বাংলা হান্ট ডেস্ক: আবার গণধর্ষণের (Gang Rape) ঘটনা। এবারের ঘটনায় অভিযুক্ত তিন নাবালক। ঘটনাটি ঘটেছে উত্তর-পূর্ব দিল্লির (Delhi) ভজনপুর এলাকায়। তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এই ঘটনায়। ঘটনায় অভিযুক্ত তিন নাবালকের বয়স যথাক্রমে ১০, ১৩ ও ১৪ বছর।
খোদ রাজধানীতে গণধর্ষণ (Gang Rape)
খোদ রাজধানীতে আবার গণ ধর্ষণের ঘটনা। ঘটনায় অভিযুক্ত নাবালকদের মধ্যে দুজনকে গ্রেফতার করা সম্ভব হলেও তৃতীয় জনকে ধরা এখনো পর্যন্ত সম্ভব হয়নি। তাদের বিরূদ্ধে অভিযোগ উঠেছে পাশের বাড়ির এক নাবালিকাকে ধর্ষণের। শিশুটির বয়স ৬ বছর। ঘটনাটি ঘটে ১৮ জানুয়ারি সন্ধ্যা সাতটা নাগাদ। নাবালিকা যখন বাড়ি ফিরে আসে, তার বাড়ির লোকেরা জানায়, সেই সময় সে আচ্ছন্ন অবস্থায় ছিল। শরীর থেকে রক্তপাত হচ্ছিল। শিশুটিকে জিজ্ঞেস করাতে বলে পড়ে গিয়ে আঘাত পেয়েছে এবং সেই সময় পাশের বাড়ির ১৩ বছরের অভিযুক্তও একই কথা বলতে থাকে।
এরপর একাধিকবার শিশুটিকে ঘটনার কথা জিজ্ঞেস করে তার বাবা মা। তখনই শিশুটি জানায় তাকে খাবারের প্রলোভন দেখিয়ে প্রতিবেশী ওই তিন জন নাবালক নিয়ে যায় কাছেই একটি ফাঁকা দোতলা বাড়িতে। শিশুটির মায়ের বক্তব্য অনুসারে তার বাবা তাকে মিষ্টি কিনে পাড়ার মোড়ে নামিয়ে দিয়ে গিয়েছিলেন। সেখান থেকেই অভিযুক্তরা ঘটনাস্থলে নিয়ে যায় শিশুটিকে।
আরও পড়ুন:৪ দিনের মাথায় আনন্দপুর ‘জতুগৃহ’ কাণ্ডে ১৬৩ ধারা, ঘটনাস্থলে যেতে চেয়ে হাই কোর্টে শুভেন্দু
পরিবারের তরফে জাফরাবাদ থানা অভিযোগ দায়ের করা হয়েছিল। পরে ভজনপুরা থানায় মামলাটি স্থানান্তর করা হয়। চিকিৎসার জন্য শিশুটিকে ভর্তি করা হয়েছে হাসপাতালে। সেখানে মেডিকেল রিপোর্টে ধর্ষণের বিষয়টি উল্লেখ করা হয়েছে। বর্তমানে শিশুটি শয্যাশায়ী রয়েছে, হাঁটাচলা করা বা বসার মত অবস্থায় নেই বলে পরিবারের লোক জানাচ্ছে। অভিযুক্ত তিন নাবালক পাশেই থাকে। দুজনকে গ্রেফতার করা সম্ভব হলেও তৃতীয় অভিযুক্ত পলাতক। শিশুটির মা জানান যে, এরা তার প্রয়াত ছেলের পরিচিত ছিল।
আরও পড়ুন:পুরুলিয়া-হাওড়া ট্রেনে দেরি ও চরম ভোগান্তি! যাত্রীরা ফুঁসছেন, রেলের প্রতিশ্রুতি

শিশুটির বাবা পেশায় রিক্সা চালক। তিনি শাস্তির কড়া দাবি জানিয়েছেন। মেয়ের জন্য তিনি চিন্তায় আছেন এবং মেয়ের নিরাপত্তার জন্য তিনি আতঙ্কে মেয়েকে রেখে কাজে যেতে পারছেন না, সে কথাও জানিয়েছেন। ওই তিন অভিযুক্তর মধ্যে দুজনকে ১৯ জানুয়ারি চাইল্ড ওয়েলফেয়ার কমিটির সামনে হাজির করানো হয়। তদন্তকারীরা ঘটনাস্থলে যান এবং সেখান থেকে রক্তের চিহ্নসহ বেশ কিছু নমুনা সংগ্রহ করেছেন। সেগুলি ফরেনসিক রিপোর্টের জন্য পাঠানো হয়েছে।













