নভেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারি টানা ওয়ার্ক ফ্রম হোক! সরকারি-বেসরকারি কর্মীদের জন্য বড় ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর

Published on:

Published on:

Delhi Government announced work from home from November to February
Follow

বাংলা হান্ট ডেস্কঃ করোনার সময় বহু অফিসে ওয়ার্ক ফ্রম হোমের (Work From Home) রীতি চালু হয়েছিল। সেই অতিমারী কাটিয়ে বেশ কয়েক বছর কেটে গেলেও এখনও অনেক অফিসে এই পদ্ধতিতে কাজ চলছে। তবে এবার পুজোর পরে সরকারি ও বেসরকারি কর্মীদের একটানা ওয়ার্ক ফ্রম হোমের নির্দেশ দিল সরকার (Delhi Government)। আগামী নভেম্বর মাস থেকে ফেব্রুয়ারি মাস অবধি ওয়ার্ক ফ্রম হোমের কথা বলা হয়েছে।

সরকারি ও বেসরকারি কর্মীদের ওয়ার্ক ফ্রম হোমের নির্দেশ | (Work From Home)

অক্টোবর মাস থেকে দেশ জুড়ে উৎসবের মরশুম শুরু হচ্ছে। সেই মরশুম শেষ হলেই নভেম্বর থেকে ওয়ার্ক ফ্রম হোম চালু হবে। চলবে ফেব্রুয়ারি অবধি। দূষণ মোকাবিলায় এবার এমনই সিদ্ধান্ত নিয়েছে দিল্লি সরকার।

আরও পড়ুনঃ পুজোর আগেই রাজ্যে সেবা সেতু অভিযান! কোন কোন প্রকল্পের সুবিধা পাওয়া যাবে জানুন

শীতকাল এলেই রাজধানীর দূষণের মাত্রা যেন একলাফে অনেকটা বেড়ে যায়। সেই পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে এবার আগে থেকেই তৎপর সরকার। সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, আগামী ১ নভেম্বর থেকে ২৮ ফেব্রুয়ারি অবধি সকল সরকারি ও বেসরকারি অফিসের ৫০ শতাংশ কর্মী বাড়ি থেকে কাজ করবেন। তবে জরুরি পরিষেবার সঙ্গে যুক্ত কর্মীরা এই নিয়মের আওতায় পড়বেন না।

জানা গিয়েছে, দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী রেখা গুপ্তা শীঘ্রই এই নিয়ম চালুর জন্য বৈঠক করেছেন। শীতকালীন দূষণের মোকাবিলা করতে শহরের রাস্তায় যানবাহনের সংখ্যা কমাতে দ্বিগুণ পার্কিং ফি, নির্মাণ কাজের উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। এই সময়কালে ক্ষতিগ্রস্ত শ্রমিকদের এককালীন আর্থিক সাহায্য দেওয়ার ব্যবস্থাও করা হবে।

Work from Home

এছাড়া দিল্লি সরকারের অধীনস্থ যাবতীয় অফিসের সময় বদলের সিদ্ধান্তও নেওয়া হয়েছে। আগামী নভেম্বর মাস থেকে সরকারি অফিসে সকাল ১০টা থেকে কাজ শুরু হবে, চলবে সন্ধ্যা সাড়ে ৬টা অবধি। দিল্লি মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশনের অধীনস্থ অফিসগুলিতে সকাল সাড়ে ৮টা থেকে বিকেল ৫টা অবধি কাজ হবে।

শীতকাল এলেই দিল্লি সরকারের উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়ায় দূষণ। এবার সেই দূষণ মোকাবিলায় আগেভাগেই একগুচ্ছ সিদ্ধান্ত নিয়েছে রেখা গুপ্তার সরকার। সরকারি, বেসরকারি কর্মীদের ওয়ার্ক ফ্রম হোম চালু সহ এই সিদ্ধান্তগুলির ফলে অনেকের সুরাহা হবে বলে মনে করা হচ্ছে।