বাংলা হান্ট ডেস্কঃ রাজ্যে বিজেপি ক্ষমতায় আসার পর কলকাতার একটি বড় অংশের স্কুলগুলির মিড ডে মিলের (Mid Day Meal) দায়িত্ব ইসকনের (ISKCON) হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। সম্প্রতি জানা গিয়েছে, আরও বেশ কিছু জেলার বিদ্যালয়ে মিড ডে মিল বা পিএম পোষণ প্রকল্পের খাবার পৌঁছে দেওয়ার দায়িত্ব পেতে চলেছে অক্ষয় পাত্র ফাউন্ডেশন। এই সংস্থাটিও ইসকনের। এবার সংশ্লিষ্ট সংস্থার তরফে মিড ডে মিলের প্রস্তাবিত রূপরেখা প্রকাশ করা হল।
মিড ডে মিলের সাপ্তাহিক মেনুতে কী কী? | (Mid Day Meal)
অক্ষয় পাত্র ফাউন্ডেশনের বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ছাত্রছাত্রীদের পুষ্টিকর খাবার ও সামগ্রিক কল্যাণে তাঁরা দায়বদ্ধ। সেই জন্য খাবার প্রস্তুতি থেকে সরবরাহ, সব দিকে কড়া নজর রাখা হচ্ছে। মিড ডে মিলে খাবারের গুণমান যাতে বজায় থাকে, সেই জন্য প্রশিক্ষিত কর্মী নিয়োগ করা হবে বলে জানানো হয়েছে। দরকার পড়লে রাজ্যের নানা স্কুল ও অন্যান্য পক্ষের সঙ্গে আলোচনায় বসতে রাজি ওই সংস্থা।
আরও পড়ুনঃ দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স! প্রমাণ পেলেই অ্যাকশন, নেতা-কর্মীদের ফের হুঁশিয়ারি শমীকের
অক্ষয় পাত্র ফাউন্ডেশনের রূপরেখায় পড়ুয়াদের সাপ্তাহিক প্রাতরাশ ও মধ্যাহ্নভোজের মেনু প্রকাশ করা হয়েছে। যদিও এই তালিকা চূড়ান্ত নয় ও আলোচনাসাপেক্ষ, সেটাও জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ছাত্রছাত্রীদের পড়াশোনায় মনোনিবেশের জন্য সকালের খাবার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। পাশাপাশি বছরের কোন ঋতুতে কোন কোন শাকসবজি পাওয়া যাবে, সেটার উপর ভিত্তি করে মধ্যাহ্নভোজে তরকারি যুক্ত করা হবে।
পড়ুয়াদের প্রস্তাবিত ব্রেকফাস্ট মেনুতে সোমবার চিঁড়ের পোলাও, চাটনি দেওয়া হবে। মঙ্গলবার মুড়ি-ঘুগনি, বুধবার ঝাল সুজি ও চাটনি, বৃহস্পতিবার খিচুড়ি বা চিঁড়ের পোলাও ও পিঠে, শুক্রবার মুড়ি ও লাবড়া এবং শনিবার ইডলি, সাম্বার বা মশলা চাটনি দেওয়া হবে।
অন্যদিকে প্রস্তাবিত লাঞ্চ মেনুতে সোমবার ভাত, ডাল, মটর পনির বা ছোলা দিয়ে আলু বা ছানা দিয়ে আলুর তরকারি, মঙ্গলবার ভাত, পাঁচমিশালি তরকারি বা সয়াবিন কারি ও দই, বুধবার ভেজিটেবিল খিচুড়ি, ক্ষীর বা দই বা কেক বা লাড্ডু বা কুকি, বৃহস্পতিবার ভাত, পাঁচমিশালি তরকারি বা সয়াবিন কারি, শুক্রবার ভাত, ভেজিটেবিল ডাল, দই এবং শনিবার ভাত, ডাল, পাঁচমিশালি সবজির তরকারি, সয়াবিন কারি দেওয়া হবে।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, রাজ্য সরকারের তরফে যেহেতু জানানো হয়েছে পড়ুয়াদের ডিম বা অন্যান্য খাদ্যসামগ্রী দেওয়া হবে, সেই কারণে ওই অনুযায়ী মিড ডে মিলের মেনুতে প্রয়োজনীয় পরিবর্তন করা হবে।
এদিকে কলকাতার একটি বড় অংশের স্কুলের মিড ডে মিলের দায়িত্ব ইসকনের হাতে তুলে দেওয়ার পরেই জানানো হয়েছিল, এই ব্যবস্থা সফল হলে রাজ্যের আরও জেলায় তা সম্প্রসারিত করা হতে পারে। এবার সেই পথেই হাঁটছে সরকার। এই আবহে মিড ডে মিলের সাপ্তাহিক প্রস্তাবিত মেনু তালিকা প্রকাশ করল ইসকনের অক্ষয় পাত্র ফাউন্ডেশন।













