালন করার সময়ে দুষ্কৃতীদের দ্বারা আক্রান্ত হন। দুজন কর্মকর্তা গুরুতর ভাবে আহত হয়েছেন। ঘটনাস্থলে কোনও পুলিশ, নিরাপত্তা ব্যবস্থা কিছুই ছিল না বলেও অভিযোগ করেছেন শুভেন্দু।

কী লিখেছেন শুভেন্দু: তৃণমূলের দিকে সরাসরি আক্রমণ শানিয়ে শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) লিখেছেন, এটি কোনও বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। বরং তৃণমূলের শাসনকালে পশ্চিমবঙ্গের বুকে নেমে আসা ‘মহা জঙ্গলরাজ’ এর এক জ্বলন্ত উদাহরণ। মুখ্যমন্ত্রী রাজ্যটিকে এমন আইনহীন অবস্থার দিকে ঠেলে দিয়েছেন যে নির্বাচন পরিচালনাকারী কর্মকর্তারাও আর নিরাপদে নেই। এই পরিস্থিতিতে নিজেদের প্রাণ রক্ষার্থে বাধ্য হয়েই সম্মিলিত ভাবে এসআইআর এর দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন তাঁরা। রাজ্যে আইনশৃঙ্খলার সম্পূর্ণ ভেঙে পড়ার পরিস্থিতিকে স্পষ্ট ভাবে তুলে ধরেছে এই গণ প্রত্যাহার।
আরও পড়ুন : ফেব্রুয়ারিতে বাজার আগুন! টানা শীতে সবজি চাষে ধস, মাথায় হাত কৃষকদের
কমিশনের কাছে আবেদন: বিরোধী দলনেতা লিখেছেন, ‘আমার দৃঢ় বিশ্বাস, তৃণমূল ইচ্ছা করেই এসআইআর প্রক্রিয়াকে দুর্বল করতে চাইছে যাতে ভোটার তালিকায় কারচুপি করে অন্যায় ভাবে ক্ষমতা আঁকড়ে থাকা যায়। প্রতি ধাপে ধাপে বাধা সৃষ্টি করা হচ্ছে, মানুষের জীবন বিপন্ন করা হচ্ছে, অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের ভিত্তিকেও নষ্ট করা হচ্ছে। প্রধান নির্বাচন কমিশনারের কাছে এ বিষয়ে হস্তক্ষেপ করার জন্যও আবেদন জানিয়েছেন শুভেন্দু।
আরও পড়ুন : দুশোর বেশি তদন্তকারী অফিসার! ভোটের আগেই বড় কিছু ঘটার ইঙ্গিত? দলে দলে ইডি-সিবিআই ঢুকছে রাজ্যে
প্রসঙ্গত, বুধবার দুপুরে ফরাক্কা বিডিও অফিসে এসআইআর এর শুনানি চলাকালীন তীব্র অশান্তি তৈরি হয়। তৃণমূল বিধায়কের নির্দেশে বিডিওর চেম্বারে ভাঙচুর চালায় তাঁর অনুগামীরা। এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত গ্রেফতার হয়েছেন ৪ জন।












