বাংলা হান্ট ডেস্ক : রাজ্যের নতুন সরকারের পথচলা আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হল বুধবার। ১৮তম বিধানসভার প্রথম অধিবেশন ঘিরে সকাল থেকেই ছিল তুমুল ব্যস্ততা ও কড়া নিরাপত্তা। নির্বাচনের ফল ঘোষণার পর এই প্রথম এক ছাদের তলায় জড়ো হলেন নবনির্বাচিত বিধায়করা। বুধ ও বৃহস্পতি- দুদিন ধরে চলবে শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান। তবে গোটা দিনের কেন্দ্রবিন্দুতে নতুন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। ভবানীপুরের বিধায়ক হিসেবে জয়ী হওয়ার পর এদিন প্রথমবার মুখ্যমন্ত্রীর মর্যাদায় বিধানসভায় প্রবেশ করেন শুভেন্দু।
মুখ্যমন্ত্রীর (Suvendu Adhikari) সঙ্গে সাক্ষাৎ তৃণমূল বিধায়কদের
এদিন সকালেই শুভেন্দুর কনভয় বিধানসভা চত্বরে পৌঁছলে, বিধানসভায় তৈরি হয় এক আবেগঘন মুহূর্ত। নত মস্তকে বিধানসভার সিঁড়িতে প্রণাম করেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সেই মুহূর্ত ক্যামেরাবন্দি হতেই রাজনৈতিক মহলে শুরু হয় চর্চা। পরে তাঁকে গার্ড অফ অনার দেওয়া হয়। এর আগে নবান্নে দায়িত্ব গ্রহণের দিনও রাষ্ট্রীয় সম্মান পেয়েছিলেন তিনি।
বিধানসভায় ঢোকার পর নিজের নির্দিষ্ট দফতরে কিছুক্ষণ সময় কাটান মুখ্যমন্ত্রী। সেখানে পুজো করেন বলে জানা যায়। তবে রাজনৈতিক মহলের নজর কাড়ে অন্য একটি ঘটনা। বিরোধী শিবিরের একাধিক তৃণমূল বিধায়ক সৌজন্য সাক্ষাতে শুভেন্দুর ঘরে যান। তাঁদের মধ্যে ছিলেন নিয়ামত শেখ, আখরুজ্জামান ও ইমানি বিশ্বাস। রাজনৈতিক সংঘাতের আবহের মধ্যেও এই সাক্ষাৎকে তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছেন অনেকে।
এরপর নির্ধারিত সময় অনুযায়ী মূল অধিবেশন কক্ষে প্রবেশ করেন শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর সঙ্গে ছিলেন প্রোটেম স্পিকার তাপস রায় ও মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ। সেদিনই বিধায়ক হিসেবে শপথ নেন শুভেন্দু। মুখ্যমন্ত্রীর শপথের পর একে একে শপথ গ্রহণ করেন মন্ত্রীসভার অন্যান্য সদস্য অশোক কীর্তনিয়া, ক্ষুদিরাম টুডু, নিশীথ প্রামাণিক ও অগ্নিমিত্রা পাল।

আরও পড়ুন : যুদ্ধ পরিস্থিতির আবহে মিতব্যয়ী মোদী, অর্ধেক করা হচ্ছে প্রধানমন্ত্রীর কনভয়
প্রথম দিনের অধিবেশন ঘিরে বিধানসভা এলাকায় নিরাপত্তা ছিল চোখে পড়ার মতো। আগামী দুদিনে বাকি বিধায়কদের শপথ গ্রহণ পর্ব সম্পূর্ণ হবে। নতুন সরকার প্রশাসনিক স্তরে কোন পথে এগোতে চায়, তার প্রাথমিক ইঙ্গিত মিলবে প্রথম অধিবেশন থেকেই।













