বাংলা হান্ট ডেস্ক : বর্ষা নামতেই বাঙালির পাতে প্রিয় ইলিশের(Hilsa) দেখা মিলতে শুরু করেছে। মরশুমের শুরুতেই ইলিশ নিয়ে সুখবর।
সমুদ্রে মাছ ধরতে যাওয়া ট্রলারগুলির জালে বিপুল পরিমাণ ইলিশ উঠছে। রাজ্যের বিভিন্ন বাজারে দ্রুত বাড়ছে ইলিশ সরবরাহ। ইতিমধ্যেই ১০০ টন ইলিশ বাজারে পৌঁছে গেছে।
১০০ টনেরও বেশি ইলিশ (Hilsa) ঢুকল বাজারে
সপ্তাহের শেষে দক্ষিণ ২৪ পরগনার বিভিন্ন মৎস্যকেন্দ্র থেকে প্রচুর ইলিশ এসে জমা হয়েছে ডায়মন্ড হারবারের নগেন্দ্রবাজারে। এই বাজার থেকেই কলকাতা-সহ রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় মাছ পৌঁছে যায়। মরশুমের শুরুতেই এত বিপুল পরিমাণ ইলিশ বাজারে প্রবেশ করায় পাইকারি ও খুচরো ব্যবসায়ীদের মধ্যেও খুশির আবহাওয়া।
কাকদ্বীপ, নামখানা, ফ্রেজারগঞ্জ, রায়দিঘি, পাথরপ্রতিমা এবং সীতারামপুরের মতো উপকূলীয় এলাকা থেকে গত কয়েক দিনে টন টন ইলিশ সংগ্রহ করা হয়েছে। সেই মাছের বড় অংশ ডায়মন্ড হারবার হয়ে বিভিন্ন বাজারে পৌঁছচ্ছে। ফলে বর্ষার শুরুতেই ইলিশ চাহিদা মিটবে বলে মনে করছেন ব্যবসায়ীরা।
মৎস্যজীবী সংগঠনগুলির দাবি, চলতি মরশুমের শুরুটা গত কয়েক বছরের তুলনায় অনেকটাই ভালো। প্রাথমিক হিসাব বলছে, ইতিমধ্যেই ১০০ টনেরও বেশি ইলিশ রাজ্যের বাজারে প্রবেশ করেছে। রসনা তৃপ্তিতে ইলিশের জুড়ি মেলা ভার, তাই ভালো মানের মাছ পাওয়ার আশায় অনেকেই বাজারমুখী হচ্ছেন। মৎস্যজীবীদের মতে, সমুদ্রে অনুকূল আবহাওয়া এবং পরিবেশগত পরিস্থিতির কারণেই এবার শুরু থেকেই ভালো ফলন মিলছে। বিশেষ করে বড় আকারের ইলিশ ধরা পড়ায় আগামী দিনগুলিতে আরও বেশি মাছ ওঠার সম্ভাবনা দেখছেন তাঁরা।

আরও পড়ুন :ইলিশ থেকে চিংড়ি, সরষে বাটার সময় এই কৌশল জানলে আর কখনও তেঁতো হবে না রান্না
ব্যবসায়ীদের একাংশের মতে, এখনও ইলিশ মরশুমের মূল সময় শুরু হয়নি। তার আগেই যদি এত মাছ বাজারে আসে, তাহলে আগামী কয়েক সপ্তাহে জোগান আরও বাড়তে পারে। অনেকেই মনে করছেন, পরবর্তী দফাগুলিতে বাজারে ইলিশের উপস্থিতি উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি থাকবে। সরবরাহ বৃদ্ধি পেলে স্বাভাবিকভাবেই দাম কমবে। যদিও বড় সাইজের ইলিশের মূল্য এখনও বেশ চড়া, তবে মাঝারি আকারের মাছের দাম ধীরে ধীরে সাধারণ মানুষের নাগালের মধ্যে আসতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে। আগামী দিনে ইলিশের এমন জোগান থাকলে বাজারেও স্বস্তি মিলবে মনে করছেন ব্যবসায়ীরা।













