বাংলা হান্ট ডেস্ক : পাহাড়ের পর্যটনকেন্দ্রগুলিতে পৌঁছনোর ক্ষেত্রে নতুন পথ খুলে দিতে পারে রোপওয়ে। নবান্ন সূত্রে জানা যাচ্ছে, কার্শিয়ং ও দার্জিলিংয়ের (Darjeeling) মধ্যে রোপওয়ে পরিষেবা চালুর প্রস্তাব নিয়ে আগ্রহ প্রকাশ করেছে আদানি গোষ্ঠী । বৃহস্পতিবার কলকাতায় মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে গৌতম আদানির প্রতিনিধিদলের বৈঠকে বিষয়টি আলোচনায় এসেছে বলে খবর। তবে প্রস্তাবটি এখনও প্রাথমিক পর্যায়েই রয়েছে।
দার্জিলিংয়ে(Darjeeling) রোপওয়ে পরিষেবা চালুর পরিকল্পনা আদানিদের
বর্তমানে কার্শিয়ং থেকে দার্জিলিং যেতে পর্যটকদের পাহাড়ি সড়কের উপরই মূলত নির্ভর করতে হয়। হিল কার্ট রোড-সহ বিভিন্ন রাস্তায় যানবাহনের চাপ বাড়ায় অনেক সময় তৈরি হয় যানজট। প্রস্তাবিত রোপওয়ে বাস্তবায়িত হলে সড়কপথের পাশাপাশি বিকল্প যোগাযোগ ব্যবস্থা তৈরি হবে। এতে যাত্রাপথের সময় কমার সঙ্গে সঙ্গে পাহাড়ি রাস্তায় গাড়ির চাপ ও দূষণ কমানোর সম্ভাবনাও রয়েছে।
প্রাথমিক পরিকল্পনা অনুযায়ী, দুই পাহাড়ি শহরকে যুক্ত করার এই রোপওয়ের দৈর্ঘ্য আনুমানিক ২৫ থেকে ৩০ কিলোমিটার হতে পারে। প্রযুক্তির ধরন অনুযায়ী ঘণ্টায় প্রায় ৮০০ থেকে ১,৮০০ জন যাত্রী পরিবহণের সক্ষমতা থাকতে পারে বলে জানা যাচ্ছে। সড়কপথে যে সময় লাগে, তার তুলনায় রোপওয়ের মাধ্যমে অনেক দ্রুত গন্তব্যে পৌঁছনোর সম্ভাবনা রয়েছে।

আরও পড়ুন :পুজোর আগে পাহাড়ের চা-শ্রমিকদের জন্য সুখবর, বকেয়া PF-এর বড় অংশ মিটল
তবে প্রকল্পের কোনও চূড়ান্ত নকশা এখনও তৈরি হয়নি। সরকারি অনুমোদন পাওয়ার পরই পরবর্তী প্রক্রিয়া শুরু হবে। এই ধরনের পরিকাঠামো তৈরি হলে যাতায়াত ব্যবস্থার পাশাপাশি পর্যটনকেন্দ্রিক অর্থনীতিতেও তার প্রভাব পড়বে। কার্শিয়ং-দার্জিলিং রোপওয়ে বাস্তবায়িত হলে পাহাড়ের যোগাযোগ ব্যবস্থার পাশাপাশি পর্যটন পরিকাঠামোয়ও পরিবর্তনের সম্ভাবনা তৈরি হবে।













