বাংলা হান্ট ডেস্ক : এককালীন টাকা রেখেই মোটা অঙ্ক লাভ। ব্যাঙ্কে নয় এবার পোস্ট অফিসের এই ডিপোজিটে (Post Office) টাকা জমান। মেয়াদ যত বাড়বে, সুদের হারও ততটা বাড়ে। ফলে নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা কয়েক বছরের ব্যবধানে কতটা বেড়ে যেতে পারে, তা নির্ভর করছে আপনি কতদিনের জন্য আমানতটি রাখছেন তার উপর।
পোস্ট অফিসের এই ডিপোজিটের (Post Office) সুবিধা জেনে নিন
পোস্ট অফিসের এই সঞ্চয় ব্যবস্থাকে, ব্যাঙ্কের ফিক্সড ডিপোজিটের বিকল্প হিসেবে দেখা হয়। এককালীন অর্থ জমা রেখে নির্দিষ্ট মেয়াদ পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হয় এবং নির্বাচিত সময়সীমা অনুযায়ী সুদ প্রযোজ্য হয়। বিশেষ করে যাঁরা শেয়ার বাজারের সঙ্গে যুক্ত হতে চান না, তাঁদের কাছে টাইম ডিপোজিট একটি বিবেচ্য বিকল্প হতে পারে। অব্যবহৃত টাকা দীর্ঘ সময়ের জন্য সরিয়ে রাখার পরিকল্পনা থাকলে এটি ভালো সুযোগ।
ধরা যাক, ৭ লক্ষ টাকা জমা রাখা হল। এক বছরের মেয়াদ বেছে নিলে ৬.৯ শতাংশ সুদ অনুযায়ী ম্যাচিউরিটির সময় মোট অর্থ দাঁড়াবে ৭,৪৯,৫৬৪ টাকা। অর্থাৎ অতিরিক্ত ৪৯,৫৬৪ টাকা লাভ হবে।দুই বছরের জন্য টাইম ডিপোজিট করলে হিসাবও বদলে যাবে। ৭ শতাংশ সুদের হারে সেই ৭ লক্ষ টাকা পরিণত হবে ৮,০০,৬০২ টাকায়। এই ক্ষেত্রে সুদ থেকে পাওয়া অর্থের পরিমাণ ১,০০,৬০২ টাকা।
তিন বছরের জন্য টাকা রেখে দিলে সুদের হার বর্তমানে ৭.১ শতাংশ। সেই হিসাবে মেয়াদ পূর্ণ হওয়ার পর আমানতকারীর হাতে আসবে ৮,৫৩,১১৭ টাকা। অর্থাৎ তিন বছরে সুদ হিসেবে জমা হবে ১,৫৩,১১৭ টাকা। পাঁচ বছরের জন্য এই মেয়াদে সুদের হার ৭.৫ শতাংশ। ফলে ৭ লক্ষ টাকার বিনিয়োগ পাঁচ বছর পরে বেড়ে হবে ৯,৬৯,৯৭৫ টাকা। মোট সুদ থেকে আয় হবে ২,৬৯,৯৭৫ টাকা।

আরও পড়ুন : হাতের নাগালে সোনা! পুজোর আগে হুড়মুড়িয়ে কমল দাম, এই সুযোগ মিস করবেন না
উল্লেখ্য, তবে বিনিয়োগের আগে শুধু সম্ভাব্য রিটার্ন দেখলেই হবে না। মেয়াদ, টাকা প্রয়োজন হওয়ার সম্ভাব্য সময়, প্রযোজ্য নিয়ম এবং করের বিষয়গুলিও যাচাই করা জরুরি। আর একটি বিষয় মনে রাখা দরকার—সুদের হার সময়ের সঙ্গে পরিবর্তিত হতে পারে। তাই টাকা জমা দেওয়ার আগে সংশ্লিষ্ট পোস্ট অফিসের সর্বশেষ হার ও নিয়ম দেখে নেওয়াই বুদ্ধিমানের কাজ।













