বাংলা হান্ট ডেস্কঃ বাড়ি বা ঠিকানা বদলালে এলপিজি কানেকশন (Gas Connection) ট্রান্সফার করা ভীষণ জরুরি। নাহলে রান্নাবান্না সহ নানা কাজে সমস্যা হতে পারে। অনেকেই ভাবেন এটি হয়তো কোনও ঝক্কির কাজ। তবে সঠিক পদ্ধতি জানা থাকলে সহজেই তা করে নেওয়া যায়। এলপিজি (LPG Connection) কানেকশন কীভাবে ট্রান্সফার করে, এর জন্য কী কী নথি দরকার হয় জেনে নিন।
এলপিজি কানেকশন ট্রান্সফারের পদ্ধতি | (Gas Connection)
বর্তমানে প্রায় সব বাড়িতেই এলপিজি সিলিন্ডারে রান্না হয়। ফলে বাড়ি বদল করলে গ্যাস কানেকশনও ট্রান্সফার করে নেওয়া উচিত। গ্যাস এজেন্সিতে ট্রান্সফারের আবেদনের সময় পরিচয়পত্র, গ্যাসের বই বা কনজিউমার বুক, আসল কানেকশন ভাউচার ও নতুন বাড়ির ঠিকানার প্রমাণ সঙ্গে রাখা উচিত।
এবার কোনও উপভোক্তা যদি এমন কোনও এলাকায় শিফট করেন যেখানে তাঁর বর্তমান গ্যাস এজেন্সি পরিষেবা দেয় সেক্ষেত্রে তাঁকে গ্যাস এজেন্সিকে শুধু নতুন ঠিকানার তথ্য জানাতে হবে। এরপর তাঁরা ঠিকানা আপডেট করে দিলে সেখানেই গ্যাস ডেলিভারি শুরু হয়ে যাবে।
কোনও উপভোক্তা যদি এমন কোনও এলাকায় শিফট করেন যেখানে তাঁর বর্তমান গ্যাস এজেন্সি পরিষেবা দেয় না, তাহলে প্রথমে তাঁকে তাঁর বর্তমান গ্যাস এজেন্সি থেকে টিটিভি তথা ট্রান্সফার টার্মিনেশন ভাউচার সংগ্রহ করতে হবে। এরপর নতুন এলাকার গ্যাস এজেন্সিতে গিয়ে এই টিটিভি সহ বাকি প্রয়োজনীয় নথি দিতে হবে। তাহলেই নতুন ঠিকানায় গ্যাস কানেকশন ট্রান্সফার হয়ে যাবে।
এবার কোনও উপভোক্তা যদি শহর বদল করেন তাহলে তাঁর ক্ষেত্রে নিয়ম একটু আলাদা। ওই উপভোক্তাকে প্রথমে পুরনো গ্যাস এজেন্সিতে গিয়ে সিলিন্ডার ও রেগুলেটর ফেরত করতে হবে। এরপর এজেন্সির তরফে সিকিউরিটি ডিপোজিট ও একটি টার্মিনেশন ভাউচার দেওয়া হবে।

এরপর সেই উপভোক্তাকে নতুন শহরে গিয়ে সেখানকার গ্যাস এজেন্সিতে নিজের নথিপত্র যাচাই করাতে হবে। সেটি সফল হলে তাঁকে নতুন এলপিজি কানেকশন দেওয়া হবে। কানেকশন ট্রান্সফারের প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলে নতুন গ্যাস এজেন্সির তরফে টিটিভিকে টিএসভিতে রূপান্তরিত করা হবে। এরপর সংশ্লিষ্ট উপভোক্তাকে একটি নতুন কনজিউমার নম্বর দেওয়া হবে এবং তিনি নতুন শহর থেকে গ্যাস বুক করতে পারবেন।
বাড়ি বদলের চাপের মাঝেই বহু উপভোক্তার মনে এলপিজি কানেকশন ট্রান্সফার নিয়ে একটা চিন্তা থাকে। সঠিক পদ্ধতি জানা থাকলে অতি সহজেই এই কাজ করে নেওয়া যায়। কোনও ঝক্কি পোহাতে হয় না।













