পেনশন আটকে? GISS জটে বড় সিদ্ধান্ত নবান্নের, বদলে গেল নিয়ম

Published on:

Published on:

Nabanna Notice Brings Relief to WB Govt Employees on Health Scheme
Follow

বাংলা হান্ট ডেস্কঃ রাজ্য সরকারি কর্মীদের পেনশন পেতে দেরি,এই সমস্যায় বহুদিন ধরে ভুগছিলেন অনেকেই। বিশেষ করে অবসরের পরেও জিআইএসএস (GISS) সংক্রান্ত তথ্য ঠিকমতো না থাকায় আটকে যাচ্ছিল পেনশনের প্রক্রিয়া। এবার সেই জট কাটাতে বড় পদক্ষেপ নিল নবান্ন। নতুন নির্দেশিকা জারি করে সমস্যার সমাধানের পথ দেখাল অর্থ দপ্তর।

জিআইএসএস (GISS) সাবস্ক্রিপশন আপডেট নিয়ে নতুন নির্দেশিকা

রাজ্যের একাধিক সরকারি আধিকারিকের সার্ভিস বুকে জিআইএসএস (GISS) অবদানের হিসাব সঠিকভাবে আপডেট না থাকায় দীর্ঘদিন ধরেই জটিলতা তৈরি হচ্ছিল। প্রশাসনিক দপ্তর থেকে সময়মতো প্রয়োজনীয় তথ্য না আসায় সেই ঘাটতি পূরণ করা যাচ্ছিল না। এর ফলেই অবসরপ্রাপ্ত কর্মীদের পেনশন পেতে অস্বাভাবিক দেরি হচ্ছিল এবং তাঁরা চরম ভোগান্তির মুখে পড়ছিলেন।

এই সমস্যার স্থায়ী সমাধান করতেই পশ্চিমবঙ্গ সরকারের অর্থ দপ্তর (গ্রুপ-জে) গত ১৯ মার্চ ২০২৬ একটি গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশিকা জারি করেছে। মেমোরেন্ডাম নম্বর 061-F(J)/ FIN-22012/20/2025 অনুযায়ী, এখন থেকে ক্যাডার কন্ট্রোলিং অথরিটি—অর্থাৎ যাঁদের কাছে কর্মীর সার্ভিস বুক থাকে—তাঁরাই জিআইএসএস সাবস্ক্রিপশনের তথ্য নথিভুক্ত করতে পারবেন। শুধু তাই নয়, সেই তথ্য যাচাই ও প্রত্যয়ন করার ক্ষমতাও তাঁদের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে।

এই নতুন নিয়ম কার্যকর করা হয়েছে ১৯৮৭ সালের একটি পুরনো নির্দেশিকার (নম্বর 11099-F) ভিত্তিতে এবং রাজ্যপালের অনুমতিক্রমে তা জারি করা হয়েছে। নির্দেশিকায় স্পষ্ট করে জানানো হয়েছে, এই নিয়ম মূলত এইচআরএমএস (HRMS) চালু হওয়ার আগের সময়ের জন্য প্রযোজ্য। অর্থাৎ, ২০১৬ সালের এপ্রিল মাসের আগে যদি কোনও কর্মীর জিআইএসএস সংক্রান্ত তথ্য সার্ভিস বুকে নথিভুক্ত না থাকে, তাহলে এখন তা সহজেই আপডেট করা যাবে।

Nabanna(5)

আরও পড়ুনঃ ভবানীপুরে ‘৬০ হাজার’-এর লক্ষ্য! মমতার জয়ের নতুন অঙ্ক কষলেন অভিষেক

এই তথ্য (GISS) আপডেট করার জন্য প্রয়োজন হবে যথাযথ প্রমাণ। ‘সার্ভিস ভেরিফিকেশন সার্টিফিকেট’ অথবা অন্য কোনও গ্রহণযোগ্য বৈধ নথির ভিত্তিতেই এই এন্ট্রি করা যাবে। এই প্রক্রিয়ায় অর্থ দপ্তরের গ্রুপ-পি১ শাখার পূর্ণ সম্মতি রয়েছে। ইতিমধ্যেই এই নির্দেশিকা রাজ্যের সমস্ত ট্রেজারি অফিসার, জেলা শাসক, পুলিশ সুপার এবং বিভিন্ন দপ্তরের সচিবদের কাছে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। ফলে আগামী দিনে পেনশন প্রক্রিয়ায় যে দীর্ঘদিনের বাধা তৈরি হচ্ছিল, তা অনেকটাই দূর হবে বলে মনে করা হচ্ছে।