বাংলা হান্ট নিউজ ডেস্কঃ ম্যাচ শুরুর আগে অনেক আশা নিয়ে মাঠে পা রেখেছিলেন মোহনবাগান (Mohun Bagan) সমর্থকরা। কিছুদিন আগেই ডুরান্ড ফাইনালে ৪-১ ফলে হারের জ্বালা এখনও টাটকা। কলকাতা লিগে (CFL 2026) জুনিয়র ইস্টবেঙ্গল (East Bengal) দলকে হারিয়ে সেই ক্ষততে প্রলেপ লাগানোর আশা নিয়ে ম্যাচের দিক চোখ রেখেছিল সবুজ-মেরুণ সমর্থকরা। কিন্তু মাঠে ১১ জন জুনিয়র বাঙালি ফুটবলার নিয়ে মাঠে নামা অর্চিষ্মান বিশ্বাসের প্রশিক্ষণাধীন ইস্টবেঙ্গল।
মনবীরের গোলে প্রথমার্ধে ইস্টবেঙ্গল লিড নিলেও দ্বিতীয়ার্ধের ৬৩ মিনিটে বিজয় মুর্মুর বিষাক্ত কর্ণার থেকে দুরন্ত হেডে গোল করে ইস্টবেঙ্গলকে সমতায় ফেরান পরিবর্ত হিসেবে নামা মহম্মদ বিলাল। এরপর দুই দলই গোলের দেখা পায়নি আর। ১-১ সমতায় থেকে গ্রূপচ্যাম্পিয়ন হয়েই সুপার সিক্সে গেলো ইস্টবেঙ্গল। ম্যাচে নামার আগে কোচ অর্চিষ্মান নিজের দলের ছেলেদের বলেছিলেন সুযোগ পেলে মোহনবাগান সিনিয়র দলের ফুটবলারদের থেকেও ভালো খেলতে পারেন তারা। সেই পেপটক তাদের অনেকটা উদ্বুদ্ধ করেছিল বলে জানান গোলদাতা বিলাল।

এদিন মোহনবাগান একাদশে ছিল সিনিয়র দলের ৭ ফুটবলার। মনবীর, মেহতাব, রাহুল ভেকে, সাহাল, আপুইয়া, শুভাশীষের মতো জাতীয় দলের তারকাদের বিরুদ্ধে যেভাবে লড়লেন অঙ্কন, মনোতোষ, গৌরবরা তা ইস্টবেঙ্গলের কাছে ভালো বার্তা হলেও প্রশ্ন তুলে দিচ্ছে ভারতীয় ফুটবলের ভবিষ্যৎ নিয়ে।
আর এক মাসেরও কম সময়ে ভারতীয় দল প্রীতি ম্যাচে মুখোমুখি হবে ব্রাজিল, উরুগুয়ের মতো বিশ্বের সেরা দলগুলির বিরুদ্ধে। ইস্টবেঙ্গল জুনিয়র দলের বিরুদ্ধে এদিন মাঠে নামা অনেক মোহনবাগান ফুটবলারদেরই সেদিন ভারতের জার্সিতে মাঠে নামার সম্ভবনা রয়েছে। কিন্তু ইস্টবেঙ্গলের ছোটদের বিরুদ্ধেই যদি তাদের ড্র করে সন্তুষ্ট থাকতে হয়, তাহলে ব্রাজিল, উরুগুয়ের সামনে তাদের কি অবস্থা হবে সেই নিয়ে অনেকেই প্রশ্ন তুলেছেন।
আরও পড়ুন: নিউজিল্যান্ড সফরের আগে বড় সমস্যায় ভারত! এই ধরণের ক্রিকেটারের অভাব ভোগাতে পারে শুভমান গিল-দের
ম্যাচের পর ইস্টবেঙ্গল ও মোহনবাগান দুই শিবিরে দেখা গেছে ভিন্ন রকমের চিত্র। কোচ অর্চিষ্মান বিশ্বাস বারাসাত স্টেডিয়াম ছাড়লেন সমর্থকদের ভালোবাসা ও কৃতজ্ঞতা মাথায় নিয়ে। কিন্তু মোহনবাগান কোচ বাস্তব রায়ের পদত্যাগ চাইছেন সবুজ মেরুণ সমর্থকরা। এই ড্র তাদের কাছে যেন একপ্রকার হারেরই সমতুল্য।













