২৯ শেও অভিষেকের জেতার চান্স জিরো! মাথা ন্যাড়া করে ঘোরার চ্যালেঞ্জ ঋজুর

Published on:

Published on:

Ex TMC Spokesperson Riju Dutta says Abhishek Banerjee will not be sucessfull in 2029
Follow

বাংলা হান্ট ডেস্কঃ ভোট কুশলী থেকে সোজা একেবারে রাজনীতির ময়দানে। প্রশান্ত কিশোরের (Prasant Kishor) রাজনৈতিক উত্থান দেখে আচমকাই নজরকাড়া উচ্ছাস চোখে পড়ছে রাজ্যের বিরোধী শিবিরে। এপ্রসঙ্গে এবার ক্ষোভ উগরে দিলেন, তৃণমূলের প্রাক্তন মুখপাত্র ঋজু দত্ত (Ex TMC Spokesperson Riju Dutta)। তাঁর কথায়, ‘প্রশান্ত কিশোর জনসুরাজ পার্টির (Jan Suraj Party) প্রতিষ্ঠাতা। বাঁকেপুরের মত একটা সিটে যেখানে ১৯৯৫ সাল থেকে বিজেপি জিতে এসেছে। বিজেপির যে কেন্দ্রীয় সভাপতি অর্থাৎ নীতিন নবিনের সিট ওটা। নীতিন নবীন ওখান থেকে পাঁচবর জিতেছেন, অর্থ্যাৎ পঁচিশ বারের বিধায়ক উনি। এটা তো রাজনীতি। তো কোনো না কোনোদন কেউ তো জিতবেন। প্রশান্ত কিশোর জিতেছেন।

তৃণমূলের যুবরাজ অভিষেককে (Abhishek Banerjee) নিশানা করে প্রশান্ত কিশোরের আরও বললেন, ‘জনসুরাজের সাথে তো তৃণমূল বা কংগ্রেসের কোনো সম্পর্ক নেই বা জোটও নেই। আর এই প্রশান্ত কিশোরকে এই যুবরাজ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় একটা মিডিয়া ইন্টারভিউতে বলেছিল ‘ওভাররেটেড’। তিনি ডিম খাওয়ার পর, বাড়ি থেকে বেরোচ্ছেন না। যদি ২০২৯-এ ডায়মন্ড হারবার যেতে আমি মাথা ন্যাড়া করে ঘুরবো। জেতার কোন চান্স নেই। আর তিনি এবং তার কর্মীরা লাফাচ্ছেন প্রশান্ত কিশোরের জয় দেখে। ‘

ঋজুর দাবী, ‘প্রশান্ত কিশোর যতদিন তৃণমূলের সাথে ছিল আইপ্যাকে ছিল ততদিন তৃণমূল জিতেছে । ১৯- ২১, একুশের পরে প্রসাদ কিশোর চলে গেছে অভিষেক ব্যানার্জি নতুন একজনকে আমদানি করেছিলেন। তারা দায়িত্ব নিয়ে দলটাকে বিক্রি করেছে, টিকিট বিক্রি করেছে, পঞ্চায়েত বিক্রি করেছে, জেলা পরিষদের টিকিট বিক্রি করেছে, ডক সভাপতি করতে টাকা নিয়েছে, বিধানসভার টিকিট বিক্রি করেছে, আমার থেকে ৫০ লাখ টাকা চেয়েছিল। এরা এই দালালি করে করেই দলটাকে শেষ করে দিয়েছে।’

আরও পড়ুনঃ ‘চেয়ার নয়, মানুষের কেয়ার করি’, লাইভ দ্বিগুণভাবে ঘুরে দাঁড়ানোর বার্তা মমতার

সদ্য রাজনীতিতে আসা প্রশান্ত কিশোরের প্রশংসা করে তিনি আরও বললেন, ‘প্রশান্ত কিশোর যতদিন ছিল তৃণমূল জিতেছে । প্রশান্ত কিশোরই তো শ্লোগানটা দিয়েছিল, ‘বাংলা আবার নিজের মেয়েকে চায়।’ দিদি জিতেছিল ২০২১- এ। আমিও ওই মিটিং-এ ছিলাম। প্রশান্ত কিশোরের মধ্যে তো ট্যালেন্ট আছে, যাদের মধ্যে ট্যালেন্ট নেই দেখুন না তাদের এখন কি অবস্থা!’

অন্যদিকে মমতা ব্যানার্জির প্রশংসা করে ঋজুর প্রশ্ন, ‘মমতা ব্যানার্জি বিরাট বড় রাজনীতিবিদ। উনি আজকে হেরে গেছেন। বাস্তব কথা। কিন্তু মমতা ব্যানার্জির ইতিহাস তো কেউ মুছে ফেলতে পারবে না। মমতা ব্যানার্জির যতদিন দাঁড়িয়ে আছেন, ততদিন অস্তিত্ব আছে । কিন্তু ওই তৃণমূলের ওই কথাটাই আবার আবার পুনরাবৃত্তি করছি। একটাই পোস্ট বাকি সব ল্যাম্প পোস্ট। মমতা ব্যানার্জিকে মাইনাস করে দিন তো বাকি ল্যাম্প পোস্ট গুলোর কী ভ্যালু আছে?’