কলকাতায় আজ যানজটের সতর্কতা! দুপুর থেকে বিকেল, কোন সময় কোথায় সমস্যা হতে পারে জানুন

Published on:

Published on:

Traffic alert in Kolkata after Dola holiday
Follow

বাংলা হান্ট ডেস্কঃ দোল ও হোলির ছুটি কাটিয়ে বৃহস্পতিবার আবার স্বাভাবিক ছন্দে ফিরেছে শহর কলকাতা (Kolkata)। বহু মানুষ আজ অফিসে ফিরেছেন। তবে দিনের মাঝামাঝি থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত শহরের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ রাস্তায় যানজটের আশঙ্কা রয়েছে বলে জানিয়েছে কলকাতা পুলিশের ট্রাফিক বিভাগ। মিছিল এবং বিকেলের ফুটবল ম্যাচ, এই দুই কারণেই বিভিন্ন সময়ে ট্রাফিক সমস্যার সম্ভাবনা তৈরি হতে পারে বলে সতর্ক করা হয়েছে।

কোথায় কখন ট্রাফিক সমস্যার আশঙ্কা (Kolkata)

কলকাতা পুলিশের ট্রাফিক বিভাগ জানিয়েছে, আজ বেলা ১২টা নাগাদ একটি মিছিল হওয়ার কথা রয়েছে। সেই কারণে নির্মল চন্দ্র স্ট্রিট, রফি আহমেদ কিদওয়াই রোড এবং এসএন ব্যানার্জি রোডে যান চলাচলে প্রভাব পড়তে পারে। এর কিছুক্ষণের মধ্যেই, অর্থাৎ বেলা সাড়ে ১২টা নাগাদ বিদ্যাপতি সেতু, এজেসি বোস রোড, এমজি রোড এবং কলেজ স্ট্রিটের দিকেও ট্রাফিক চাপ দেখা দিতে পারে। আবার বেলা ১টার সময় রানি রাসমণি অ্যাভিনিউতে যানজটের সম্ভাবনা রয়েছে।

একই সময়ে ডোরিনা ক্রসিং এবং সিআর অ্যাভিনিউতেও গাড়ির চাপ বাড়তে পারে বলে জানানো হয়েছে। দুপুর আড়াইটার সময় আবারও রফি আহমেদ কিদওয়াই রোড, এসএন ব্যানার্জি রোড এবং ডোরিনা ক্রসিংয়ের আশপাশে যানজট তৈরি হতে পারে বলে ট্রাফিক পুলিশ সতর্ক করেছে।

বিকেলে যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে খেলা, বাড়তে পারে যানবাহনের চাপ

এদিন বিকেলেও শহরের (Kolkata) কিছু গুরুত্বপূর্ণ রাস্তায় ট্রাফিক চাপ বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। বিকেল ৫টায় সল্টলেকের যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে একটি ম্যাচ রয়েছে। সেই কারণে ইএম বাইপাস, নারকেলডাঙা মেইন রোড এবং বেলিয়াঘাটা মেইন রোডে যানজট হতে পারে বলে জানিয়েছে কলকাতা পুলিশের ট্রাফিক বিভাগ। এছাড়াও আজ একটি কর্মসূচির কারণে আরআর অ্যাভিনিউয়ের দক্ষিণ দিকটি যানবাহনের জন্য বন্ধ রাখা হয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে।

Trinamool Congress Rally Traffic Alert on 21 july 2025

আরও পড়ুনঃ সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশের পরেও DA নয়! রাজ্যের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার মামলা, ১৩ মার্চ ধর্মঘট

উল্লেখ্য, দোলের দিন শহরের (Kolkata) বিভিন্ন জায়গায় নজরদারি বাড়িয়েছিল কলকাতা পুলিশ। অভব্য আচরণ, মত্ত অবস্থায় ঘোরাফেরা এবং ঝামেলার অভিযোগে সেদিন মোট ৩৩০ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। পাশাপাশি ২৫ লিটার মদও বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। দোলের পাশাপাশি হোলির দিনেও শহরজুড়ে পুলিশের কড়া নজরদারি ছিল বলে জানা গিয়েছে।