বাংলা হান্ট ডেস্ক: আপনিও কি অফ বিটে ঘুরতে ভালোবাসেন। তাহলে আজকের প্রতিবেদন আপনার জন্য। কারণ, আজকে আপনাদের সঙ্গে এমন একটি জায়গার কথা শেয়ার করব যেখানে গেলে আপনি প্রাণ ভরে প্রাকৃতিক পরিবেশ উপভোগ করতে পারবেন। জানুন সেই জায়গা গুলোর বিষয়ে বিস্তারিত।
মেঘের রাজ্যে দু’দিন কাটাতে চাইলে চলে যান এখানে (Travel)
কালিজ ভ্যালি: মূলত যারা ভিড়ভাট্টা এড়িয়ে নিরিবিলি পরিবেশ পছন্দ করে তাদের জন্য একেবারে উপযুক্ত জায়গা এটি। এখানে গেলে আপনি প্রাণভরে প্রাকৃতিক পরিবেশ উপভোগ করতে পারবেন। পাশাপাশি এইখান থেকে কাঞ্চনজঙ্ঘার অপরূপ দৃশ্য দেখে আপনার মন ভালো হয়ে যাবে। এখানে আসলে পরে আপনি দেখতে পাবেন ইউমা সাম্যো মাংহিম মন্দির। ইউমা সাম্যো ধর্মাবলম্বীদের কাছে এটি অত্যন্ত পবিত্র স্থান। মন্দিরের সামনে থাকা বিশাল পাথরটি নিয়েও রয়েছে নানা গল্প। প্রচলিত বিশ্বাস, মহান সাধক গুরু তেয়ংসি সিরিজুঙ্গা এই পাথরের উপর বসে তাঁর শিষ্যদের ধর্মীয় শিক্ষা দিতেন (Travel)।

আরও পড়ুন: গ্যাস গ্রাহকদের জন্য জরুরি বার্তা, সময়সীমা পেরোলেই বন্ধ হতে পারে সংযোগ
বুড়িখোলা: ডুয়ার্সের শান্ত, ছিমছাম এই জায়গাটি অপরূপ সৌন্দর্যের অধিকারী। যেদিকেই তাকাবেন সেদিকেই বড় বড় মাঠ, গাছপালা। চোখ জুড়িয়ে যেতে বাধ্য আপনার। আর এই সৌন্দর্য দেখতে দেখতে আপনি পৌঁছে যাবেন বুড়ি খোলার হোমস্টে-তে। হোমস্টের সামনে দিয়েই বয়ে চলেছে পাহাড়ি নদী। সেখান দিয়ে হাতির পাল চলেছে, সেই দৃশ্যেও চোখে পড়তে পারে। নদীর ওপারেই শাকামের জঙ্গল। হাতিদের আস্তানা সেখানেই। তবে এখানে রয়েছে একটি মাত্র হোমস্টে। বুড়িখোলায় থাকতে হলে আগের থেকে বলে আসা ভালো। ডামডিম হয়ে জঙ্গলপথে নিজেরা গাড়ি নিয়ে আসতে গেলে হোম স্টের লোককে সঙ্গে রাখা ভাল। জঙ্গলপথের সঙ্গে তাঁদের পরিচিতি বেশি।
কাগে: পাহাড় প্রিয় মানুষ হোক কিংবা ভ্রমন প্রিয় মানুষ ঘুরতে যেতে মন চাইলেই প্রথম মনে আসে উত্তরবঙ্গের কথা। পাশাপাশি অফবিটে ঘোরার নেশা এখন ট্রেন্ডে। তেমনই একটি অফবিট জায়গা হল কাগে। হিমালয়ের কোলে লুকিয়ে থাকা ছোট্ট একটি গ্রাম এটি। কালিম্পং থেকে মাত্র ২০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত পেডিং। পেন্ডিং থেকে কিছুটা দূরে অবস্থিত কাগে। পেডিং থেকে গাড়িতে করে কাগে যেতে সময় লাগে আধ ঘন্টা। এই রুটে বেড়াতে গেলে কমপক্ষে দুদিন অনায়াসে কাটিয়ে আসতেই পারেন। এখানকার শান্ত পরিবেশ ও মনোরম প্রাকৃতিক দৃশ্য আপনার মন ভাল করতে বাধ্য।
ফুরুং : ফুরুং কালিম্পং এর একটি স্বল্প চেনা গ্রাম। বলা যেতে পারে এটি কালিম্পংয়ের অফবিট জায়গা। যদিও পেডিংয়ের পরিচিতি হয়েছে সম্প্রতি। তবুও তার সিকাভাগ নাম ডাক নেই ফুরুং গাঁওয়ের। কিন্তু প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের দিক থেকে কোন অংশে কম যায় না ফুরুং। গোটা গ্রাম সবুজে ঢাকা। প্রকৃতির কোলে সময় কাটাতে এবং কালিম্পংকে আরও কাছ থেকে চিনতে, ছুটি কাটাতে পারেন ফুরুং গাঁওতে। ফুরুং গাঁও সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ৪,৫০০ ফুট উচ্চতায় অবস্থিত। এই গ্রামজুড়ে ধাপে ধাপে রয়েছে সবুজ চাষ জমি। এখানে ঘুরে বেড়ায় ময়ূরের দল। এ ছাড়াও এখানে স্কারলেট মিনিভেট, বার্ন সোয়ালদ, পার্পল সানবার্ডের মতো পাখিদেরও আনাগোনা লেগে থাকে (Travel)।

















