টাকা রাখলেই ডাবল! পোস্ট অফিসের এই স্কিমে মিলবে দ্বিগুণ রিটার্ন, হিসাব জানুন

Published on:

Published on:

Follow

বাংলা হান্ট ডেস্কঃ অল্প টাকা বিনিয়োগ করে দ্বিগুণ রিটার্ন চান? তাহলে আপনার জন্য একটি ভাল বিকল্প হতে পারে পোস্ট অফিসের কিষাণ বিকাশ পত্র (Kisan Vikas Patra) তথা কেভিপি স্কিম (Post Office KVP Scheme)। নিরাপদ, ঝুঁকিহীন এই প্রকল্পে টাকা জমিয়ে দ্বিগুণ রিটার্ন পাওয়ার সুযোগ রয়েছে।

পোস্ট অফিস কেভিপি স্কিমের হিসাব | (Post Office KVP Scheme)

পোস্ট অফিসের কিষাণ বিকাশ পত্র অনেকের কাছে মানি ডাবল স্কিম নামে পরিচিত। কারণ এই প্রকল্প মাত্র ১১৫ মাসে টাকা দ্বিগুণ হওয়ার গ্যারান্টি দেয়। এছাড়া এই স্কিমের আরও নানাবিধ সুবিধা রয়েছে। সেই কারণে যারা নিরাপদ বিনিয়োগ ও ভাল রিটার্ন খুঁজছেন, তাঁদের জন্য এটি একটি ভাল বিকল্প হতে পারে।

আরও পড়ুনঃ SIR ট্রাইব্যুনালে আবেদনকারীরা অন্নপূর্ণা যোজনা পাবেন? সরকারি নিয়ম কী বলছে জানুন

পোস্ট অফিস কেভিপি স্কিমে বর্তমানে বার্ষিক ৭.৫০% হারে সুদ দেওয়া হচ্ছে। মেয়াদ ৯ বছর ৭ মাস তথা ১১৫ মাস। এই স্কিমের সবচেয়ে বড় সুবিধা হল, এখানে নূন্যতম ১ হাজার টাকা দিয়ে অ্যাকাউন্ট খুলে বিনিয়োগ করা যায়। বিনিয়োগের কোনও ঊর্ধ্বসীমা নেই। অর্থাৎ বিনিয়োগকারী নিজের ইচ্ছামতো বিনিয়োগ করতে পারেন এবং সেই টাকার উপর ভিত্তি করে মোটা টাকা রিটার্ন পেতে পারেন।

এছাড়া পোস্ট অফিসের এই স্কিমের অধীন যে কেউ যত ইচ্ছা কেভিপি অ্যাকাউন্ট খুলতে পারেন। এক্ষেত্রেও কোনও সীমা নির্ধারিত নেই। ১০ বছরের বেশি বয়সী কোনও শিশুর নামেও কেভিপি অ্যাকাউন্ট খোলা যায়। এই স্কিমে সিঙ্গেল ও জয়েন্ট দুই ধরণের অ্যাকাউন্ট খোলার সুবিধা রয়েছে।

পোস্ট অফিস কেভিপি স্কিমে কীভাবে টাকা দ্বিগুণ হয় সেটাও বুঝে নেওয়া যাক। ধরা যাক, কোনও বিনিয়োগকারী এই প্রকল্পে ৫ লক্ষ টাকা বিনিয়োগ করেছেন। এই টাকার উপর বার্ষিক ৭.৫% হারে সুদ দেবে সরকার। সেক্ষেত্রে প্রথম বছর শেষে সুদের পরিমাণ দাঁড়াবে ৩৭,৫০০ টাকা। এই সুদের টাকা মূলধনের সঙ্গে যুক্ত হয়ে পরের বছরের জন্য মোট ৫,৩৭,৫০০ টাকা হবে।

Post Office KVP scheme

পরের বছর এই টাকার উপর সুদ পাওয়া যাবে ৪০,৩১২ টাকা। এরপর সেটাও মূলধনের সঙ্গে যুক্ত হয়ে তৃতীয় বছরের জন্য হবে ৫,৭৭,৮১২ টাকা। এভাবে ১১৫ মাস শেষে ১০ লক্ষ টাকা হবে। অর্থাৎ বিনিয়োগের দ্বিগুণ।

পোস্ট অফিস কেভিপি স্কিমে ৫ লক্ষ টাকা রাখলেই দ্বিগুণ রিটার্ন পাওয়া যাবে এমনটা কিন্তু নয়। কেউ চাইলে ৬ লক্ষ, ৭ লক্ষ টাকাও রাখতে পারেন। সেক্ষেত্রে ম্যাচিউরিটির পর যথাক্রমে ১২ লক্ষ ও ১৪ লক্ষ টাকা রিটার্ন পাওয়া যাবে।