ভোটের পরই চমক! ‘ভোটার স্লিপই বাঁচাবে’—বড় দাবি মমতার

Updated on:

Updated on:

Voter slip will save lives, Mamata Banerjee's big claim
Follow

বাংলা হান্ট ডেস্ক : প্রথম দফার ভোট (West Bengal Assembly Election) মিটতেই রাজ্যের রাজনৈতিক ময়দানে ফের চড়ছে উত্তাপ। বিপুল ভোটদানের পর একদিকে যেমন খুশির সুর নির্বাচন কমিশনের মুখে, অন্যদিকে দ্বিতীয় দফার জন্য নতুন করে ভোটের লড়াইয়ে ঝাঁপিয়ে পড়েছে শাসক-বিরোধী সব পক্ষ। এই আবহেই ভোটারদের উদ্দেশে গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)।

ভোটার স্লিপ প্রসঙ্গে মমতা (Mamata Banerjee)

প্রথম দফায় প্রায় ৯২.৮৮ শতাংশ ভোট পড়ার পরই ফের জোরকদমে প্রচারে নেমে পড়েছে সব রাজনৈতিক দল। এই আবহে একাধিক জনসভা থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ভোটারদের গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দিলেন‌। ভোটারদের ভোটার স্লিপ সংরক্ষণ করে রাখার বার্তা দেন মুখ্যমন্ত্রী। বিভিন্ন সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি সাধারণ ভোটারদের সতর্ক করে বলেন, ভোটার স্লিপ যেন নষ্ট না করে, ফেলে না দিয়ে, যত্ন করে রেখে দেন।

ভোটার স্লিপ প্রসঙ্গ মমতা বলেন, “ভোটার স্লিপগুলি যত্ন করে রেখে দিতে হবে। এটাই প্রমাণ যে আপনি ভোট দিয়েছেন। ওরা (বিজেপি) যদি এনআরসি করতে চায়, তাহলে এই ভোটার স্লিপ দেখিয়ে আপনি বলতে পারবেন যে ভোট দিয়েছিলেন।” মুখ্যমন্ত্রীর এই মন্তব্য থেকে স্পষ্ট, তিনি এনআরসি প্রসঙ্গ তুলে ধরে ভোটারদের সতর্ক করতে চাইছেন।

মমতার বক্তব্য অনুযায়ী, ভবিষ্যতে যদি এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়, তাহলে এই ভোটার স্লিপই গুরুত্বপূর্ণ নথি হিসেবে কাজ করতে পারে এবং নাগরিকদের সহায়তা করতে পারে। এদিন সভাতেও তিনি একই সুরে আশ্বাস দিয়ে বলেন, ‘আমি থাকতে এই রাজ্যে এনআরসি করতে পারবে না। আমি ডিটেনশন ক্যাম্পও বানাতে দেব না।’

তৃণমূল কংগ্রেসের অন্যান্য নেতা-কর্মীরাও একই বার্তা সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দিচ্ছেন। বিভিন্ন এলাকায় বাড়ি বাড়ি গিয়ে তাঁরা ভোটারদের ভোটার স্লিপ সংরক্ষণ করে রাখার পরামর্শ দিচ্ছেন। এমনকি অনেকেই স্লিপের প্রতিলিপি বা জেরক্স কপি রাখার কথাও বলছেন, যাতে ভবিষ্যতে প্রয়োজনে তা ব্যবহার করা যায়। অন্যদিকে, বিজেপি এই সমস্ত অভিযোগকে ভিত্তিহীন বলে দাবি করছে।

Voter slip will save lives, Mamata Banerjee's big claim

আরও পড়ুন : বালুরঘাটের প্রাক্তন বিধায়ক অশোক লাহিড়ি, এবার নীতি আয়োগের বড় দায়িত্বে

এদিকে, প্রথম দফার ভোটগ্রহণ নিয়ে কমিশনের তরফে জানানো হয়েছে, কোথাও পুনর্নির্বাচনের প্রয়োজন হয়নি। প্রথম দফার ভোট শেষ হলেও রাজনৈতিক লড়াই আরও তীব্র আকার নিতে শুরু করেছে। দ্বিতীয় দফা ঘিরে প্রচার,পাল্টা প্রচার এবং বিভিন্ন ইস্যুতে মতবিরোধ—সবকিছু মিলিয়ে রাজ্যের রাজনৈতিক আবহ আরও উত্তপ্ত।