৬০০ বছরেরও প্রাচীন পুজো, মাহেশের রথযাত্রায় ৫৬ ভোগে কী কী থাকে জানেন?

Published on:

Published on:

Follow

বাংলাহান্ট ডেস্ক : মাহেশের রথযাত্রা (Mahesh Rathyatra) বাংলার অন্যতম প্রাচীন এবং ঐতিহ্যবাহী উৎসব। ৬০০ বছরেরও বেশি পুরনো এই রথযাত্রাকে কেন্দ্র করে লক্ষ লক্ষ তীর্থযাত্রীর ভিড় হয় হুগলীতে। বিভিন্ন জেলা তথা রাজ্য থেকে তীর্থযাত্রীরা ভিড় করেন জগন্নাথদেবের দর্শন করার জন্য। প্রতি বছর মহা ধুমধামে রথযাত্রা পালিত হয় মাহেশে।

কীভাবে শুরু হয় মাহেশের রথযাত্রা (Mahesh Rathyatra)?

জানা যায়, ১৩৯৬ খ্রিস্টাব্দে ধ্রুবানন্দ ব্রহ্মচারী পুরী থেকে মাহেশে নিয়ে আসেন জগন্নাথদেবের আরাধনার প্রথা। লোকমুখে প্রচলিত, পুরীতে জগন্নাথদেবের স্বপ্নাদেশ পাওয়ার পর মাহেশে ফিরে এসে জগন্নাথদেব, বলরাম ও সুভদ্রার বিগ্রহ প্রতিষ্ঠা করেন তিনি। সেই থেকেই মাহেশে শুরু হয় রথযাত্রা।

What is there in mahesh rathyatra bhog

কী কী থাকে ৫৬ ভোগে: পুরীতে জগন্নাথদেবের ভোগ রীতিমতো বিখ্যাত। মাহেশের রথযাত্রাতেও ৫৬ ভোগ নিবেদন করা হয় প্রভু জগন্নাথকে। এখানে রথের দিন এবং উল্টোরথের মধ্যবর্তী সময়ে ৫৬ ভোগ নিবেদন করা হয় জগন্নাথদেব, বলরাম ও সুভদ্রাকে। ভোগে থাকে সুগন্ধি পোলাও, খিচুড়ি, ধোঁকার ডালনা, আলুর দম, পনির, ক্ষীরের পায়েস। কথিত আছে, জগন্নাথদেবের নাকি মিহিদানা খাওয়ার শখ হয়েছিল। সেই ধারা মেনে আজও স্থানীয় কিছু প্রাচীন মিষ্টির দোকানে তৈরি ঘুটকে সন্দেশ ও মিহিদানা জগন্নাথদেবকে নিবেদন করা হয়।

আরও পড়ুন : ট্রেন্ডে ভেসে রোজ ওটস খাচ্ছেন? শরীরে কী হচ্ছে জানেন?

সারা বছর ভোগে কী থাকে: সারা বছর মাহেশে (Mahesh Rathyatra) জগন্নাথদেবকে দেওয়া হয় খিচুড়ি ভোগ, সাদা ভোগ, ভাজা শাক, অড়হড় ডাল, আলুর দম, চাটনি, পায়েস। সোজা রথ, উল্টোরথ, বিশেষ দিনগুলিতে এর সঙ্গে থাকে পোলাও ভোগ, ছানার ডালনা, ধোঁকা, মালপোয়ার মতো ভোগ। সৈন্ধব লবণ ব্যবহার করা হয় জগন্নাথদেবের ভোগে। জগন্নাথদেবকে দেওয়া হয় খিচুড়ি ভোগ, সাদা ভোগ, ভাজা শাক, অড়হড় ডাল, আলুর দম, চাটনি, পায়েস। সোজা রথ, উল্টোরথ, বিশেষ দিনগুলিতে এর সঙ্গে থাকে পোলাও ভোগ, ছানার ডালনা, ধোঁকা, মালপোয়ার মতো ভোগ। সৈন্ধব লবণ ব্যবহার করা হয় জগন্নাথদেবের ভোগে।

আরও পড়ুন : ট্রেনে ধূমপান বা মহিলা কামরায় উঠলেই ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত জরিমানা, বদল রেলের নিয়মে

সোজা রথের দিন রথে চাপিয়ে জগন্নাথদেব, বলরাম, সুভদ্রাকে নিয়ে যাওয়া হয় গুন্ডিচাবাটীতে। ভক্তরা খালি পায়ে রথের রশি ধরে জিটি রোড ধরে মাসির বাড়িতে পৌঁছে দেন।