বাংলা হান্ট ডেস্ক: উচ্চমাধ্যমিকে (WBCHSE Exam) সেমিস্টার প্রথা বাতিল হচ্ছে এরকমই এক জল্পনা চলছে। এই অবস্থায় প্রকাশ্যে এসেছে একগুচ্ছ চাঞ্চল্যকর বিজ্ঞপ্তি। যেখানে দাবি করা হয়েছে উচ্চ মাধ্যমিক স্তরে নাকি সেমিস্টার পরীক্ষা বাতিল করা হচ্ছে। পাশাপাশি সব পরীক্ষার্থীকে আবারও পুরনো সিলেবাস ও পদ্ধতিতে পরীক্ষা দিতে হবে। এই খবর প্রকাশ্যে আসার পর তোলপাড় করে যে নেট দুনিয়ায়। তবে অবশ্যই সে এই ভুয়া খবরের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের করলেন উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা সংসদের সভাপতি পার্থ কর্মকার।
পড়ুয়াদের মধ্যে বাড়ছে প্রশ্ন, সেমেস্টার প্রথা কি উঠতে চলেছে উচ্চমাধ্যমিকে (WBCHSE Exam)
বৃহস্পতিবার সমাজ মাধ্যমে উচ্চমাধ্যমিক (WBCHSE Exam)সংক্রান্ত একটি ভুয়া বিজ্ঞপ্তি ছড়িয়ে পড়েছে। যেখানে দাবি করা হয়েছে যে ২০২৭ সালের উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা থেকে বাতিল করা হচ্ছে। আর এই ভুয়া বিজ্ঞপ্তি ছড়িয়ে পড়ার ফলে যথারীতি উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে ছাত্র-ছাত্রীদের মধ্যে। পাশাপাশি সব স্কুলে আগের মতন পুরনো সিলেবাসে পরীক্ষা ও পড়াশোনা পদ্ধতি চলবে সেই খবরও ওঠে। তবে এই নোটিশ ভাইরাল হয়ে যাওয়ার পর সকলকে সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে।

আরও পড়ুন: প্রশাসনিক নির্দেশে তালা মিলেনিয়াম পার্কে, অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধের ঘোষণা
যদিও এই নোটিশটি নিয়ে ইতিমধ্যে সকলের মধ্যে একটু মূল তর্ক বিতর্ক শুরু হয়ে। পরে জানা যায় যে এটি সম্পূর্ণ একটি ভিত্তিহীন ও গুজব নোটিশ। যেখানে পশ্চিমবঙ্গ উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা সংসদ এই ধরনের কোন নোটিশ জারি করেনি। পাশাপাশি নতুন সিলেবাস ও সেমিস্টার পদ্ধতিতে পরীক্ষার নিয়ম জারি রয়েছে বলেই জানা গেছে। তবে এই পরিপেক্ষিতে, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যে সাতটা নাগাদ উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা সংসদের সভাপতি পার্থ কর্মকার এক বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে স্পষ্ট জানিয়ে দেন, বর্তমানে সমাজ মাধ্যমের ছড়িয়ে পড়া এই খবরের কোন সত্যতা নেই। সম্পূর্ণ ভুয়ো ও বানানো।
সংসদের সঙ্গে এর কোন সম্পর্ক নেই। পাশাপাশি তিনি এই ভুয়া বিজ্ঞপ্তির বিরুদ্ধে বড় পদক্ষেপ নেন। সংসদ সভাপতি বিধান নগর সাইবার থানা তে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। পাশাপাশি সেমিস্টার প্রথা বাতিলের দাবি তুলতে শিক্ষা অনুরাগীরা ঐক্যমঞ্চের সাধারণ সম্পাদক কিঙ্কর অধিকারী জানান, উচ্চ মাধ্যমিক স্তরের ছাত্র-ছাত্রীরা ভীষণভাবে স্কুল বিমুখ হয়ে গিয়েছে। অবিলম্বে সেমিস্টার প্রথা তুলে একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণীভিত্তিক উচ্চ মাধ্যমিক ফিরিয়ে আনা দরকার।
যদিও এই সেমিস্টার বাতিলের অভিযোগ নিয়ে একই অভিযোগ তুলেছিল পড়ুয়া ও অভিভাবকেরা। তাদের অভিযোগ নির্দিষ্ট সময় মতো ছাত্র-ছাত্রীদের বই পাওয়া যাচ্ছে না। অপরদিকে পড়ার জন্য মিলছে কম সময়। অন্যদিকে সিলেবাস শেষ করাও দুষ্কর হয়ে পড়ছে। তবে সংসদের তরফে দাবি করা হয়েছে যে বিধানসভা নির্বাচনের জন্য সময় হেরফের হচ্ছে। যার ফলে বইয়ের সমস্যা একমাত্র প্রথম সেমিস্টারেই ছিল। পরবর্তী সেমিস্টার থেকে এরকম সমস্যা যাতে না হয় সেই দিকে নজর রাখা হবে (WBCHSE Exam)।













