বেআইনি বহুতল নির্মাণ মামলায় বড় পদক্ষেপ, CBI তদন্তের নির্দেশ প্রধান বিচারপতির বেঞ্চের

Published on:

Published on:

Calcutta High Court takes major step in illegal high-rise construction case
Follow

বাংলা হান্ট ডেস্ক : কলকাতার একাধিক এলাকায় বেআইনি বহুতল নির্মাণের অভিযোগ ঘিরে এবার কেন্দ্রীয় তদন্তের নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট (Calcutta High Court)। অভিযোগের পরিধি এবং আর্থিক লেনদেনের ধরন নিয়ে প্রশ্ন ওঠায় মামলাটির তদন্তভার সিবিআইয়ের হাতে তুলে দিয়েছে আদালত। তদন্তের প্রয়োজনে বিশেষ তদন্তকারী দল তৈরি করার ক্ষেত্রেও কেন্দ্রীয় সংস্থাকে ছাড় দেওয়া হয়েছে। আগামী ১৪ অক্টোবরের মধ্যে প্রাথমিক তদন্ত রিপোর্ট আদালতে জমা দিতে হবে।

বেআইনি নির্মাণের তদন্তভার CBI-এর হাতে দিল হাইকোর্ট (Calcutta High Court)

মামলাটি মূলত শহরের চারটি গুরুত্বপূর্ণ এলাকার নির্মাণকে কেন্দ্র করে। বেলেঘাটা, মানিকতলা, রাজাবাজার এবং ক্যানেল ইস্ট রোডে এমন ৫০টির বেশি বহুতল রয়েছে বলে অভিযোগ। মামলাকারীদের বক্তব্য, সংশ্লিষ্ট নির্মাণগুলির ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় সরকারি ছাড়পত্র নেওয়ার বিষয়টি উপেক্ষা করা হয়েছে। কলকাতা পুরসভা বা অন্য কোনও অনুমোদনকারী কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে বাধ্যতামূলক অনুমতি না নিয়েই কীভাবে এতগুলি নির্মাণ গড়ে উঠল, সেটি নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।

নির্মাণের সঙ্গে যুক্ত বিপুল অঙ্কের লেনদেন ব্যাঙ্কের মাধ্যমে না হয়ে নগদে হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে। এর পিছনে কালো টাকা সাদা করার কোনও ছক ছিল কিনা, সেই প্রশ্নই উঠছে। উল্লেখ্য, এর আগে বেআইনি নির্মাণ মামলার শুনানিতে কয়েকটি নির্মাণ ভেঙে ফেলার নির্দেশ দিয়েছিল কলকাতা হাইকোর্ট। সেই নির্দেশের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে আবেদন করা হয়। কিন্তু শীর্ষ আদালতও হাইকোর্টের সিদ্ধান্তে হস্তক্ষেপ না করে, ভেঙে ফেলার নির্দেশ বহাল রাখে।

Calcutta High Court takes major step in illegal high-rise construction case

আরও পড়ুন :৫ দিন কর্ম দিবসের দাবিতে ধর্মঘট, টানা ৩ দিন বন্ধ ব্যাঙ্ক! গ্রাহকদের ভোগান্তি চরমে

তারপরেও বাস্তবে সেই নির্দেশ কার্যকর হয়নি বলে মামলাকারীদের অভিযোগ। কলকাতা পুরসভার ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলা হয়। কেন আদালতের নির্দেশের পরেও সংশ্লিষ্ট বহুতলগুলির বিরুদ্ধে কার্যকর পদক্ষেপ করা হল না, সেই বিষয়টিও শুনানিতে গুরুত্ব পায়। এই পরিস্থিতিতে মামলাটি ফের হাইকোর্টে এলে বিষয়টির তদন্তভার CBI-এর হাতে তুলে দেওয়া হয়। এখন সিবিআইয়ের অনুসন্ধানে নির্মাণের নেপথ্যে কারা রয়েছে, অর্থের উৎস কী এবং নিয়ম ভেঙে এতদিন কীভাবে কাজ চলেছে—সেই প্রশ্নগুলির উত্তর সামনে আসবে পরবর্তী শুনানিতে।