বাংলা হান্ট ডেস্কঃ পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভায় বিরোধী দলনেতা (Leader of The Opposition) পদ নিয়ে টানাপড়েন চরমে। এবার এই জল গড়াল কলকাতা হাইকোর্ট (Calcutta High Court) অবধি। উচ্চ আদালতের দ্বারস্থ হয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস নেতৃত্ব।
হাইকোর্টে মমতা-শোভনদেব- (Calcutta High Court)
সোমবার হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন বালিগঞ্জের বিধায়ক তথা প্রবীণ তৃণমূল নেতা শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়। মামলার অন্যতম আবেদনকারী রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রাজ্যের বিরোধী দলনেতা হিসেবে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের স্বীকৃতি ও সেই বিষয়ক সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করে উচ্চ আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন তাঁরা।
আরও পড়ুনঃ আরও বাড়ল চাপ! কলকাতা হাইকোর্টে জোর ধাক্কা খেলেন সুজিত বসু
তৃণমূল প্রশ্ন তুলেছে, কোন আইনি এবং সাংবিধানিক ভিত্তিতে ঋতব্রতদের গোষ্ঠীকে ‘আসল তৃণমূল’ হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছে? জানা গিয়েছে, রাজ্য বিধানসভায় বিরোধী দলনেতা নির্বাচন করার প্রক্রিয়া ও তার সাংবিধানিক ভিত্তি নিয়েই উচ্চ আদালতের হস্তক্ষেপ চেয়েছে তাঁরা।
জরুরি ভিত্তিতে এই মামলার শুনানির আবেদন জানিয়েছেন মামলাকারীরা। আদালত সূত্রে খবর, প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চে এই মামলার শুনানি হতে পারে। আদালত কী নির্দেশ দেয় এবং বিরোধী দলনেতার পদ নিয়ে শুরু হওয়া এই টানাপড়েন আগামীদিনে কোন মোড় নেয় সেদিকে নজর সকলের।
এদিকে ছাব্বিশের বিধানসভা ভোটে ভরাডুবির পর তৃণমূল শিবির কার্যত দু’ভাগে বিভক্ত হয়ে গিয়েছে। সম্প্রতি ৫৮ জন বিধায়কের সমর্থন দাবি করে বিধানসভার স্পিকারের কাছে নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করেছে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়দের গোষ্ঠী। সেই ভিত্তিতে তাঁদেরকেই বিরোধী শিবির হিসেবে স্বীকৃতি দেন রাজ্য বিধানসভার অধ্যক্ষ। ইতিমধ্যেই রাজ্যের নয়া বিরোধী দলনেতা হয়েছেন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। এবার এই ইস্যু গড়াল হাইকোর্ট অবধি।

বিধানসভার বিরোধী দলনেতা পদ নিয়ে তৈরি হওয়া এই সংঘাত বর্তমানে রাজ্য রাজনীতির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু। ফলে এই মামলায় উচ্চ আদালত কী পদক্ষেপ নেয় সেদিকে সকলের নজর রয়েছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছে, আদালতের ব্যাখ্যা বাংলার রাজনৈতিক ভবিষ্যতের ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য হয়ে উঠতে পারে।













