সরকারি স্কুলের শিক্ষকদের জন্য কড়া নির্দেশিকা রাজ্যের, না মানলেই ডিসিপ্লিনারি অ্যাকশন!

Published on:

Published on:

teachers(16)
Follow

বাংলা হান্ট ডেস্কঃ স্কুল শিক্ষকদের (Teachers) জন্য জারি হল কড়া গাইডলাইন। স্কুলে পড়ুয়াদের পড়াশোনার বেশি শিক্ষকরা কোচিং সেন্টার, প্রাইভেট টিউশন নিয়েই ব্যস্ত। সেই নিয়েই এবার কড়া নির্দেশ সরকারি স্কুলের শিক্ষক-শিক্ষিকাদের জন্য। সরকারের নির্দেশ, আলাদাভাবে কোনও টিউশন ক্লাস, কোচিং সেন্টার বা বাণিজ্যিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পড়াতে পারবেন না সরকারি স্কুলের শিক্ষকেরা। (Private Tuition Ban)। পাশাপাশি আদেশ অমান্য করলে কড়া পদক্ষেপ করা হবে বলেও হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে। ডিসিপ্লিনারি অ্যাকশন নেওয়ার কথা বলা হয়েছে।

স্কুল শিক্ষকদের জন্য কড়া নির্দেশ | Teachers

ঘটনাস্থল বিহার। সম্প্রতি সে রাজ্যের সরকার (Bihar Government) স্কুল শিক্ষকদের জন্য এই নির্দেশিকা জারি করেছে। যেখানে বলা হয়েছে, সরকারি স্কুল শিক্ষক-শিক্ষিকাদের আর্থিক লাভের জন্য কোথাও বেসরকারিভাবে পড়ানো যাবে না। যাতে শিক্ষকরা সরকারি স্কুলগুলিতে পড়ুয়াদের ওপর নজর ও পড়াশোনার মানোন্নয়নে জোর দেন তা নিশ্চিত করতেই এই নির্দেশ বলে জানানো হয়েছে।

সরকারি স্কুলগুলি যাতে সরকারের দেওয়া নির্দেশ পালন করে এই নিয়ে জেলা শিক্ষা দফতরকে নির্দেশ দেওয়া, তারা যেন সেই বিষয় নিশ্চিত করেন। কোনও শিক্ষক কোচিং সেন্টারের সঙ্গে যুক্ত কি না বা প্রাইভেট টিউশন পড়াচ্ছেন কি না, তার উপরও নজর রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

উল্লেখ্য, সম্প্রতি এ রাজ্যেও সরকারি স্কুলের শিক্ষকদের প্রাইভেট টিউশনির প্রবণতা ঠেকাতে জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের (এনএইচআরসি) নোটিসের প্রেক্ষিতে কড়া পদক্ষেপ নিয়েছে স্কুলশিক্ষা দপ্তরের। স্কুলে কর্মরত শিক্ষকরা কোনও ভাবেই প্রাইভেট টিউশন দিতে পারবেন না বলে স্পষ্ট জানিয়ে দেয় স্কুলশিক্ষা দপ্তর।

Teachers(11)

আরও পড়ুন: সব রোগের চিকিৎসা নয়, কোন কোন ক্ষেত্রে মিলবে আয়ুষ্মান কার্ডের সুবিধা? জেনে নিন

নিয়ম ভেঙে কোনও শিক্ষকের বিরুদ্ধে গৃহশিক্ষকতার অভিযোগ উঠলে খতিয়ে দেখে দ্রুত পদক্ষেপ নিতে হবে বলো জানানো হয়। স্কুলের প্রধান শিক্ষক–শিক্ষিকাদের সেই সংক্রান্ত নির্দেশিকাও দেওয়া হয়। উল্লেখ্য, ‘শিক্ষার অধিকার আইন ২০০৯’–এ স্কুল–টিচারদের গৃহশিক্ষকতায় নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। অভিযোগ, সরকারি নির্দেশিকাকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে সরকারি স্কুলের শিক্ষক-শিক্ষিকারা প্রাইভেট টিউশনি করিয়ে যাচ্ছেন দিনের পর দিন।