Durga Puja 2026 Live Updates

ডিসেম্বরের মধ্যে কেন্দ্রীয় হারে ডিএ-র দাবি রাজ্য সরকারি কর্মীদের, বর্তমানে ফারাক ২২ শতাংশ

Published on:

Published on:

dearness allowance(319)
Follow

বাংলাহান্ট ডেস্ক: সরকারি কর্মীদের (Government Employees) কপাল খুলছে চলতি মাসেই। প্রতিশ্রুতি মতো ক্ষমতায় এসেই এক ধাক্কায় ডিএ বৃদ্ধি করেছে রাজ্য সরকার। ষষ্ঠ পে কমিশনের আওতায় রাজ্যের সরকারি কর্মীদের মহার্ঘ ভাতা ২০% (Dearness Allowance) বৃদ্ধির অনুমোদন দিয়েছে সরকার। যা কার্যকর হতে চলেছে চলতি মাস থেকে।

কেন্দ্র-রাজ্য ডিএ কমানোর দাবি | Dearness Allowance

এতদিন ১৮ শতাংশ হারে ডিএ পাচ্ছিলেন সরকারি কর্মীরা। এবার তা থেকে ডিএ পৌঁছে গিয়েছে ৩৮ শতাংশে। যদিও সরকারি কর্মীদের একাংশের এতে আপত্তি। বর্ধিত মহার্ঘ ভাতা অক্টোবরের পরিবর্তে জুলাই থেকেই কার্যকর করার দাবি তুলছেন সরকারি কর্মীদের একাংশ। আবার কনফেডারেশন অফ স্টেট গভঃ এমপ্লয়িজ এর সাধারণ সম্পাদক মলয় মুখোপাধ্যায় কেন্দ্রের সঙ্গে রাজ্যের ডিএ-র তুলনা করে সেই ফারাক দ্রুত মেটানোর দাবি তুলেছেন।

সমাজমাধ্যমে মলয় মুখোপাধ্যায় রাজ্যের ষষ্ঠ বেতন কমিশনের ডিএ’র পরিমাণ ও কেন্দ্রের সপ্তম বেতন কমিশনের ডিএ’র পরিমাণের তুলনা টেনেছেন। একইসাথে তিনি লিখেছেন ডিসেম্বরের মধ্যে এই ২২% যোগে ৬০% ডিএ’র সমতা আনতে হবে। উল্লেখ্য, বর্তমানে কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারীরা ৬০% হারে ডিএ পাচ্ছেন। এদিকে রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের প্রাপ্ত ডিএ-র পরিমাণ চলতি মাস থেকে বেড়ে হবে ৩৮%। ডিএ-র ব্যবধান এখনও ২২ শতাংশ।

আরও পড়ুন: ঝিরিঝিরি বৃষ্টি শুরু কলকাতায়, দশমী পর্যন্ত কবে কোন জেলা ভিজবে দেখে নিন তালিকা

বর্তমান সরকারের একধাক্কায় ডিএ বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত ইতিবাচক হলেও বাকি ২২ শতাংশ ডিএ চলতি বছরের ডিসেম্বরের মধ্যেই পরিশোধ যাতে করা হয় সেই দাবি তুলছেন সরকারি কর্মচারীরা। উল্লেখ্য, এর আগে জুন মাসে বাজেট পেশের সময় সাংবাদিক বৈঠক করে মুখ্যমন্ত্রী কেন্দ্র-রাজ্য ডিএ-র ব্যবধান কমানোর আশ্বাস দিয়েছিলেন।

dearness allowance(328)

সেই সময় তিনি বলেছিলেন, ‘পুজোর মাসেই রাজ্য সরকারি কর্মীদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে বর্ধিত DA ঢুকে যাবে। দ্রুততার সঙ্গে বাকি সব বকেয়া ক্লিয়ার করে দেব। বাকি যে ২২ শতাংশ ফারাক রইল, তাও ধীরে ধীরে পূরণ হবে। স্বপন দাশগুপ্তের আরও একটা বাজেট পর্যন্ত অপেক্ষা করুন। আমি তো সঙ্গে আছি। সপ্তম বেতন কমিশনের জন্য ইতিমধ্যেই কমিটি গড়ে দেওয়া হয়েছে।’