বাংলা হান্ট ডেস্ক: বিধানসভা নির্বাচনের আগে পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য বাজেট অধিবেশনে যুব সাথী (Yuva Sathi) প্রকল্পের কথা ঘোষণা করা হয়েছিল। আর তাতে রাজ্যের বেকারদের জন্য বড় ঘোষণা করা হয়। যেখানে বলা হয় ২১ থেকে ৪০ বছর বয়সের মাঝে সকল ছেলেমেয়েরা ১৫০০ টাকা করে পাবেন। এই প্রকল্পের পর আবেদনের প্রথম দিন থেকেই বেকারদের লাইন পড়েছিল চোখে পড়ার মতন। অফলাইন তো বটেই। অনলাইনেও শয়ে শয়ে লোক ভাতা পাওয়ার জন্য আবেদন করেছিলেন।
যুবসাথী টাকায় ট্রানজাকশন ফেইল্ড বিপাকে আবেদনকারীরা (Yuva Sathi)
কিন্তু যারা অনলাইনে আবেদন করেছিলেন তারা পড়েছে মহাফাঁপরে। কারণ তাদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে যুব সাথীর (Yuva Sathi) টাকা ঢুকছে না। বহু যুবক যুবতীদের মোবাইল বা সাইবার ক্যাফেতে গিয়ে এই বিষয়ে স্ট্যাটাস চেক করেছেন। তারপরও হতাশা মুখে বেরিয়ে এসেছেন তারা। প্রসঙ্গত, যেখানে এপ্রিল মাস থেকে এই টাকা দেওয়ার কথা ছিল মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়ের তরফে। তা গত শনিবার ধর্মতলার ধর্ণা মঞ্চ থেকে ঘোষণা করা হয় ৭ মার্চ থেকেই টাকা ঢুকবে যুব সাথী প্রকল্পের। সেখানে অনলাইন অথবা অফলাইন যেভাবেই হোক না কেন আবেদনকারীদের কাছে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ১৫০০ টাকা যাবে। কিন্তু সেই ঘোষণা করার পরও কেটে গিয়েছে বেশ কয়েকটা দিন। তারপরও রাজ্যের নানান জায়গায় অভিযোগ উঠেছে যুগসাথের টাকার ঢোকার মেসেজ আসলেও অ্যাকাউন্টে টাকা ঢুকছে না।

আরও পড়ুন: যাত্রীদের জন্য বড় খবর! শিয়ালদহ ডিভিশনের একাধিক ট্রেনের সময় ও রুট বদল, জানুন সময়সূচি
বরং মেসেজ কিছুক্ষণ পর ফেইল্ড দেখাচ্ছে। মূলত এই অভিযোগ এনেছেন,৯৯, ১০০, ১০১ থেকে একাধিক অনলাইন আবেদনকারী এই অভিযোগ করেছেন। তাঁদের দাবি, যে দিন যুবসাথীর টাকা ঢোকার কথা সে দিন মেসেজ ঢুকছে। কিন্তু একদিন পরই রাজ্যের অর্থ দফতর থেকে মেসেজ পাঠিয়ে বলা হচ্ছে – ট্রানজাকশন ফেইল্ড! সমস্যা সমাধানের জন্য যোগাযোগ করতে হবে ব্যাঙ্ক বা নিকটবর্তী সরকারি দফতর গেলেও কোন উপকার পাওয়া যায় নি।
এদিকে যুবসাথীর পোর্টালে স্ট্যাটাস চেক করলে কিছু দেখাচ্ছে না। পাশাপাশি হেল্পলাইন নম্বরে ফোন করলে তা সুইচড অফ বলছে!অভিযোগকারীদের বক্তব্য, সরকারি অফিস থেকে তাঁদের বলা হচ্ছে – যেহেতু তাঁরা অনলাইনে আবেদন করেছে সেহেতু কিছু করা যাবে না।
শুধুমাত্র যে টাকা পাচ্ছে না তাই নয় । আবেদনকারীদের চিন্তা বেড়েছে ভুল ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের বিষয় নিয়েও। কারণ,অনেক ক্ষেত্রে দেখা গেছে, অনলাইনে যারা আবেদন করেছেন তাঁদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে ১৪টি নম্বর থাকলেও যুবসাথীর যে মেসেজ ঢুকেছে তাতে ১৩টি নম্বর দেখাচ্ছে।এই নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়াতেও এই নিয়ে ব্যাপক চর্চা।কেউ কেউ দাবি করেছেন, তাঁদের অ্যাকাউন্ট নম্বর ১৫ বা ১৬ সংখ্যার। বহু ক্ষেত্রে তা শুরু ০ দিয়ে। এখন প্রশ্ন হল অনলাইনে যাঁরা আবেদন করেছিলেন তাঁরা কী করবেন। সরকারি খতিয়ান বলছে, যুবসাথীর জন্য ১৯ লক্ষ ২৩ হাজার ৫৭৯টি আবেদন জমা পড়েছিল অনলাইনে (Yuva Sathi)।












