বারুইপুর কাণ্ডে তদন্তে নতুন মোড়! ফের বদলে গেল তদন্তকারী আধিকারিক

Published on:

Published on:

Investigating officer changed in Baruipur Incident
Follow

বাংলা হান্ট ডেস্ক : বারুইপুরে নাবালিকাকে গণধর্ষণ ও খুনের ঘটনায় (Baruipur Incident) তদন্তের গতি আরও বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিল জেলা পুলিশ। মাত্র এক সপ্তাহের ব্যবধানে ফের বদলে দেওয়া হল তদন্তকারী আধিকারিককে। এবার গোটা মামলার দায়িত্ব তুলে দেওয়া হয়েছে জেলা পুলিশের ডিএসপি ও ডিস্ট্রিক্ট এনফোর্সমেন্ট ব্রাঞ্চ (DEB)-এর আধিকারিক শান্তনু মুখোপাধ্যায়ের হাতে।

বারুইপুর কান্ডে (Baruipur Incident) তদন্তকারী অফিসার বদল

শনিবার বারুইপুর গিয়ে নির্যাতিতার পরিবারের সঙ্গে দেখা করেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। পরিবারের সদস্যদের পাশে থাকার আশ্বাস দেওয়ার পাশাপাশি তিনি সঠিক বিচারের আশ্বাসও দেন। এরপর গণপিটুনিতে নিহত ব্যক্তির বাড়িতে গিয়ে তাঁর পরিবারের হাতে ২৫ লক্ষ টাকার আর্থিক সহায়তা তুলে দেওয়ার ঘোষণা করেন এবং পরিবারের একজনকে সরকারি চাকরি দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন। সফরের শেষে পুলিশমন্ত্রী হিসেবে বারুইপুর পুলিশ ফাঁড়ির উদ্বোধন করেন তিনি।

তারপরই প্রশাসনিক বৈঠক করেন মুখ্যমন্ত্রী। এদিনের বৈঠকের পর বড় পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত সামনে আসে। এতদিন মামলাটি দেখভাল করছিলেন ভারপ্রাপ্ত আধিকারিক জয়ন্ত পোদ্দার। এবার বারুইপুর ঘটনায় তদন্তভার দেওয়া হয়েছে শান্তনু মুখোপাধ্যায়ের হাতে। ফলে, নাবালিকার মৃত্যুর ঘটনায় সাত দিনের মধ্যে দ্বিতীয়বার বদল হল তদন্তকারী অফিসার। প্রসঙ্গত, নাবালিকা নিখোঁজ হওয়ার পর পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে প্রথম তদন্ত শুরু করেন দিগন্ত মণ্ডল।

পরে ধর্ষণ ও খুনের অভিযোগ সামনে আসার পর তদন্তভার দেওয়া হয় জয়ন্ত পোদ্দারকে। এবার সেই দায়িত্বও অন্য আধিকারিকের হাতে তুলে দেওয়া হল। পুলিশ সূত্রের দাবি, তদন্তকে আরও দ্রুত এবং কার্যকরভাবে এগিয়ে নিয়ে যেতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে, বারুইপুরে সূর্যপুরের গণপিটুনিতে মৃত্যুর ঘটনাতেও তদন্তে অগ্রগতি হয়েছে। শনিবার আরও দু’জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। উল্লেখ্য, নাবালিকার দেহ উদ্ধারের দিনই অভিযুক্ত সন্দেহে এক ব্যক্তিকে গণপিটুনিতে মারা যায়।

Investigating officer changed in Baruipur Incident

আরও পড়ুন : ‘মাদ্রাসা নিয়ে ভাবনাচিন্তা করছে সরকার’! ১২ জেলায় শুরু ইনস্পেকশন, জারি নির্দেশিকা

অন্যদিকে, নাবালিকাকে গণধর্ষণ ও খুনের মামলায় ধৃত এক অভিযুক্ত ইতিমধ্যেই পুলিশের এনকাউন্টারে নিহত হয়েছে। দুই মামলার তদন্তই এখন সমান্তরালভাবে এগোচ্ছে। একদিকে নাবালিকা গণধর্ষণ ও খুনের ঘটনায় নতুন তদন্তকারী আধিকারিককে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে, অন্যদিকে গণপিটুনির মামলায়ও অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।