উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা সংসদে বড় প্রশাসনিক রদবদল, উত্তীর্ণদের সার্টিফিকেট নিয়ে বাড়ছে জল্পনা

Published on:

Published on:

WBCHSE speculation mounts over higher secondary certificates
Follow

বাংলা হান্ট ডেস্ক: বিধানসভা নির্বাচনের ফল ঘোষনার পর নতুনভাবে রাজ্যে সরকার গঠন হয়েছে। যেখানে নতুন সরকারের কার্যকাল শুরু হতেই খোলনলচে বদলাতে শুরু করেছে প্রশাসন। সোমবার মন্ত্রিসভার প্রথম বৈঠক ছেড়ে আগামী দিনে পরিকল্পনা ঘোষণা করেছেন রাজ্যের নতুন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। এই ঘোষণার পরেই বিকেলে নির্দেশ দেওয়া হয় মেয়াদের পর, বোর্ড ও সংস্থা ইত্যাদি ভেঙে দেওয়ার। এরপরই শুরু হয় ইস্তফার পালা। আর সেখানেই ওঠে উচ্চমাধ্যমিকের প্রশ্ন (WBCHSE)।

উচ্চ মাধ্যমিকের সার্টিফিকেট নিয়ে বাড়ছে জল্পনা (WBCHSE)

যদিও বিধানসভা ভোটের আবহে ২০২৬ উচ্চ মাধ্যমিকের চূড়ান্ত তথা চতুর্থ সেমেস্টারের পরীক্ষা শুরু হয়েছিল ১২ ফেব্রুয়ারি। একই সঙ্গে চলে পুরনো পদ্ধতির পরীক্ষা এবং তৃতীয় সেমেস্টারের সাপ্লিমেন্টারি। আগামী ১৪ মে উচ্চ মাধ্যমিকের চূড়ান্ত ফলপ্রকাশের কথা। তবে এরই মাঝে শুরু হয় ইস্তফার পালা। যার ফলে প্রশ্ন উঠছে উচ্চমাধ্যমিক নিয়ে (WBCHSE)।

WBCHSE speculation mounts over higher secondary certificates

আরও পড়ুন: উত্তর-পূর্ব সীমান্ত রেলের বড় আপডেট, নন-ইন্টারলকিংয়ের জন্য জারি নতুন নির্দেশিকা

এছাড়াও আগামী ১৪ মে সকাল ১০:৩০ মিনিটে ফলঘোষণা করবেন উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা সংসদের বিদায়ী সভাপতি পার্থ কর্মকারই। এই দায়িত্ব তাঁকেই দিয়েছেন কর্তৃপক্ষ। সেখানে মঙ্গলবার পার্থকর্মকার বলেন, “আমি একজন সরকারি আধিকারিক। সরকার যেখানে কাজ করতে বলবে, সেখানেই কাজ করব। আমি আগেও দায়বদ্ধতার সঙ্গে কাজ করেছি, আগামী দিনেও সম্পূর্ণ দায়বদ্ধতার সঙ্গেই কাজ করব।”

এছাড়াও শিক্ষা দফতর সূত্রের খবর, উচ্চ মাধ্যমিকের ফল প্রকাশের ঠিক আগে সংসদের সভাপতিকে সরিয়ে দিলে সঙ্কট তৈরি হতে পারত। প্রায় ৬ লক্ষ ৩৫ হাজার উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীর শংসাপত্র তৈরি হয়ে গিয়েছে।

উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা সংসদের সভাপতি হিসাবে সেখানে স্বাক্ষর রয়েছে পার্থ কর্মকারের। তাই আপাতত সংসদ সভাপতিকে থেকে যাওয়ার কথাই বলা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে (WBCHSE)।