বাংলা হান্ট ডেস্ক : নন্দীগ্রাম ও রেজিনগরের উপনির্বাচনে জয়ের পর সোমবার কলকাতার রাজপথে নিজেদের সাফল্য উদ্যাপন করতে চলেছে বিজেপি(BJP)। মুরলীধর সেন লেন থেকে ধর্মতলা পর্যন্ত আয়োজিত এই মিছিলে যোগ দেওয়ার কথা মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী, রাজ্য বিজেপির সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য-সহ দলের একাধিক নেতার।
সাফল্য উদ্যাপন বিজেপির (BJP) বিজয় মিছিল
উপনির্বাচনের দুই কেন্দ্রের নবনির্বাচিত বিধায়ক হাসিরানি রথ ও শাখারভ সরকারও থাকবেন এই কর্মসূচিতে। নির্বাচনী ফলকে হাতিয়ার করে জনসমর্থনের বার্তা দেওয়ার পাশাপাশি বিরোধীদের অভিযোগেরও জবাব দিতে চাইছে গেরুয়া শিবির। ভোটের ফল প্রকাশের পর থেকেই এই জয়কে ঘিরে প্রচারে নেমেছে বিজেপি। দলের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে বিরোধী জোটকে নিশানা করে ফলাফলকে ‘মানুষের জোটের জয়’ বলে বর্ণনা করা হয়েছে।
বিজেপির দাবি, রাজ্যের মানুষ উন্নয়নকে গুরুত্ব দিয়েই ভোট দিয়েছেন। এই ফলের মধ্য দিয়ে বাংলার রাজনীতিতে নতুন অধ্যায়ের সূচনা হয়েছে বলেও মনে করছে দল। নির্বাচনে অনিয়ম ও ভোট চুরির অভিযোগ তুলে বিরোধীরা সরব হওয়ায় পাল্টা প্রচার শুরু করেছে রাজ্য বিজেপি। দলের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে বলা হয়েছে, “রাজনৈতিক নাটক করে লাভ নেই। পশ্চিমবঙ্গের মানুষ বুঝিয়ে দিয়েছেন, মিথ্যা অভিযোগ নয়, মানুষের আস্থা অর্জনই রাজনীতিতে শেষ কথা।”
দুই কেন্দ্রের ফলাফলের মধ্যে রেজিনগরের সাফল্যকে বিশেষভাবে তুলে ধরছে বিজেপি। সংখ্যালঘু অধ্যুষিত এই কেন্দ্রে দলের জয় রাজনৈতিক আলোচনায় নতুন মাত্রা যোগ করেছে। জয়ের পর শুভেন্দু অধিকারী দাবি করেন, ধর্ম কিংবা বর্ণের ভিত্তিতে নয়, উন্নয়নের নিরিখেই মানুষ তাঁদের সমর্থন জানিয়েছেন। সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের একাংশের ভোটও বিজেপির ঝুলিতে এসেছে বলে তাঁর বক্তব্য।

আরও পড়ুন : নীল-সাদা সরিয়ে বসল গেরুয়া বোর্ড! নতুন আঙ্গিকে খুলছে তৃণমূল আমলে তৈরি বিশ্ববাংলা শিল্পী হাট
সোমবারের বিজয় মিছিল তাই শুধু নির্বাচনী সাফল্য উদ্যাপনের কর্মসূচি নয়, বরং জনসমর্থন নিয়ে বিজেপির রাজনৈতিক বার্তা তুলে ধরার মঞ্চও হতে চলেছে। দুই কেন্দ্রের ফলকে সামনে রেখে দল কতটা সংগঠন বিস্তারের চেষ্টা করে এবং উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি বাস্তবে কতটা পূরণ করতে পারে, এখন সেদিকেই নজর থাকবে।














