বাংলা হান্ট ডেস্কঃ ভোটের (West Bengal Assembly Election) আগে রাজ্যের নানা জায়গা থেকে অশান্তির খবর আসায় সাধারণ মানুষের মধ্যে একটু ভয় তৈরি হয়েছিল। অনেকেই ভাবছিলেন, ঠিকমতো ভোট দেওয়া যাবে তো? এই পরিস্থিতিতে সেই চিন্তা দূর করতেই পূর্ব মেদিনীপুরে গিয়ে সরাসরি পরিস্থিতি খতিয়ে দেখলেন মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ কুমার আগরওয়াল। তিনি স্পষ্ট জানালেন, ভোটে কোনও ভয়ভীতি থাকবে না। পাশাপাশি ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ পড়া নিয়েও গুরুত্বপূর্ণ কথা বললেন।
ভোটে (West Bengal Assembly Election) জেলার নির্বাচন প্রস্তুতি নিয়ে আলোচনা মনোজ কুমারের
শনিবার পূর্ব মেদিনীপুরে গিয়ে প্রশাসনিক ও পুলিশ আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠক করেন মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক। প্রায় তিন ঘণ্টা ধরে এই বৈঠকে জেলার নির্বাচন প্রস্তুতি, নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং আইনশৃঙ্খলা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। বৈঠকে জেলার উচ্চপদস্থ সব আধিকারিকই উপস্থিত ছিলেন। এরপর জেলার ১৬টি বিধানসভা কেন্দ্রের পর্যবেক্ষকদের সঙ্গেও আলাদা করে কথা বলেন তিনি। কোথায় কী সমস্যা হতে পারে, কীভাবে তা সামলানো হবে, এসব নিয়েই আলোচনা হয়।
মনোজ কুমার আগরওয়াল জানান, এই জেলায় প্রায় ৪০ লক্ষের বেশি ভোটার রয়েছেন। তাঁদের সবাই যেন নিশ্চিন্তে ভোট দিতে পারেন, সেটাই প্রশাসনের মূল লক্ষ্য। তিনি স্পষ্ট বলেন, “কোনও রকম ভয় থাকবে না, সবাই নিজের ইচ্ছেমতো ভোট (West Bengal Assembly Election) দিতে পারবেন।” ভোটার তালিকা নিয়ে যে প্রশ্ন উঠছে, সেটাও খোলসা করেন তিনি। জানান, প্রায় ৬০ লক্ষ আবেদন জমা পড়েছিল, তার মধ্যে প্রায় ৫৫ লক্ষ ইতিমধ্যেই মিটে গেছে। যেসব নাম বাদ পড়েছে, তা সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মেনেই করা হয়েছে। তবে যাঁদের নাম বাদ গেছে, তাঁদের আবার আবেদন করার সুযোগ খুব শিগগিরই দেওয়া হবে।
এছাড়া, আগের ভোটে যেসব জায়গায় সমস্যা হয়েছিল, সেগুলিকে বিশেষভাবে নজরে রাখা হচ্ছে। ২০২১ ও ২০২৪ সালের ভোটে চিহ্নিত স্পর্শকাতর এলাকাগুলিতে গিয়ে পরিস্থিতি দেখা হবে এবং মানুষের সঙ্গে সরাসরি কথা বলা হবে। তিনি আরও জানান, পূর্ব মেদিনীপুরে মোট ২৫টি থানা রয়েছে। এই থানাগুলির আওতায় থাকা সংবেদনশীল জায়গাগুলি চিহ্নিত করে ধাপে ধাপে পরিদর্শনে যাবে প্রশাসন।

আরও পড়ুনঃ ভোটের আগে বড় ‘মুভ’! স্মিতা পাণ্ডের ঘোষণায় চাপে পুরসভার কাজ
সব মিলিয়ে, ভোট (West Bengal Assembly Election) যেন শান্তিপূর্ণভাবে হয় এবং মানুষ নিশ্চিন্তে ভোট দিতে পারেন, সেই দিকেই এখন জোর দিচ্ছে প্রশাসন।












