‘সুপ্রিম কোর্টে গিয়ে গোল্লা পেয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী’, মমতার ‘সওয়াল’কে পালটা কটাক্ষ শুভেন্দুর

Published on:

Published on:

Follow

বাংলাহান্ট ডেস্ক : বুধবার সুপ্রিম কোর্টে কালো চাদর জড়িয়ে হাজির মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কার্যত ইতিহাস গড়ে মুখ্যমন্ত্রী থাকাকালীন শীর্ষ আদালতে ‘সওয়াল’ করেন তিনি। এসআইআর নিয়ে ক্ষোভ উগরে দিয়ে নির্বাচন কমিশনকে ‘হোয়াটসঅ্যাপ কমিশন’ বলে তোপ দাগেন তিনি। অসমের এসআইআর না হলে ২৪ বছর পর বাংলায় কেন? প্রশ্ন মুখ্যমন্ত্রীর। আর এবার এই প্রসঙ্গেই মুখ্যমন্ত্রীকে পালটা নিশানা করলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। সুপ্রিম কোর্টে গিয়ে ‘গোল্লা’ পেয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, এই সুরেই কটাক্ষ করেছেন শুভেন্দু।

মমতাকে তীব্র কটাক্ষ শুভেন্দুর (Suvendu Adhikari)

এদিন এক সাংবাদিক সম্মেলনে শুভেন্দু বলেন, গত দু তিন দিন ধরে এসআইআর নিয়ে নাটক ও মিথ্যে প্রচার চালানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। প্রথম দিন নির্বাচন কমিশন, দিল্লি পুলিশকে আক্রমণ করেন মুখ্যমন্ত্রী। পালটা দিল্লি পুলিশ তাঁর মিথ্যাচার ফাঁস করে দেয়। মুখ্য নির্বাচন কমিশনারকেও অহংকারী, মিথ্যেবাদী বলেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এরপরেই এদিন সুপ্রিম কোর্টে মমতার ‘সওয়াল’ নিয়ে মুখ খোলেন শুভেন্দু।

Suvendu adhikari took a dig at mamata banerjee

কী বললেন বিরোধী দলনেতা: বিরোধী দলনেতার কথায়, গতকাল থেকেই মুখ্যমন্ত্রীর সুপ্রিম কোর্টে সওয়াল নিয়ে ঝড় চলছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। যেন একটা বিষ্ফোরণের অপেক্ষায় ছিল ভারত। কিন্তু কোর্টে মমতা ‘গোল্লা’ পেয়েছেন। তিনি আরও বলেন, মুখ্যমন্ত্রী আদালতে ‘পিটিশনার’ হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। নিজে সওয়াল করেননি। বরং শীর্ষ আদালতের বিচারপতিরা তাঁকে ঘুরিয়ে থামানোর চেষ্টা করেছেন। কিন্তু স্বভাবসিদ্ধ ভাবেই তিনি নিজের কাজ করেছেন বলে মন্তব্য করেন শুভেন্দু।

আরও পড়ুন : ধোপে টিকল না নবান্নের আর্জি! স্বরাষ্ট্রসচিব সহ ২৫ জন অফিসারকেই ডেকে পাঠাল কমিশন

ভুল ইংরেজি নিয়ে কটাক্ষ: মুখ্যমন্ত্রীর ‘ভুল ইংরেজি’ নিয়েও এদিন কটাক্ষ করেন শুভেন্দু। তিনি বলেন, ‘সাংসদ কল্যাণ ব্যানার্জি ওটাকে সংশোধন করছিলেন। যেভাবে ভুল ইংরেজি বলছিলেন তা রাজ্যের পক্ষে লজ্জার’। বিরোধী দলনেতা আরও বলেন, মুখ্যমন্ত্রী প্রথম দিন থেকে চেষ্টা করছেন এসআইআরকে ভণ্ডুল করতে, আর ২০২৪ সালের বাংলাদেশি এবং মৃত ভোটার তালিকায় নির্বাচন করতে। কিন্তু তাঁর বিএলওদের সুপারিশেই বাদ গিয়েছে ৫৮ লক্ষ নাম।

আরও পড়ুন : কতটা আঁটোসাঁটো হল যাদবপুর ক্যাম্পাসের নিরাপত্তা? বিস্তারিত রিপোর্ট জমা দেওয়ার নির্দেশ হাইকোর্টের

শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) বলেন, মুখ্যমন্ত্রীর মূল লক্ষ্য ছিল মাইক্রো অবজারভার আটকানো। দেশের ১২ টা রাজ্যে এসআইআর হচ্ছে, কিন্তু বাংলায় মাইক্রো অবজারভার কেন? এর উত্তরে রাজ্য প্রশাসনকেই নিশানা করে শুভেন্দু বলেন, এসডিও ব়্যাঙ্কের ইআরও কমিশনের নির্দেশ মেনে নিয়োগ করেনি রাজ্য। যারা ইআরও হতে পারেন না, সেই ২২৫ জনকে নিয়োগ করা হয়েছে বলেও তোপ দাগেন শুভেন্দু অধিকারী।