‘রিপোর্ট এলেই পদক্ষেপ..,’ সরকারি কর্মীদের সপ্তম পে কমিশন নিয়ে বড় ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর

Published on:

Published on:

7th Pay Commission(20)
Follow

বাংলাহান্ট ডেস্ক: পূর্বে দেওয়া প্রতিশ্রুতি মতোই রাজ্যে সপ্তম পে কমিশনের (7th Pay Commission) ঘোষণা করে দিয়েছে রাজ্য সরকার। নতুন বেতন কমিশন কার্যকর করার লক্ষ্যে একাধিক পদক্ষেপও নিতে শুরু করে দিয়েছে সরকার। আগামী বছরের শুরুর মধ্যে নয়া কমিশন কার্যকর করার লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়েছে। বর্তমানে এই নিয়ে সরকারি কর্মচারীদের মধ্যে উৎসাহ তুঙ্গে। এরই মধ্যে নয়া পে কমিশন নিয়ে বড় বার্তা দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)।

ইতিমধ্যেই কমিশনের কাছে নিজেদের দাবি, বক্তব্য, মতামত এবং বিভিন্ন প্রস্তাব জানানোর জন্য বিজ্ঞপ্তি দিয়ে সরকারি ওয়েবসাইট চালু করার কথা জানিয়েছে রাজ্য। ওয়েবসাইটের মাধ্যমে মেমোরান্ডাম ও সাজেশন জমা দেওয়ার মডিউল কার্যকর হয়েছে। আগামী ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইটে সংগঠন, সংস্থা, দফতর থেকে শুরু করে কর্মী বা অবসরপ্রাপ্ত কর্মীরাও নিজেদের মতামত জানাতে পারবেন।

নয়া পে কমিশন নিয়ে বড় আশ্বাস মুখ্যমন্ত্রীর | 7th Pay Commission

ওয়েবসাইটে নির্দিষ্ট মডিউলের মাধ্যমে বেতন, ভাতা, পদোন্নতি, অবসরকালীন সুবিধা ইত্যাদি বিষয়ে তাদের মতামত জমা দেওয়ার সুযোগ থাকবে সরকারি কর্মচারী ও পেনশনভোগীদের কাছে। জোর কদমে নয়া পে কমিশনের কাজ চলায় স্বাভাবিকভাবে খুশি সরকারি কর্মচারীদের একটা বড় অংশও। গত ৫ তারিখ শিক্ষক দিবসের অনুষ্ঠান থেকে সপ্তম পে কমিশন নিয়ে ফের আশ্বাস দেন মুখ্যমন্ত্রী।

নয়া পে কমিশন নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা সপ্তম পে কমিশন তৈরি করে দিয়েছি। রিপোর্ট এলেই তা কার্যকর করার লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে। কারণ, অর্থনৈতিক সুরক্ষাও একটা বিষয়। দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির যুগে অর্থনৈতিক সুরক্ষাটাও গুরুত্বপূর্ণ।’

আরও পড়ুন: অন্নপূর্ণা দিবসে ১০ হাজারের জমায়েত, থাকছে বিশেষ ব্যবস্থা, পুলিশ কমিশনারের কাছে চিঠি

উল্লেখ্য রাজ্যে বর্তমানে চালু ষষ্ঠ পে কমিশন বা রোপা ২০১৯-এর মেয়াদ শেষ হয়েছে ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫। হিসেব মত ১ জানুয়ারি ২০২৬ থেকেই সপ্তম পে কমিশনের সুপারিশ কার্যকর হওয়ার কথা। বাঁধাধরা নিয়ম না থাকলেও কেন্দ্র ও রাজ্যে সাধারণত দশ বছর অন্তর পে কমিশন গঠন করা হয়।

7th pay Commission(10)

যে কোনো পে কমিশনের ক্ষেত্রে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য দিকটি হল ‘ফিটমেন্ট ফ্যাক্টর’। মনে করা হচ্ছে নতুন বেতন কমিশনে কেন্দ্রীয় সরকারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে ফিটমেন্ট ফ্যাক্টর নির্ধারণ করা হবে। এছাড়া মূল বেতনের সাথে বাড়ি ভাড়া ভাতা (HRA) এবং মহার্ঘ ভাতা অর্থাৎ ডিএ-র (DA) পরিমাণও লাফিয়ে বাড়বে নয়া পে কমিশন এলে।