বাংলা হান্ট ডেস্কঃ রাজ্যে তৃণমূল (TMC) শাসনের অবসান ঘটতেই দলের একের পর এক নেতার কীর্তি সামনে আসছে। ইতিমধ্যেই গ্রেফতার হয়েছেন একাধিক ‘চুনোপুঁটি’ থেকে ‘রাঘববোয়াল’। এই আবহে কয়েকজনের গ্রেফতারিতে রীতিমতো ‘খুশি’ জাহির করলেন দলেরই যুব নেতা দেবাংশু ভট্টাচার্য (Debangshu Bhattacharya)। কেন এই ‘খুশি’ সেটাও জানিয়েছেন তিনি।
দেবাংশুর পোস্টে তোলপাড়!- (Debangshu Bhattacharya)
শনিবার নিজের ফেসবুকে একটি পোস্ট করেন তৃণমূল নেতা। লেখেন, “কিছু চোর-ডাকাত-তোলাবাজের গ্রেফতারি দেখে যে কী আনন্দ পাচ্ছি, বলে বোঝানোর নয়! একেকটা জেলাকে বাপের সম্পত্তি ভেবে বসেছিল, আঙুলের ডগায় পুলিশকে নাচাত! মানুষের বুকের উপর পা দিয়ে সাম্রাজ্য গঠন করেছিল। ছোট ছোট মুখ্যমন্ত্রী ভেবে নিয়েছিল নিজেদের… জেলায় জেলায় দলের ভরাডুবির হোতা ও হেতু এঁরাই!”
আরও পড়ুনঃ গ্রেফতার হতে পারেন অনুব্রত মণ্ডল? বীরভূমে যা হল… তোলপাড় রাজ্য রাজনীতি
দেবাংশুর দাবি, রাজনৈতিক হিংসা চরিতার্থ করার জন্য কিছু কিছু গ্রেফতারি হলেও ফাঁকতালে কয়েকজন প্রকৃত ‘চোর’, ‘ডাকাত’, ‘হুমকিবাজ’ও ধরা পড়েছে। এটা আদতে ‘ব্লেসিং ইন ডিসগাইস’ বলে দাবি করেছেন তিনি।
তৃণমূল (Trinamool Congress) নেতা লেখেন, “রাজনৈতিক হিংসা চরিতার্থ করতে কিছু কিছু গ্রেফতারি হলেও ফাঁকতালে কয়েকটা প্রকৃত চোর-ছ্যাচোর-হুমকিবাজ ডাকাতও ধরা পড়ছে। যেটা খুবই ভালো লক্ষণ। ব্লেসিং ইন ডিসগাইজ! সৎভাবে যারা রাজনীতি করেছে, গায়ে কালির দাগ লাগতে দেয়নি, তাঁরা এসব কিছু বদমাইশের দায়-দায়িত্ব আজ পরাজয়ের পরেও কাঁধে নিতে যাবে কেন? দল ক্ষমতায় থাকলে লোভী-বদমাইশদের ভিড় বাড়ে, তাঁরা চিহ্নিত হোক; অভ্যন্তরীণ তদন্ত করে দলও পার্মানেন্টলি ঝেড়ে ফেলুক এদের।“

গতকাল দেবাংশু এই পোস্ট করতেই ঝড়ের গতিতে তা ছড়িয়ে পড়তে শুরু করে। একজন লেখেন, “শুধু ফেসবুকে কি হবে, রাজনীতির লড়াই ফেসবুকে নয়, আর যদি সন্ন্যাস নিতে চাও সেটা আলাদা বিষয়! কিন্তু তুমি ভালো সময়ে এদের নিয়ে কেন কিছু লেখোনি?” উত্তরে তৃণমূল নেতা জানান, “দলকে যখন যা রিপোর্ট দেওয়ার দিয়েছি, দল জানে। সেদিন প্রকাশ্যে বলিনি কারণ তাঁরা আইনের আওতায় আসেনি, আজ এসেছে তাই বলছি।“













