আচমকাই অ্যাকাউন্টে ঢুকল ২২০০ কোটি! কিভাবে? রাতারাতি বড়লোক হয়ে চিন্তায় ৩ মহিলা

Published on:

Published on:

People of North Bengal panicked after seeing Crores of Rupees in their Bank Accounts
Follow

বাংলা হান্ট ডেস্ক: ঠিক যেন সিনেমার গল্প। অন্নপূর্ণা ভান্ডারের টাকা তুলতে গিয়ে রাতারাতি কোটিপতি। অ্যাকাউন্ট ব্যালেন্স চেক করতে গিয়েই চোখ কপালে ওঠার জোগাড় হল উত্তরবঙ্গের তিন-তিনটি পরিবারের (North Bengal News)। ওই তিন পরিবারের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে সব মিলিয়ে প্রায় ২,২০০ কোটি টাকা পাওয়া গিয়েছে। আর সকল প্রাপকের বাড়িই উত্তরবঙ্গে বলে জানা যাচ্ছে।

অন্নপূর্ণা যোজনার টাকা চেক করতে গিয়ে কোটিপতি

ওই তিন পরিবারের মধ্যে দুটি ক্ষেত্রে দেখা গিয়েছে বাড়ির মহিলারা রাজ্য সরকারের জনকল্যাণমূলক প্রকল্প অন্নপূর্ণা ভান্ডারের টাকা ঢুকেছে কিনা তা জানার জন্য ব্যাঙ্ক ব্যালেন্স চেক করতে গিয়েছিলেন। তখনই তাঁরা দেখেন তাঁদের অ্যাকাউন্টে কোনো অজ্ঞাত কারণবশত কোটি কোটি টাকা জমা হয়েছে। তারপরেই গোটা বিষয়টি পুলিশের নজরে আসে।

শনিবার নিজের প্রয়োজনে সরকারি প্রকল্পের টাকা তুলতে ব্যাংকে গিয়েছিলেন শিলিগুড়ির ফাঁসিদেওয়া ব্লকের বিধাননগর কচুবাড়ির বাসিন্দা মেহেরউন্নিসা। ৩ হাজার টাকা তুলতে গিয়ে তিনি জানতে পারেন তাঁর অ্যাকাউন্টে নাকি ৭৪০ কোটি ৬৮ লক্ষ টাকা রয়েছে। টাকার অঙ্ক শুনেই রীতিমত চমকে ওঠেন তিনি।

আরও পড়ুনঃ ‘মানুষ চিনতে পারল না দিদি!’ ঋতব্রতর তৃণমূলে যোগ দিয়েই বিস্ফোরক অনুব্রত মন্ডল

তিন জনের অ্যাকাউন্টে ২২০০ কোটি!

অন্যদিকে একই ঘটনা ঘটে ময়নাগুড়ির সপ্তিবাড়ি-২ গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার অপর এক গৃহবধূ শেফালি রায়ের সাথেও। এদিন তাঁর অ্যাকাউন্ট থেকেও মোট ৭০০ কোটি টাকার হদিশ মেলে। আচমকা ওই গৃহবধূর অ্যাকাউন্টে এই বিপুল পরিমাণ টাকা দেখে তাঁর পরিবারের লোক স্থানীয় পুলিশের কাছে খবর দিয়ে দেয়।

এখানেই শেষ নয়, একইভাবে টাকা ঢুকেছে কোচবিহারের এক স্কুল ছাত্রীর ব্যাংক অ্যাকাউন্টেও। জানা যাচ্ছে, সপ্তম শ্রেণীর ছাত্রী সুপর্ণা রায় এদিন শিক্ষাশ্রী প্রকল্পের অধীনে পাওয়া তাঁর মায়ের সাথে তফসিলি জাতি ও তফসিলি উপজাতিভুক্ত শিক্ষার্থীদের জন্য শিক্ষাশ্রী প্রকল্পের অধীনে পাওয়া ৯০০ টাকা তুলতে একটি কাস্টমার সার্ভিস পয়েন্টে গিয়েছিলেন। তখনই বিষয়টি তাঁদের নজরে আসে।

আচমকা উত্তরবঙ্গের ওই পরিবার গুলির ব্যাংক অ্যাকাউন্টে কেন এই বিপুল পরিমাণ টাকা ঢুকল তার সঠিক কারণ এখনও জানা যায়নি। বিশেষজ্ঞদের অনুমান এটি সম্ভবত কোনো প্রযুক্তিগত ত্রুটি হতে পারে। তাই আপাতত সোমবার ব্যাংক খোলা অবধি অপেক্ষা করা ছাড়া উপায় নেই। তবে একইসাথে সাইবার অপরাধীদের নিয়ে একটা সন্দেহও কিন্তু থেকেই যাচ্ছে।