বাংলা হান্ট ডেস্কঃ রাজ্যের দুয়ারে বিধানসভা নির্বাচন (Assembly Election)। তার আগে সরকারি প্রকল্পগুলির দিকে যে সরকার (Government of West Bengal) বিশেষ নজর দেবে সেটাই মনে করছে বিশেষজ্ঞমহল। বর্তমানে রাজ্য সরকারের নিজস্ব প্রকল্প বাংলার বাড়ি (Bangla Awas Yojana) নিয়ে চর্চা তুঙ্গে। বহুদিন ধরেই নতুন উপভোক্তারা প্রকল্পের অর্থের অপেক্ষায় রয়েছেন। কবে মিলবে বাড়ি বানানোর টাকা? সেই সংক্রান্ত আপডেট এল সামনে।
বাংলার বাড়ি প্রকল্পের আওতায় আরও উপভোক্তা জুড়বে রাজ্য | Government of West Bengal
আগে ধারণা করা হয়েছিল যে জানুয়ারি মাসের শুরুতেই উপভোক্তাদের অ্যাকাউন্টে টাকা ঢুকতে শুরু করবে, তবে রাজ্য প্রশাসনের একটি সূত্র বলছে, কিছুটা দেরি হবে টাকা মিলতে। টাকা দিতে এই বিলম্বের পিছনে ইতিবাচক কারণ রয়েছে বলেও জানা যাচ্ছে।
সূত্রের খবর, উপভোক্তার সংখ্যা বাড়ানো হচ্ছে বাংলার বাড়ি প্রকল্পে। আগে মোট ১৬ লক্ষ ৫ হাজার পরিবারকে ঘর তৈরির টাকা দেওয়া হবে বলে পরিকল্পনা হলেও বর্তমানে নানা দিক বিবেচনা করে প্রকল্পের উপভোক্তাদের সংখ্যা বাড়ানো হচ্ছে। আওতায় আনা হচ্ছে আরও ৪ লক্ষ উপভোক্তাকে। সব মিলিয়ে এখন প্রায় ২০ লক্ষ ৫ হাজার মানুষ এই প্রকল্পের সুবিধা পেতে চলেছেন বলে সূত্রের খবর।
জানা যাচ্ছে, রাজ্য সরকারের ‘সরাসরি মুখ্যমন্ত্রী’ হেল্পলাইন নম্বরে ফোন করে যারা নিজেদের অভাব-অভিযোগের কথা জানিয়েছিলেন, তাদের মধ্য থেকে সবদিক যাচাই করে আরও ৪ লক্ষ উপভোক্তাকে এই প্রকল্পের আওতায় আনা হচ্ছে। এত পরিমাণ উপভোক্তা বেড়ে যাওয়ায় বাড়তি বরাদ্দের অনুমোদনের জন্য কিছুটা বিলম্ব হচ্ছে।
জানুয়ারি মাসের চতুর্থ সপ্তাহে বা শেষের দিকে বাংলার বাড়ির প্রথম কিস্তির ৬০০০০ টাকা ছাড়া হতে পারে বলে শোনা যাচ্ছে। উল্লেখ্য, লোকসভা ভোটের আগে নিজের কোষাগার থেকেই ‘বাংলার বাড়ি’ প্রকল্পের মাধ্যমেই বাড়ি বানিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
লোকসভা ভোটের পূর্বে তৃণমূল সুপ্রিমো ও সেকেন্ড ইন কমান্ডোর প্রতিশ্রুতি ছিল ভোটে জিতলেই শুরু হবে বাংলার বাড়ির কাজ। আর হয়েছেও তাই। ২০২৪ সালের লোকসভা ভোটের ফলাফল সামনে আসার পর সে বছরই ডিসেম্বর মাস থেকে বাংলার ১২ লক্ষ উপভোক্তাকে বাড়ি বানানোর জন্য টাকা দেওয়া শুরু করে তৃণমূল সরকার।

আরও পড়ুন: প্যানে আটকানো চাকলির ঝামেলা শেষ! এই কায়দায় বানালেই চটপট উঠে যাবে, পদ্ধতি জানুন
উল্লেখ্য, এই প্রকল্পের আওতায় উপভোক্তাদের দুই কিস্তিতে মোট ১ লক্ষ ২০ হাজার টাকা দেওয়া হয় বাড়ি বানানোর উদ্দেশে। প্রথম কিস্তিতে ৬০ হাজার, আবার দ্বিতীয় কিস্তিতেও ৬০ হাজার টাকা করে দেওয়া হয়।












