বাংলা হান্ট ডেস্কঃ অন্নপূর্ণা যোজনা (Annapurna Yojana) নিয়ে রাজ্যজুড়ে বিতর্ক। একাংশ ভাতার টাকা পেয়ে গেলেও বাকিরা কেন পাননি সেই নিয়ে ক্ষোভ। ক্ষোভ-বিক্ষোভে দিকে দিকে উত্তাল পরিস্থিতি। অভিযোগ উঠছে অনেক ‘যোগ্য’ উপভোক্তা রয়েছেন যাঁরা টাকা পাননি। কবে তাঁদের অ্যাকাউন্টে ৩০০০ করে ঢুকবে? এই নিয়ে এবার মুখ খুললেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (CM Suvendu Adhikari)।
অন্নপূর্ণার টাকা নিয়ে বার্তা মুখ্যমন্ত্রীর | Annapurna Yojana
শুক্রবার মুর্শিদাবাদ সফরে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী সমস্ত সরকারি প্রকল্প নিয়ে দুর্নীতি প্রসঙ্গে মুখ খোলেন। একইসাথে এই সমস্যা মেটাতে ২ মাস সময় চেয়ে নেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তিনি বলেন, “এখানে ব্যাপক দুর্নীতি হয়েছে। এডিএম জেলা পরিষদ যে টেন্ডার করেছেন তাদের ক্রেডেনশিয়ালে অধিকাংশই জাল। ৬০০টি লক্ষ্মীর ভাণ্ডার ভুয়ো, ৩৫০০ সংখ্যালঘু স্কলারশিপের অ্যাকাউন্ট ভুয়ো। এসসি, এসটি না হয়েও ভাতা নিচ্ছে। শারীরিকভাবে অক্ষম নয় তাও ভাতা নিচ্ছে।”
মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “আমরা ভেরিফিকেশন করছি। এক্ষেত্রে দেখা হচ্ছে KYC ঠিক আছে কিনা, আধারের সঙ্গে ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট লিঙ্ক আছে কিনা। এসব দেখতে গিয়ে হাজার হাজার ভুয়ো অ্যাকাউন্ট ধরা পড়ছে। ২ মাস সময় দিন। বিডিওরা কথা দিয়েছেন সমস্ত সোশ্যাল ওয়েলফেয়ার স্কিম ভেরিফিকেশনের কাজ শেষ করবে।” যারা ভুয়ো কাজ করেছে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা হবে বলেও হুঁশিয়ারি দেন মুখ্যমন্ত্রী।
অন্নপূর্ণা যোজনার প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, “১২ লক্ষ মহিলা অন্নপূর্ণা যোজনার টাকা পেয়েছেন। অন্নপূর্ণা, বার্ধক্য ভাতা সহ সব স্কিম ধরলে একটা পরিবার ১৫ হাজার টাকা পেতে পারেন। তবে ভেরিফিকেশন করতে সময় লাগছে। ভেরিফিকেশন সম্পূর্ণ হলেই সকলের কাছে টাকা পৌঁছবে।”

মুখ্যমন্ত্রী আরও বলেন, সরকারি প্রকল্পে ভুয়ো সুবিধাভোগী ধরা পড়লেই কড়া শাস্তি। ভুয়ো সুবিধাভোগীদের চিহ্নিত করতে যাচাই প্রক্রিয়া চলছে। নথি পরীক্ষায় অনিয়ম ধরা পড়লে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বলেন, “যাচাইয়ের সময় অন্তত ৬০০টি ভুয়ো সুবিধাভোগীর তথ্য সামনে এসেছে। সব নথি ভালোভাবে পরীক্ষা করা হচ্ছে। যারা ভুয়ো বলে প্রমাণিত হবে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

















