বাংলা হান্ট ডেস্কঃ বসিরহাটে ইছামতী নদী থেকে বালি পাচারের অভিযোগ ঘিরে রাজনৈতিক উত্তেজনা মাঝেই বড় প্রশাসনিক পদক্ষেপ। গতকাল টুইট করে বালি পাচারের একটি ভিডিও প্রকাশ করেছিলেন বিজেপি নেতা সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। আর তার ঠিক পরদিনই বদলি করা হল বসিরহাট জেলার পুলিশ সুপারকে। ঘটনাকে ঘিরে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে।
ইছামতী নদী থেকে রমরমিয়ে চলছে বালি পাচার
বিজেপি নেতা সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) গতকাল টুইটারে একটি পোস্ট করে অভিযোগ করেন, বসিরহাট জেলার পুলিশ সুপারের দপ্তর থেকে ঢিল ছোঁড়া দূরত্বে দীর্ঘদিন ধরে রমরমিয়ে চলছে ইছামতী নদী থেকে অবৈধ বালিখনন এবং পাচারের কারবার। তাঁর বক্তব্য, এত বড় বেআইনি কাজ দীর্ঘদিন ধরে চলছে, কিন্তু প্রশাসন নীরব।
কী দাবী সুকান্তর (Sukanta Majumdar)?
পোস্টে সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) দাবি করেন, প্রকাশ্য দিবালোক থেকে রাতের অন্ধকার সব সময়েই ট্রাকে করে এবং নদীপথে নৌকায় করে বালি পাচার করা হচ্ছে। সবকিছু সকলের চোখের সামনে ঘটছে বলেও অভিযোগ তোলেন তিনি। অথচ বসিরহাট জেলার পুলিশ কর্তারা নাকি এই বিষয়ে একদম নিঃশব্দ ও নিশ্চুপ। এখানেই থেমে থাকেননি বিজেপি নেতা। তাঁর আরও অভিযোগ, এই অবৈধ কারবারের পিছনে রয়েছে মোটা অঙ্কের টাকার লেনদেন। পাচারকারীদের সঙ্গে পুলিশ-প্রশাসনের শীর্ষ কর্তাদের নিয়মিত হিসেব-নিকেশ চলছে বলেও দাবি করেছেন তিনি।
পোস্টে সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) আরও দাবি করেন, এই অবৈধ বালিখনন চক্রের মাথায় বিশেষভাবে রয়েছে কালীঘাট নিবাসী একটি পরিবারের হাত। তাঁর দাবি, ওই পরিবারের প্রভাবেই বেছে বেছে কিছু পুলিশ আধিকারিকদের ‘সিলেকশন’ নিশ্চিত করা হয় এবং নিয়মিত অবৈধ টাকা পৌঁছে দেওয়া হয়।

আরও পড়ুনঃ কৃষক বন্ধু টাকা পেতে আর কত দেরি? স্ট্যাটাস দেখার সহজ নিয়ম জানুন…
সুকান্ত মজুমদারের (Sukanta Majumdar) করা এই অভিযোগ প্রকাশ্যে আসতেই রাজনৈতিক মহলে নতুন করে চর্চা শুরু হয়েছে। টুইট ভাইরাল হওয়ার ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই বদলি করা হয়েছে বসিরহাটের এসপি-কে। প্রশাসনের তরফে রুটিন বদলি বলা হলেও, সময়ের মিল ঘিরে রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে। বিরোধী শিবিরের দাবি, অভিযোগ সামনে আসার পরেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

















