টিপ-তিলকে আর নেই আপত্তি! বিতর্কের সম্মুখীন হয়ে নতুন নির্দেশিকায় কী জানাল লেন্সকার্ট?

Published on:

Published on:

What did Lenskart say in the new guidelines?
Follow

বাংলা হান্ট ডেস্ক: ক্রমবর্ধমান বিতর্কের পরিপ্রেক্ষিতে, চশমা প্রস্তুতকারী সংস্থা লেন্সকার্ট (Lenskart) এবার ক্ষমা চেয়েছে। শুধু তাই নয়, ইতিমধ্যেই এই সংস্থাটি কর্মচারীদের জন্য একটি নতুন স্টাইল গাইড প্রকাশ করেছে। জানা গিয়েছে, কর্মচারীরা এখন কর্মক্ষেত্রে তাঁদের ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক প্রতীক পরিধান করতে পারবেন। কোম্পানিটি সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম এক্স-এ একটি বিবৃতি জারি করে জানিয়েছে যে, গ্রাহক ও সম্প্রদায়ের উদ্বেগের কথা বিবেচনা করে নির্দেশিকাগুলি স্বচ্ছ করা হয়েছে।

লেন্সকার্ট (Lenskart)-এর নতুন পলিসিতে কী পরিবর্তন আনা হয়েছে?

নতুন নির্দেশিকায় স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে যে, কর্মচারীরা টিপ, তিলক, সিঁদুর, ধাগা, মঙ্গলসূত্র, কড়া, হিজাব এবং পাগড়ির মতো ধর্মীয় প্রতীক পরিধান করতে পারবেন। সংস্থাটি জানিয়েছে যে, যদি পূর্ববর্তী কোনও নিয়ম কারও অনুভূতিতে আঘাত করে থাকে, সেক্ষেত্রে তারা ক্ষমাপ্রার্থী।

What did Lenskart say in the new guidelines?

কীভাবে বিতর্ক শুরু হয়: জানিয়ে রাখি যে, সম্প্রতি লেন্সকার্টের একটি ইন্টারনাল ডকুমেন্ট সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছিল। যেখানে, ওই সংস্থার কর্মীদের কপালে টিপ ও তিলকের মতো কিছু নির্দিষ্ট ধর্মীয় প্রতীক পরতে নিষেধ করা হয়েছিল। এর ফলে ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি হয় এবং সংস্থাটি বয়কটের ডাক ওঠে।

আরও পড়ুন: শুধু ট্যাক্সের জন্য নয়, প্যান কার্ড প্রয়োজন হয় এই ১৫ টি কাজেও! দেখুন তালিকা

সংস্থাটি কী জানিয়েছে: এমতাবস্থায়, সংস্থাটির ফাউন্ডার পীযূষ বনসাল, এর আগে স্পষ্ট করেছিলেন যে ভাইরাল হওয়া নথিটি পুরোনো এবং এতে বর্তমান পলিসির প্রতিফলন ঘটেনি। তিনি জানান যে, সংস্থার বর্তমান নির্দেশিকায় কোনও ধর্মীয় অভিব্যক্তি নিষিদ্ধ করা হয়নি। এদিকে, সংস্থাটি এক বিবৃতিতে জানিয়েছে যে, ভারতে তাদের ২,৪০০-র বেশি স্টোর রয়েছে। যেখানে কর্মীরা তাঁদের ঐতিহ্য ও বিশ্বাস অনুসারে কাজ করেন। সংস্থাটি আরও জানান, ‘লেন্সকার্ট ভারতেই তৈরি, ভারতীয়দের জন্য, এবং আমরা কাউকে তার পরিচয় ত্যাগ করতে বলব না।’

আরও পড়ুন: টিম ইন্ডিয়ার চিফ সিলেক্টর হিসাবে মেয়াদ বৃদ্ধি হবে অজিত আগরকারের! কী পরিকল্পনা BCCI-র?

পরবর্তী পদক্ষেপ কী নেওয়া হবে: লেন্সকার্ট আশ্বাস দিয়েছে যে, ভবিষ্যতে সংস্থার সকল পলিসি, ট্রেনিং এবং কমিউনিকেশনে অন্তর্ভুক্তিমূলক চিন্তাভাবনার প্রতিফলন ঘটবে। সংস্থাটি জানিয়েছে, তারা উন্নতি সাধন অব্যাহত রাখবে এবং গ্রাহকদের আস্থা বজায় রাখারও চেষ্টা করবে।