বাংলা হান্ট ডেস্কঃ রাজ্য জুড়ে জোরকদমে দুর্গাপুজোর প্রস্তুতি চলছে। সেই প্রস্তুতিতে যেন কোনও রকম ঢিলেমি না হয়। শুক্রবার রাজ্য প্রশাসনের শীর্ষ আধিকারিক সহ রাজ্যের সকল পুরসভাগুলির সঙ্গে ভার্চুয়াল বৈঠকে বিষয়টি স্পষ্ট করে দেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। পাশাপাশি পুরকর্মীদের (Municipal Workers) বকেয়া বেতন মিটিয়ে দেওয়া ও চুক্তিভিত্তিক কর্মীদের নিয়েও বড় বার্তা দিয়েছেন তিনি।
ডেডলাইন বেঁধে পুরকর্মীদের বকেয়া বেতন মেটানোর নির্দেশ | (Suvendu Adhikari)
পুজোর আগে রাস্তা সারাই, সাফাই, পথবাতি, পুরকর্মীদের বেতনের ক্ষেত্রে সময়সীমা বেঁধে রাজ্যের সকল পুরসভা ও উন্নয়ন কর্তৃপক্ষকে কাজ সম্পন্ন করার নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। প্রশাসনিক নির্দেশ অনুসারে, আগামী তিনদিনের মধ্যে পুজো মণ্ডপে যাওয়ার রাস্তাগুলির বাকি মেরামতির কাজ সম্পন্ন করতে হবে। দ্রুত কাজ সম্পন্ন করতে রাজ্য অর্থ দফতর স্বল্পমেয়াদি দরপত্রে অনুমোদন দিয়েছে।
আরও পড়ুনঃ পুজোর আগেই নতুন রূপে পার্ক সার্কাস সেভেন পয়েন্ট! শহরবাসীর উদ্দেশে বড় আবেদন অগ্নিমিত্রার
পাশাপাশি আগামী ১৩ অক্টোবরের মধ্যে জরুরি ভিত্তিতে পথবাতি বদলের কাজ সম্পন্ন করতে বলা হয়েছে। পুজোর আগে রাজ্যের শহর ও পুর এলাকাগুলি যাতে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন থাকে, সেই জন্য বিশেষ সাফাই অভিযান চালাতে বলা হয়েছে। ডাম্পিং গ্রাউন্ডের নোংরা-আবর্জনা সরানোর পাশাপাশি ই-রিকশায় এলাকায় ঘুরে অপরিষ্কার জায়গা চিহ্নিত করে পরিষ্কার করতে হবে।
পুজোর প্রস্তুতির পাশাপাশি রাজ্যের পুরকর্মীদের বকেয়া বেতন নিয়েও বড় নির্দেশ দিয়েছেন শুভেন্দু। আগামী ১৪ অক্টোবরের মধ্যে কর্মীদের বেতন মেটাতে বলা হয়েছে। পাশাপাশি চুক্তিভিত্তিক কর্মীদের বেতনও বকেয়া রাখা যাবে না বলে জানানো হয়েছে। তাঁদের সামান্য বোনাসের বিষয়টিও বিবেচনা করতে বলা হয়েছে।
এর পাশাপাশি নির্দেশ, ব্লিচিং পাউডার সহ অন্যান্য সামগ্রীর বকেয়া বিলের অন্তত ৩০ শতাংশ মিটিয়ে দিতে হবে। যেখানে আমাদের পাড়া, আমাদের সমাধান প্রকল্পে কাজ শেষ হয়েছে, সেখানেও দ্রুত পাওয়া মেটাতে বলা হয়েছে।

এছাড়া নিরাপত্তা নিয়েও গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশ দিয়েছেন শুভেন্দু। আজ থেকে পুলিশের ১১২ নম্বর শুরু হতে চলেছে। বিপদের সময় তাঁরা নিমেষে পৌঁছে যাবে বলে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।
পুজোর আগে হওয়া এই বৈঠকে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। পুজোর প্রস্তুতি থেকে শুরু করে রাজ্যের পুরসভা ও সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলির আর্থিক বিষয় থেকে নিরাপত্তা, কোনও কিছুই তাঁর নজর এড়ায়নি।













