বাংলা হান্ট ডেস্কঃ জুনের পরে জুলাই মাসে অন্নপূর্ণা যোজনার (Annapurna Yojana) দ্বিতীয় কিস্তির টাকা ঢুকে গিয়েছে রাজ্যের একটা অংশের মহিলার অ্যাকাউন্টে। মাসের শুরুতেই মিলেছে কড়কড়ে ৩০০০ টাকা। যাঁদের অ্যাকাউন্টে টাকা ঢুকেছে সেই সকল মহিলারা বেজায় খুশি। তবে অনেকের অ্যাকাউন্টেই ঢোকেনি কোনো টাকাই ঢোকেনি। যোগ্য হয়েও অনেকেই অন্নপূর্ণার টাকা পাননি বলে অভিযোগ।
অন্নপূর্ণা যোজনা নিয়ে আশ্বাস মন্ত্রীর | Annapurna Yojana
ফর্ম পূরণ করে জমা দেওয়ার পরেও অন্নপূর্ণা যোজনার টাকা ঢোকেনি অনেক মহিলার। যা নিয়ে ক্ষোভে ফেঁটে পড়ছেন মহিলারা। জেলায় জেলায় চলছে বিক্ষোভও। একই ফর্ম ফিল-আপ করে কেন কেউ পেলেন, আবার কেউ টাকা পেলেন না? কীভাবে এর কারণ জানা যাবে?
এই বিষয়ে এবার আবেদনকারীদের উদ্দেশে রাজ্যের মন্ত্রী মালতি রাভা রায় বললেন, যে মহিলাদের অন্নপূর্ণা যোজনার আবেদন বাতিল হয়েছে, তাঁদের প্রত্যেকের বাড়ি বাড়ি গিয়ে সমীক্ষা করা হবে। মন্ত্রী আরও বলেন, ‘এত বড় একটা কাজ। আমরা অনেক অল্প সময়ে এত মানুষকে পরিষেবা দিয়েছি। তার পরেও এসিডিও, বিডিও, জিপি-তে এগুলো তদন্ত করতে বলেছি, কী কারণে আবেদন রিজেক্ট হল, কেন রিজেক্ট হল সেটা দেখা হবে। এ নিয়ে মুখ্যসচিবের সঙ্গে আমাদের একটি বৈঠক হয়েছে।’
উল্লেখ্য, সম্প্রতি মালতী রাভা রায় আবেদনকারীদের উদ্দেশে বলেন, “সরকারের লক্ষ্য হল যাতে কোনও যোগ্য মহিলা শুধুমাত্র নথিগত ত্রুটির কারণে বঞ্চিত না হন। যাঁদের নথিতে কোনও ভুল রয়েছে, তাঁরা তা সংশোধন করে পুনরায় আবেদন করতে পারবেন। পাশাপাশি নতুন আবেদন গ্রহণের প্রক্রিয়াও চালু আছে। সুতরাং আবারও সবাই সুযোগ পাবেন।”
সম্প্রতি অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার নিয়ে কথা বলতে গিয়ে তিনি বলেন, যাঁরা প্রকল্পের সমস্ত যোগ্যতার শর্ত পূরণ করেছেন এই প্রকল্পের আর্থিক সুবিধা মূলত সেই সব মহিলারাই পাবেন। যাঁদের স্থায়ী বা নিয়মিত সরকারি চাকরি রয়েছে তারা এই টাকা পাবেন না।

আরও পড়ুন: ফুটপাতে হকার উচ্ছেদ নিয়ে বড় ঘোষণা শুভেন্দুর! দুর্গাপুজোর আগে কী সিদ্ধান্ত নিল রাজ্য?
এছাড়া যাঁদের সমস্ত নথিপত্র সঠিক রয়েছে এবং আবেদন যাচাইয়ে কোনো অসঙ্গতি ধরা পড়েনি, সেই সকল যোগ্য আবেদনকারীদের অ্যাকাউন্টেই প্রকল্পের অর্থ নিয়মিত দেওয়া হবে বলে জানান মন্ত্রী। তিনি আরও বলেন, এই প্রকল্পের নাম অন্নপূর্ণার নামে, যিনি অন্নের দেবী। এই প্রকল্প মহিলাদের নিঃশব্দ পরিশ্রমকে সম্মান জানায়।













