বাংলা হান্ট ডেস্ক: ছুটি পেলেই পাহাড় কিংবা সমুদ্রে কয়েকদিনের জন্য ঘুরতে চলে যান অনেকেই। । এবার আপনি যদি এই শহরের কোলাহল ছেড়ে প্রাকৃতিক পরিবেশ উপভোগ করতে চান তাহলে অবশ্যই ঘুরে আসুন ডুয়ার্সের এই স্বল্প পরিচিত গ্রাম বুড়ি খোলা থেকে থেকে। এখানে আসলে আপনি প্রাণভরে প্রাকৃতিক পরিবেশ উপভোগ করতে পারবেন।
প্রকৃতিপ্রেমীদের জন্য পারফেক্ট ডুয়ার্সের এই জায়গা (Travel)
ডুয়ার্সের শান্ত, ছিমছাম এই জায়গাটি অপরূপ সৌন্দর্যের অধিকারী। যেদিকেই তাকাবেন সেদিকেই বড় বড় মাঠ, গাছপালা। চোখ জুড়িয়ে যেতে বাধ্য আপনার। আর এই সৌন্দর্য দেখতে দেখতে আপনি পৌঁছে যাবেন বুড়ি খোলার হোমস্টে-তে। হোমস্টের সামনে দিয়েই বয়ে চলেছে পাহাড়ি নদী। আর এই জায়গাটি হল বুড়ি খোলা (Travel)।

আরও পড়ুন: হোটেলের মতো ঝরঝরে ভাত বানাতে চাইলে রান্নার সময়ে ভুলেও করবেন না এই কাজগুলি
এখানে আসলে আপনি দেখতে পাবেন হাতির পাল চলেছে। পাশাপাশি নদীর ওপারেই শাকামের জঙ্গল। হাতিদের আস্তানা সেখানেই। তবে এখানে রয়েছে একটি মাত্র হোমস্টে। বুড়িখোলায় থাকতে হলে আগের থেকে বলে আসা ভাল। ডামডিম হয়ে জঙ্গলপথে নিজেরা গাড়ি নিয়ে আসতে গেলে হোম স্টের লোককে সঙ্গে রাখা ভাল। জঙ্গলপথের সঙ্গে তাঁদের পরিচিতি বেশি।
এমনকি, এ পথে খেলে বেড়ায় ময়ূরের দল। গান গায় পাখিরা। হাতছানি দেয় পাহাড়, তিরতির করে বয়ে চলে নদী। ডুয়ার্সের গহীনে বয়ে চলেছে বুড়ি নদী, সেখানেই রয়েছে বুড়িখোলা নামের জায়গাটি। বর্ষায় বুড়িখোলা ঘন সবুজ। তবে বর্ষার শেষে গেলে প্রবেশ করা যায় ঘন জঙ্গলে। বুড়িখোলার সৌন্দর্য অবশ্য শুরু হয়ে যায় মালবাজার পার করে গরুবাথানের দিকে খানিক এগোলেই। মসৃণ পিচের রাস্তার দু’পাশে সবুজের আহ্বান। ডামডিম-গরুবাথানের রাস্তা ধরে এগোলেই হাতছানি দেয় পাহাড়। তবে গন্তব্যে পৌঁছতে গেলে বেঁকে যেতে হবে গরুবাথান ঢোকার আগেই ডান হাতে।
বর্ষাকালে এখানে এলে ডুয়ার্সের শ্যামলিমা উপভোগ করলেও, জঙ্গল সাফারি করতে পারবেন না। কারণ, এই সময় জঙ্গল পর্যটকদের জন্য বন্ধ থাকে। তবে ১৫ সেপ্টম্বরের পর থেকে জঙ্গল খুলে যায়। তার পরে এলে শাকামের জঙ্গলও গাড়ি নিয়ে ঘোরা যাবে। এমনকি হাতে দুদিন সময় থাকলে, বুড়িখোলার সৌন্দর্য উপভোগ করে ঘুরতে যেতে পারেন লাভা ও কালিম্পংয়ের কোনো গ্রামে (Travel)।













