একটা সুযোগ অন্তত দিন, বিজেপি ক্ষমতায় এলে সোনার বাংলা গড়ার আশ্বাস মিঠুন চক্রবর্তীর

Published on:

Published on:

What did Mithun Chakraborty say about the situation in the state?
Follow

বাংলা হান্ট ডেস্ক:সোমবার দিন বর্ধমান জেলার বিজেপি (BJP) কার্যালয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন মিঠুন চক্রবর্তী (Mithun Chakraborty)। সেখানেই তাঁকে বিধানসভা নির্বাচনের ব্যাপারে প্রশ্ন করা হয় যে, ২০২১ সালে বিধানসভা নির্বাচনের আগে পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির একটা হাওয়া ছিল, এবারে কী পরিস্থিতি অন্য? প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন ‘ভোটের আগে অনেক হাওয়া দেখা যায়। এবার দেখুন কী হাওয়া হয়, আর বিজেপির হাওয়া হলেই তো ওরা মারবে। ঘরে ঘরে গিয়ে ভয় দেখাবে। তার থেকে সবাই চুপচাপ থাকুন আর ভোটের সময় গিয়ে ভোটটা দিয়ে দিন’।

মিঠুন চক্রবর্তী (Mithun Chakraborty) রাজ্যের পরিস্থিতি সম্পর্কে কী বললেন?

মিঠুন চক্রবর্তীকে রাজ্যের পরিস্থিতির সম্পর্কে আরও অনেক ব্যাপারেই প্রশ্ন করা হয়। তিনি তৃণমূলের বিরুদ্ধে চার্জশিট পেশ করতে এসে এই মন্তব্য করেছেন। লক্ষীর ভান্ডার বিষয়ে তাঁকে জিজ্ঞাসা করা হলে, তিনি বলেন মেয়েরা লক্ষ্মীর ভান্ডার নিলেও, তারা কিন্তু মনে প্রানে বিজেপি কে চায়। এরা তো দেড় হাজার টাকা মাসে দিচ্ছে আর বিজেপি ক্ষমতায় এলে তিন হাজার টাকা করে মাসে দেওয়া হবে।

বিজেপি কার্যালয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি বলেন ‘আমি নিজে একজন অসহায় মানুষ হিসেবে দাঁড়িয়ে আছি। পাওয়ার (ক্ষমতা) তো এখন পুলিশের হাতে আছে। সুযোগ পেলে আপনি আমার হিরোগিরি দেখতে পাবেন’।

আরও পড়ুন:বাড়িতে নামাজ পড়ার সময়ই আচমকা আগুন, তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বে রণক্ষেত্র হিঙ্গলগঞ্জ

তাকে মুকুল রায়ের প্রয়াণ প্রসঙ্গে জিজ্ঞেস করা হয়। তিনি উত্তর দেন ‘মুকুল রায় ভালো মানুষ ছিলেন। আমার সঙ্গে ভালো সম্পর্ক ছিল। তাকে আমি শ্রদ্ধা করি। মাঝে রাজনৈতিক কারণে কিছুটা এদিক-ওদিক হয়েছিল, তার প্রয়াণে আমি ব্যথিত হয়েছি।

আরও পড়ুন:২০২৬ এর বিধানসভা নির্বাচনে ভোট কর্মীদের জন্য হবে তিন পর্যায়ের প্রশিক্ষণ

What did Mithun Chakraborty say about the situation in the state?

তিনি আরও বলেন, ‘সবাই চমক দেয়। লক্ষীর ভান্ডার, যুব সাথী নিয়ে তৃণমূল কংগ্রেসও চমক দিচ্ছে। এই যে যারা যুব সাথী প্রকল্পের জন্য লাইন দিচ্ছেন, সেটাই প্রমাণ করে দেয় যে এই রাজ্যে সাধারণ মানুষের হাতে কাজকর্ম, কারখানা কিংবা কোনও প্রকল্প কিছুই নেই। আজ মাত্র দেড় হাজার টাকা পাওয়ার জন্য তাই তারা বাধ্য হয়ে সারাদিন লাইনে দাঁড়াচ্ছেন’।