বাংলা হান্ট ডেস্ক : লোকাল ট্রেনের (Local Train) যাত্রীদের জন্য একাধিক পরিবর্তন আনছে পূর্ব রেলের শিয়ালদহ ডিভিশন। নদিয়া থেকে কলকাতা এবং শান্তিপুর-সহ বিভিন্ন শাখায় যাতায়াত আরও সুবিধাজনক করতে কয়েকটি ট্রেনের স্টপেজ ও সময়সূচিতে রদবদল করা হয়েছে। পাশাপাশি চালানো হবে অতিরিক্ত ট্রেনও।
কী কী বদল আনা হয়েছে লোকাল ট্রেনের (Local Train) সময়সূচিতে ?
১২ অক্টোবর থেকে ৩১ ডিসেম্বর ২০২৬ পর্যন্ত পরীক্ষামূলকভাবে বাদকুল্লা স্টেশনে অতিরিক্ত স্টপেজ দেওয়া হচ্ছে শিয়ালদহ-কৃষ্ণনগর রুটের চারটি এসি ইএমইউ লোকালকে। ট্রেন নম্বর ৩১৮৪৫, ৩১৮৪৬, ৩১৮৪৭ এবং ৩১৮৪৮ নির্ধারিত সময় অনুযায়ী ওই স্টেশনে থামবে। ট্রেনগুলির বাদকুল্লায় পৌঁছনোর সময় যথাক্রমে সকাল ১১টা ৫৩ মিনিট, দুপুর ১টা ৪০ মিনিট, দুপুর ১টা ৫৯ মিনিট এবং বিকেল ৪টে ১৫ মিনিট।
যাত্রীদের যাতায়াতের সুবিধার জন্য শান্তিপুর ও কৃষ্ণনগরের মধ্যে দিগনগর হয়ে এক জোড়া ইএমইউ স্পেশাল ট্রেন চালানোর সিদ্ধান্ত হয়েছে। ১৩ অক্টোবর থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত এই পরিষেবা চালু থাকবে। নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী, সকাল ৯টা ৩৪ মিনিটে শান্তিপুর থেকে ছেড়ে ট্রেনটি সকাল ৯টা ৫১ মিনিটে দিগনগর পৌঁছবে এবং ১০টা ১১ মিনিটে কৃষ্ণনগরে ঢুকবে। ফিরতি ট্রেনটি কৃষ্ণনগর থেকে সকাল ১০টা ২০ মিনিটে রওনা দিয়ে ১০টা ৩৮ মিনিটে দিগনগর হয়ে ১০টা ৫৭ মিনিটে শান্তিপুর পৌঁছবে।
কৃষ্ণনগর-শান্তিপুর শাখার ৩১৫৮৬ নম্বর লোকালটির ছাড়ার সময় এগিয়ে আনা হয়েছে। আগে সকাল ৯টা ২৫ মিনিটে কৃষ্ণনগর থেকে ট্রেনটি ছাড়ত। নতুন সূচিতে ছাড়বে সকাল ৮টা ৪৭ মিনিটে। শান্তিপুরে পৌঁছনোর সময়ও সকাল ১০টা ২ মিনিটের পরিবর্তে সকাল ৯টা ২৪ মিনিট করা হয়েছে। অন্যদিকে, ৩১৭৮৪ নম্বর শান্তিপুর-রানাঘাট লোকালটি আগের তুলনায় দেরিতে ছাড়বে। আগে সকাল ১০টা ৪৬ মিনিটে যাত্রা শুরু করলেও এবার ছাড়ার সময় সকাল ১১টা। রানাঘাটে পৌঁছবে সকাল ১১টা ২৮ মিনিটে; আগে পৌঁছনোর নির্ধারিত সময় ছিল সকাল ১১টা ১২ মিনিট।

আরও পড়ুন :দুর্গাপুরে চালু হল ইলেকট্রিক বাস পরিষেবা, জেনে নিন রুট ও ভাড়া
রাতের যাত্রীদের কথা মাথায় রেখে শিয়ালদহ ও বজবজের মধ্যে এক জোড়া স্পেশাল ট্রেন চালানো হবে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত। শিয়ালদহ থেকে রাত ১০টা ৫৫ মিনিটে ছেড়ে ট্রেনটি রাত ১১টা ৪৩ মিনিটে বজবজ পৌঁছবে। ফিরতি ট্রেন বজবজ থেকে রাত ১১টা ৫৪ মিনিটে রওনা দিয়ে পরের দিন রাত ১২টা ৪৮ মিনিটে শিয়ালদহে পৌঁছবে।সব মিলিয়ে, শিয়ালদহ ডিভিশনের বিভিন্ন শাখায় স্টপেজ বৃদ্ধি, অতিরিক্ত ট্রেন চালানো এবং সময়সূচি সংশোধনের মাধ্যমে রেল পরিষেবাকে আরও যাত্রীবান্ধব করার চেষ্টা করা হচ্ছে।














