বাংলা হান্ট ডেস্কঃ সবেমাত্র সকাল হয়েছিল, এরই মধ্যে এল দুঃসংবাদ। প্রয়াত নানা পাটেকর (Nana Patekar Passed Away)। ভোরবেলা হৃদরোগে আক্রান্ত হয়েই চলে গেলেন জাতীয় পুরস্কার প্রাপ্ত বলিউড অভিনেতা। মৃত্যুকালীন তাঁর বয়স হয়েছিল ৭৫ বছর।
হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে প্রয়াত নানা পাটেকর | Nana Patekar Passed Away
যেমনটা জানা যাচ্ছে, গোয়ার বাড়িতেই ছিলেন অভিনেতা। ভোর ৫টা ২০ নাগাদ হৃদরোগে আক্রান্ত হন বর্ষীয়ান অভিনেতা। এরপর তড়িঘড়ি তাকে গোয়ার একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। কিন্তু সেখানে পৌঁছানোর আগে রাস্তাতেই শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। আরও জানা যাচ্ছে, প্রায় ৪৫ মিনিট ধরে সিপিআর দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছিল। কিন্তু তাতে সাড়া দেননি তিনি। অভিনেতার আকস্মিক প্রয়াণে কার্যোগ শোক স্তব্দ গোটা বলিউড।
এদিন বুকে যন্ত্রণার খবর পাওয়া মাত্রই দ্রুত তাঁর বাড়িতে পৌঁছেছিল মেডিকেল টিম। তারপর তাকে ডোনা পাওয়ার হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। হাসপাতালে পৌঁছালে ডঃ শেখর সালকর তাকে মৃত ঘোষণা করেন। তাঁর মৃত্যুর পর একটি মেডিকো-লিগাল মামলা রুজু করা হয়েছে। পোস্ট-মর্টেম করা হবে বলেও জানা গিয়েছে।
আরও পড়ুনঃ ‘৪২টা সিটই BJP পাবে’, গুজরাটের অনুষ্ঠান থেকে মোদীজিকে উপহার দেওয়ার ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর
১৯৭৮ সালে ‘গমন’ ছবি দিয়ে বলিউডের যাত্রা শুরু করেছিলেন নানা পাটেকার। এরপর ১৯৮৯ এ ‘পারিন্দা’, ১৯৯৫ এ ক্রান্তিবীর, ১৯৯৭ এ অগ্নিসাক্ষী এর মত একাধিক ছবি দর্শকদের উপহার দিয়েছেন তিনি। শুধু যে হিন্দি তা নয়, বহু মারাঠি ছবিতেও অভিনয় করে সকলের মন জিতে নিয়েছেন তিনি। পরবর্তীতে ২০১৩ সালে ‘পদ্মশ্রী’ সন্মানেও ভূষিত করা হয়েছিল তাঁকে।
নানা পাটেকরের সঙ্গে ভারতীয় সেনাবাহিনীর সম্পর্ক কেবল সিনেমার পর্দাতেই সীমাবদ্ধ নয়। ‘প্রহার’ ছবির প্রস্তুতির জন্য তিনি মারাঠা লাইট ইনফ্যান্ট্রির সাথে কঠোর সামরিক প্রশিক্ষণ নিয়েছিলেন এবং ১৯৯৯ সালের কারগিল যুদ্ধের সময়ও টানা দুই সপ্তাহের বেশি সময় ধরে বিভিন্ন পোস্টে ঘুরে তিনি জওয়ানদের মনোবল বাড়িয়েছিলেন। তাঁর মতে, দেশই সবার আগে এবং সেনাবাহিনীর জওয়ানরাই হলেন দেশের আসল হিরো, যা তাঁর গভীর দেশপ্রেম ও সেনাদের প্রতি অগাধ সম্মানেরই প্রমাণ।













