বাংলা হান্ট ডেস্কঃ দফতরে বসে কাজের পাশাপাশি প্রায় রোজ সকালে পরিদর্শনে বের হন রাজ্যের পুর ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল (Agnimitra Paul)। তাঁর ‘অতি সক্রিয়তা’র কারণে মাঝেমধ্যেই তাঁকে ট্রোলিংয়ের মুখেও পড়তে হয়। তবে এবার তাঁর কাজের দরাজ সার্টিফিকেট দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। পাশাপাশি শর্বরী মুখোপাধ্যায় ও পাপিয়া অধিকারীকেও প্রশংসায় ভরিয়েছেন তিনি।
অগ্নিমিত্রা-শর্বরী-পাপিয়ার প্রশংসা মুখ্যমন্ত্রীর | (Suvendu Adhikari)
সোমবার কুঁদঘাটে জলাশয়ের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। সেখানে পুরমন্ত্রীর প্রশংসা করে তিনি বলেন, “রাজ্যের পুর ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল যেমন দফতরে বসে কাজ করেন, তেমনই রাস্তাতেও থাকেন। সেই কারণে কিছু লোকের জ্বালা হচ্ছে।“
আরও পড়ুনঃ আদালত চত্বরে নিষিদ্ধ করতে হবে পান, গুটখা, সিগারেট! জেলা জজদের প্রস্তাব কলকাতা হাইকোর্টের
পাশাপাশি ট্রোলিং প্রসঙ্গে শুভেন্দুর দাবি, কিছু লোক হাতে মোবাইল নিয়ে অপপ্রচার চালাচ্ছেন। সেইসব উপেক্ষা করে অগ্নিমিত্রাকে এগিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন তিনি। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “আমি বলেছি, ওদের ইগনোর করে এগিয়ে যান। সরকার সঙ্গে আছে।“
পাশাপাশি যাদবপুরের রাজনীতিতে বিধায়ক শর্বরী মুখোপাধ্যায়ের প্রশংসা করে শুভেন্দু বলেন, যাদবপুরকে আস্তে আস্তে রাষ্ট্রবাদী ভাবধারার দিকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন তিনি। শর্বরীকে দেখে ‘টুকরে টুকরে গ্যাং’ ভয় পাচ্ছে বলেও দাবি করেন মুখ্যমন্ত্রী।
একইসঙ্গে পাপিয়া অধিকারীর প্রসঙ্গ টেনে শুভেন্দু বলেন, যাত্রা বলতে গ্রামবাংলার মানুষ পাপিয়া অধিকারীকেই চেনেন। তাঁকে বিধায়ক হিসেবে বেছে নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট এলাকার মানুষকে ধন্যবাদ জানান মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, অনেক বড় মন্ত্রীকেও এলাকাবাসী প্রত্যাখ্যান করেছেন।

এদিনের অনুষ্ঠানে অগ্নিমিত্রা-শর্বরী-পাপিয়ার প্রশংসার পাশাপাশি বিরোধীদেরও একহাত নিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, তাঁদের প্রত্যাখ্যান করেছেন মানুষ। আসন্ন কলকাতা পুরনির্বাচনেও একই ফলাফল হবে বলে দাবি করেছেন শুভেন্দু।
রাজ্যের পুর ও নগরোন্নয়ন দফতরের দায়িত্ব পাওয়ার পর থেকেই মাঠে-ময়দানে নেমে কাজ করছেন অগ্নিমিত্রা পাল। বেআইনি পার্কিং থেকে শুরু করে ফুটপাথ দখল, সব কিছুর দিকে কড়া নজর রেখেছেন তিনি। এবার সেই নিয়েই তাঁকে প্রশংসায় ভরালেন খোদ মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। দলের আরও দুই বিধায়ক শর্বরী মুখোপাধ্যায় ও পাপিয়া অধিকারীকেও দরাজ সার্টিফিকেট দিয়েছেন তিনি।














