বাংলা হান্ট ডেস্কঃ বিধানসভা নির্বাচনের পর উপনির্বাচনেও (Nandigram Rejinagar By-Election) গেরুয়া ঝড়ের সাক্ষী থাকল বাংলা। নন্দীগ্রাম ও রেজিনগর, দুই কেন্দ্রেই বিজেপি (BJP) প্রার্থীদের বাজিমাত। নন্দীগ্রামে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর রেকর্ড ভেঙে প্রায় ১ লক্ষ ২২ হাজার ভোটে জয়ী হয়েছেন পদ্ম প্রার্থী হাসিরানি রথ। পাশাপাশি রেজিনগরেও ফুটেছে পদ্ম।
নন্দীগ্রাম ও রেজিনগর উপনির্বাচনে গেরুয়া ঝড় | (Nandigram Rejinagar By-Election)
মুখ্যমন্ত্রীর ‘গড়’ নন্দীগ্রাম যে বিজেপির দখলেই থাকবে তা নিয়ে সংশয় ছিল না। বরং বিজেপি প্রার্থীর জয়ের ব্যবধান কত হবে সেটাই ছিল আসল প্রশ্ন। শুক্রবার সকালে ভোট গণনা শুরু হতেই ঝড়ের গতিতে এগোতে শুরু করে পদ্ম প্রার্থী হাসিরানি। শেষমেষ প্রায় ১ লক্ষ ২২ হাজার ভোটে জয়ী হন তিনি।
আরও পড়ুনঃ সাধারণ মানুষের করের টাকায় কেন পুজোর অনুদান? কলকাতা হাইকোর্টে দায়ের জনস্বার্থ মামলা
ভোটের আগেই শুভেন্দু দাবি করেছিলেন, নন্দীগ্রামে ১ লক্ষের বেশি ভোটে জিতবেন বিজেপি প্রার্থী। পাশাপাশি নন্দীগ্রামবাসীকে আশ্বস্ত করে একাধিকবার জানিয়েছিলেন, তাঁদের জন্য তিনি ছিলেন, আছেন ও ভবিষ্যতেও থাকবেন। ভোটের ফলপ্রকাশের পর দেখা গেল, নন্দীগ্রামের মানুষ বিজেপিকে দু’হাত ভরে ভালোবাসা দিয়েছেন।
১৪ রাউন্ড গণনা শেষে বিজেপির হাসিরানি ১১৫৫৮৯ ভোটে এগিয়ে রয়েছেন। দ্বিতীয় স্থানে ছিলেন কংগ্রেসের মিলন প্রধান। তাঁর প্রাপ্ত ভোট ৩০৯১৩ ভোট। তৃতীয় স্থানে থাকা সিপিআই প্রার্থী শান্তিগোপাল গিরির প্রাপ্ত ভোট ৪৭৭৫। ধারেকাছেও ছিলেন না ঋতব্রত তৃণমূলের প্রার্থী।
নন্দীগ্রামে বিজেপির জয় নিয়ে কোনও সংশয় না থাকলেও রেজিনগরের ফলাফল নিয়ে অনেকের অনেক রকম মত ছিল। কারণ সেখানে একদিকে ছিল মুসলিম ভোট, অন্যদিকে প্রার্থী হয়েছিলেন খোদ হুমায়ুন কবীরের ছেলে। তবে আজ ফলপ্রকাশের পর দেখা গেল, মুসলিম অধ্যুষিত রেজিনগরেও পদ্ম ফুটেছে।

রেজিনগরের বিজেপি প্রার্থী শাখারভ সরকার ৭২ হাজারের বেশি ভোটে জয়ী হয়েছেন। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, রেজিনগরে ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে মানুষ বিজেপিকে ভোট দিয়েছে।
বিধায়ক শূন্য নন্দীগ্রাম ও রেজিনগরে গত ৬ অক্টোবর উপনির্বাচন হয়েছিল। ফলাফল প্রকাশ হল আজ। সেই রেজাল্ট থেকেই কার্যত পরিষ্কার, দুর্নীতিহীন, উন্নত রাজ্যের জন্য বাংলার মানুষ এখন বিজেপিকেই চায়।













