বাংলা হান্ট ডেস্ক: জুন মাসে নরেন্দ্র মোদী এবং ডোনাল্ড ট্রাম্পের মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষাতের সম্ভাবনা ঘিরে কূটনৈতিক মহলে জোর জল্পনা তৈরি হয়েছে। জানা গিয়েছে, আসন্ন জি-৭ সম্মেলনে যোগ দিতে এই দুই দেশের (India-America) নেতাই ফ্রান্স সফরে যেতে পারেন। সেই সুযোগেই দ্বিপাক্ষিক সাক্ষাতের আয়োজন হতে পারে বলে সূত্রের খবর। ইতিমধ্যেই এই সম্ভাব্য সাক্ষাতকে ঘিরে দুই দেশের প্রশাসনিক স্তরে প্রস্তুতি শুরু হয়েছে।
জুন মাসেই জি-৭ সম্মেলনে যোগ দেবেন আমেরিকা -ভারত (India-America)
এই বৈঠকের আগে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে চলেছেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও। তিনি আগামী মে মাসে দিল্লি সফরে আসবেন বলে জানা গিয়েছে। তাঁর এই সফরের মধ্য দিয়েই মোদী-ট্রাম্প বৈঠকের রূপরেখা চূড়ান্ত করা হতে পারে। উল্লেখ্য, দুই নেতা শেষবার সরাসরি সাক্ষাৎ করেছিলেন ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে, যদিও তার পরেও টেলিফোনে একাধিকবার তাঁদের মধ্যে আলোচনা হয়েছে।
আরও পড়ুন: মাত্র ৩ কিমি দূরে লেবং, এবারের গরমের ছুটিতে দার্জিলিং ভ্রমণে মিস না করার মতো এক শান্ত গন্তব্য
১৫ থেকে ১৭ জুন ফ্রান্সের এভিয়ানে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা এই জি-৭ সম্মেলন। ফরাসি রাষ্ট্রপতি ইতিমধ্যেই প্রধানমন্ত্রী মোদিকে এই সম্মেলনে যোগ দেওয়ার আমন্ত্রণ জানিয়েছেন। যদিও ট্রাম্পের অংশগ্রহণ নিয়ে এখনও আনুষ্ঠানিক ঘোষণা হয়নি, তবুও কূটনৈতিক মহল মনে করছে তিনি উপস্থিত থাকতে পারেন। ফলে এই সম্মেলন আন্তর্জাতিক রাজনীতির ক্ষেত্রে বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ হয়ে উঠতে চলেছে।
তবে সাম্প্রতিক সময়ে ভারত সম্পর্কে ট্রাম্পের কিছু নেতিবাচক মন্তব্য দুই দেশের সম্পর্কের মধ্যে সামান্য টানাপোড়েন তৈরি করেছে। সেই প্রেক্ষিতে ওয়াশিংটন এখন দিল্লির সঙ্গে সম্পর্ক মেরামত ও শক্তিশালী করতে আগ্রহী। বিশেষজ্ঞদের মতে, কৌশলগত, অর্থনৈতিক এবং প্রতিরক্ষা সহযোগিতার দিক থেকে ভারত-আমেরিকা সম্পর্ক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, তাই এই সাক্ষাৎ সেই সম্পর্ককে নতুন মাত্রা দিতে পারে।

আরও পড়ুন:চাকরি ছেড়ে শুরু করেন ব্যবসা! ৪ মাসেই কোটি টাকার টার্নওভার, নজির গড়লেন ২৪ বছরের উজ্জ্বল
এদিকে ১৭ এপ্রিল ট্রাম্প প্রকাশ্যে মোদিকে ‘বন্ধু’ বলে উল্লেখ করেন এবং তাঁদের মধ্যে হওয়া সাম্প্রতিক আলোচনাকে ইতিবাচক বলে বর্ণনা করেন। জানা গিয়েছে, ফোনালাপে দুই নেতা পশ্চিম এশিয়ার পরিস্থিতি, আঞ্চলিক নিরাপত্তা এবং সামুদ্রিক নিরাপত্তা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেছেন। এই প্রেক্ষাপটে জুন মাসের সম্ভাব্য সাক্ষাৎ শুধু দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক নয়, আন্তর্জাতিক কূটনীতিতেও গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে (India-America)।

















