বাংলা হান্ট ডেস্ক: এবার একটি অত্যন্ত বড় আপডেট সামনে এসেছে। মূলত, মে মাসের প্রথম দিনেই সরকার একটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী জানা গিয়েছে যে, সরকার ২০২৬ সালের ১ মে থেকে ডিজেল রফতানির ওপর উইন্ডফল ট্যাক্স (Windfall Tax) কমিয়ে প্রতি লিটারে ২৩ টাকা করেছে। একইভাবে, বিমানের জ্বালানির (ATF) ওপর এই ট্যাক্স কমিয়ে প্রতি লিটারে ৩৩ টাকা করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার গভীর রাতে অর্থ মন্ত্রক থেকে জারি করা এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, পেট্রোল রফতানির ওপর শুল্ক শূন্যই থাকবে।
ডিজেল ও ATF-এর ক্ষেত্রে উইন্ডফল ট্যাক্স (Windfall Tax) কমাল সরকার:
মন্ত্রক আরও জানিয়েছে যে, দেশের অভ্যন্তরীণভাবে ব্যবহৃত পেট্রোল ও ডিজেলের ওপর বর্তমানে যে এক্সাইজ ট্যাক্স রয়েছে তা অপরিবর্তিত থাকবে। উল্লেখ্য যে, ডিজেল রফতানির ওপর স্পেশাল এক্সট্রা ট্যাক্স, যা আগে প্রতি লিটারে ৫৫.৫ টাকা ছিল, তা এখন কমিয়ে ২৩ টাকা করা হয়েছে। অপরদিকে, ATF-এর ওপর এই কর লিটার প্রতি ৪২ টাকা থেকে কমিয়ে ৩৩ টাকা করা হয়েছে।

জানিয়ে রাখি যে, ১ মে থেকে শুরু করে আগামী ১৫ দিনের জন্য ডিজেল রফতানির ওপর রোড এবং ডেভেলপমেন্টের জন্য লাগু হওয়া ট্যাক্স (সেস) শূন্য রাখা হয়েছে। গত ২৬ মার্চ সরকার ডিজেলের ওপর প্রতি লিটারে ২১.৫০ টাকা এবং ATF-এর ওপর প্রতি লিটারে ২৯.৫ টাকা এক্সপোর্ট ট্যাক্স আরোপ করেছিল। পরবর্তীকালে, ১১ এপ্রিলের পর্যালোচনায় এই ট্যাক্স বাড়িয়ে যথাক্রমে ৫৫.৫ টাকা এবং ৪২ টাকা করা হয়েছিল।
আরও পড়ুন: ‘T20 বিশ্বকাপে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ না করা বড় ভুল’, রাখঢাক না রেখে কী জানালেন শাকিব আল হাসান?
এই কর কেন আরোপ করা হয়েছিল: মূলত, আমেরিকা থেকে শুরু করে ইজরায়েল এবং ইরানের মধ্যে চলমান যুদ্ধের সময়ে স্থিতিশীল জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করার জন্য সরকার এই ট্যাক্স আরোপ করেছিল। এই সিদ্ধান্তের আরেকটি উদ্দেশ্য ছিল, জ্বালানি রফতানিকারী সংস্থাগুলি যাতে বিশ্বব্যাপী মূল্যের পার্থক্যের সুযোগ নিতে না পারে, তা প্রতিরোধ করা। যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর বিশ্বব্যাপী অপরিশোধিত তেলের দাম তীব্রভাবে বেড়ে যায়। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি, আমেরিকা ও ইজরায়েল ইরানের ওপর সামরিক হামলা চালায়। যার পরিপ্রেক্ষিতে ইরানও পাল্টা হামলা চালায়।
আরও পড়ুন: ভারত সফরে আসছেন ভিয়েতনামের রাষ্ট্রপতি! ৫,৮০০ কোটির ব্রহ্মস চুক্তি নিয়ে হবে আলোচনা
এদিকে, এই যুদ্ধের আবহে অপরিশোধিত তেলের দাম ব্যারেল প্রতি প্রায় ১২৬ ডলারে বৃদ্ধি পেয়েছে। যেখানে যুদ্ধের আগে তা ছিল ব্যারেল প্রতি প্রায় ৭৩ ডলার। মন্ত্রক জানিয়েছে যে, পশ্চিম এশিয়ার উত্তেজনার পরিপ্রেক্ষিতে রফতানি কমিয়ে দেশে পেট্রোল ও ডিজেলের সরবরাহ বজায় রাখতে এই ট্যাক্স আরোপ করা হয়েছিল।












