দীর্ঘ ১৫ বছর পর কলকাতার থানায় মহিলা ওসি, বড় সিদ্ধান্ত সরকারের

Published on:

Published on:

women OC in Kolkata police station, big decision by government
Follow

বাংলা হান্ট ডেস্ক : কলকাতা পুলিশের (Kolkata Police) অন্দরে বড় প্রশাসনিক রদবদল। তবে এবার শুধু বদলি নয়, তার সঙ্গে জুড়ল নারী নেতৃত্বকে আরও এগিয়ে আনার বার্তাও। দীর্ঘ বিরতির পর শহরের মূল থানার দায়িত্বে দুই মহিলা অফিসারকে (Women OC) বসিয়ে নতুন নজির গড়ল রাজ্য সরকার।

বড় দায়িত্ব পেলেন কলকাতা পুলিশের (Kolkata Police) মহিলা ওসিরা ?

নারী সুরক্ষাকে অগ্রাধিকার দেওয়ার প্রতিশ্রুতি নিয়েই ক্ষমতায় এসেছিল বিজেপি সরকার। সেই লক্ষ্যকে সামনে রেখে ইতিমধ্যেই একাধিক পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। এবার কলকাতা পুলিশের সাম্প্রতিক রদবদলেও উঠে এল মহিলা নেতৃত্বকে আরও গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দেওয়ার উদ্যোগ। প্রায় দেড় দশক পর শহরের সাধারণ থানার ওসি পদে দুই মহিলা ইন্সপেক্টরকে নিয়োগ করা হয়েছে।

নতুন নির্দেশিকা অনুযায়ী, সরশুনা থানার দায়িত্ব পেয়েছেন রূপা সিংহ। এতদিন তিনি টালিগঞ্জ মহিলা থানার ওসি হিসেবে কর্মরত ছিলেন। একইভাবে, সিঁথি থানার নতুন ওসি হয়েছেন চামেলি মুখোপাধ্যায়। এর আগে তিনি উল্টোডাঙা মহিলা থানার দায়িত্ব সামলাচ্ছিলেন।

বৃহস্পতিবার কলকাতা পুলিশের ৩৩টি থানার ইন্সপেক্টর পদে বদলির নির্দেশ জারি হয়। সেই তালিকাতেই এই দুই গুরুত্বপূর্ণ নিয়োগের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। জানা গিয়েছে, ২০১০ সালে বামফ্রন্ট সরকারের আমলে কলকাতার কোনও মূল থানার দায়িত্বে মহিলা ইন্সপেক্টরকে বসানো হয়েছিল। এরপর তৃণমূল কংগ্রেসের শাসনকালে একাধিক মহিলা থানা চালু হলেও থানার ওসি পদে কোনও মহিলা অফিসারকে দায়িত্ব দেওয়া হয়নি।

অন্যদিকে, কলকাতা পুলিশের আওতাধীন সমস্ত থানায় চালু হয়েছে মহিলা হেল্প ডেস্ক। এই পরিষেবাকে কার্যকর করতে মহিলা পুলিশকর্মীদের জন্য বিশেষ প্রশিক্ষণেরও ব্যবস্থা করা হয়েছে। প্রসঙ্গত, নতুন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর কলকাতা পুলিশের এটি দ্বিতীয় বড় রদবদল। এর আগে রিজার্ভ ফোর্সের ডেপুটি কমিশনার জাফর আজমল কিদওয়াইকে জয়েন্ট পুলিশ কমিশনার পদে উন্নীত করা হয়েছিল।

women OC in Kolkata police station, big decision by government

আরও পড়ুন :মহিলাদের দ্রুত সাহায্য দিতে প্রস্তুত পুলিশ, কীভাবে কাজ করবে Women Help Desk?

এছাড়াও, সম্প্রতি নবান্নের নির্দেশে রাজ্যের ১০৮ জন আইসি-র বদলিও করা হয়েছে। এই ধারাবাহিক প্রশাসনিক পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে পুলিশ ব্যবস্থায় দক্ষতার পাশাপাশি নারী নেতৃত্বের অংশগ্রহণও আরও জোরদার করার ইঙ্গিত মিলছে বলে মনে করছে প্রশাসনিক মহলের একাংশ।