বাংলা হান্ট ডেস্কঃ রাজ্যের প্রাক্তন সরকার দুর্নীতির পাহাড় রেখে গিয়েছে! এমনটাই অভিযোগ বর্তমান শাসকদল বিজেপির। ইতিমধ্যেই এই নিয়ে সরব হয়েছেন স্বাস্থ্য মন্ত্রী শারদ্বত মুখোপাধ্যায় (Sharadwat Mukhopadhyay)। এদিনের পোগ্রামে মমতার করা সমস্ত কাজই সন্দেহের আওতায় আনা উচিত বলে জানান তিনি। এরপর কি বললেন? চলুন দেখে নেওয়া যাক।
মমতা যা যা করেছেন সবটাই তদন্ত সাপেক্ষ : শারদ্বত মুখোপাধ্যায়
স্বাস্থ্যমন্ত্রীর মতে, সম্প্রতি স্বাস্থ্য সাথী কার দুর্নীতির খবর মিলেছে। স্বাস্থ্য সাথী দুর্নীতির উদ্ঘাটন করেছি আমরা। দুর্নীতির যে বইগুলো এখন অনেক বাকি। ভুয়ো কার্ড বলছি তো। এক এক করে ধরুন। ভুয়ো কার্ড উপভোক্তা, ভুয়ো ডাক্তার, ভুয়ো হাসপাতাল, ভুয়ো রোগ, ভুয়ো রোগী, ভুয়ো রোগীর কাগজপত্র, ভুয়ো স্বাক্ষর, ভুয়ো বিল এই এতগুলো লেভেলে আছে দুর্নীতি। ২৫ থেকে ৩০ লক্ষ স্বাস্থ্যসাথী উপভোক্তার সঙ্গে দুর্নীতির আভাস পাচ্ছি। সেটার শনাক্তিকরণ প্রক্রিয়া চলছে, সময় লাগবে রাজ্য সরকারের।
একইসাথে তিনি আরও জানান, স্বাস্থ্য সাথী দুর্নীতির উদ্ঘাটন করেছি আমরা। রাজ্য সরকারের যদি দেখি সাংঘাতিক বড় দুর্নীতি, তো এটা আমাদের স্বাস্থ্যভবনের আওতায় বহির্ভূত দুর্নীতি। সেই ক্ষেত্রে আমার সিআইডি সিবিআইকে দুর্নীতির তদন্ত করার জন্য হয়তো দায়ভার দিতে পারি। তদন্ত এখনও চলছে সময় লাগবে, মানে ফুটবল দেখলেই খেলা হবে ভাববেন না। সবার পা ভাঙলে ভাববেন না যে সত্যি, না মিথ্যে কিছু লোককে বিশ্বাসও করতে হয়। আমরা এখন পায়ে ব্যান্ডেজ আগে জিজ্ঞেস করি যে ভুয়া না ঠিক? সেরকমই কার্ড দেখলে মনে হয় যে ভুয়ও না ঠিক স্বাস্থ্য সাথীর কার্ডগুলো ভুয়ো হতে পারে। আয়ুষ্মান ভারতের হবে বলিনি হবে না হলপ করে বলে দিলাম। আপনার কি মনে হয়? যে দুর্নীতিমুক্ত আয়ুষ্মান ভারত জনস্বাস্থ্য প্রকল্প জিন্দেগীতে এত ভালো প্রকল্প বিশ্বব্যাপী এরকম ভালো প্রকল্প জনস্বাস্থ্যে নেই। আর মনে হয় কেউ করবে না।
আরও পড়ুনঃ চিনে গুপ্তধনের ছড়াছড়ি! ৫০ টি বড় খনির সমপরিমাণ সোনার খোঁজ, মাটির নিচে মূল্যবান ধাতুর বিশাল ভাণ্ডার
এরপর আমেরিকার প্রসঙ্গে তুলে তিনি বলেন, আমেরিকা ট্রাই করেছিল ওবামা কেয়ার মুখ থুবড়ে পড়েছে। ভারত করে দেখিয়ে দিয়েছে যেসব দেশ ভারতবর্ষকে কটাক্ষ করেছে কোভিড নিয়ে কটাক্ষ করেছে যারা জনস্বাস্থ্য প্রকল্প নিয়ে কটাক্ষ করেছে ওবামা কেয়ার। বলেছিল ভারতবর্ষে নাকি এসব জিনিস হওয়া অসম্ভব। বলেছিল কোভিডে ভারতবর্ষে সবাই মারা যাবে। আজকে সেইসব দেশগুলোকে সচেতন করে দিয়েছে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। মোদিজি কোভিড ভারত এবং ভারতীয়রা নিজেদেরকে নয়, বাকি আরো ৭৮টি দেশকে রক্ষা করেছে।
আরেকটা জিনিস ভাবছিলাম না সেটাও চলে আসবে। এক ভোট একদিনে এক ভারত। মমতা ব্যানার্জী যা যা করেছেন সব তদন্ত সাপেক্ষ সে পা ভাঙ্গাই বলুন, উনার ইনজেকশন দেওয়ার গল্পই বলুন, উনার সংস্কৃতির শ্লোকই বলুন, সরস্বতী পূজার অঞ্জলিই বলুন, সেগুলো সবই তদন্ত সাপেক্ষ উনার গান গাওয়াই বলুন আর গানের সুরই বলুন আর সঙ্গে ডুয়েট গেয়েছিলেন সেই গায়কের কথাই বলুন সবই তদন্ত সাপেক্ষ এই জনগণনা বন্ধ রেখেছিলেন কে? সারা ভারতবর্ষকে বঞ্চিত করার জন্য প্রকল্প নিয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পশ্চিমবঙ্গে গোব্যাক খেয়ে এখন দিল্লির মসনদে রাহুল গান্ধী এবং সোনিয়া গান্ধীর পদতলে আশ্রয় খুঁজছেন। যে সোনিয়া গান্ধীকে দিন-রাত দিবারাত্র গালাগালি দিতেন। যে সিপিএম বামপন্থীদের চিরকাল গালাগালি দিতেন। যে মাওবাদী বলে সাংবাদিকের টকশো থেকে উঠে বেরিয়ে আসতে পারেন। সেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এমনই করুন অবস্থা।












