বাংলা হান্ট ডেস্ক: এবার একটি অত্যন্ত বড় আপডেট সামনে এসেছে। প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী জানা গিয়েছে যে, কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা IDBI ব্যাঙ্কের (IDBI Bank) স্ট্র্যাটেজিক রিস্ট্রাকচারিং অনুমোদন করেছে। এই সিদ্ধান্তের ফলে, সরকার (Government) এবং লাইফ ইন্স্যুরেন্স কর্পোরেশন অফ ইন্ডিয়া তথা LIC যৌথভাবে ব্যাঙ্কটিতে থাকা তাদের ৬০.৭২ শতাংশ অংশীদারিত্ব কানাডার ফেয়ারফ্যাক্স ফাইনান্সিয়াল হোল্ডিংসের কাছে ৫২,৮৭৭ কোটি টাকায় বিক্রি করবে। এয়ার ইন্ডিয়ার পর এটি ভারতের (India) এযাবৎকালের সবচেয়ে বড় কৌশলগত বিলগ্নিকরণ চুক্তি হিসাবে বিবেচিত হচ্ছে।
৫২,৮৭৭ কোটি টাকায় বিক্রি হচ্ছে IDBI ব্যাঙ্কের ৬০.৭২ শতাংশ অংশীদারিত্ব:
জানিয়ে রাখি যে, এই সিদ্ধান্তটি ব্যাঙ্কটির একটি বড় ধরনের সংস্কারের পথ প্রশস্ত করেছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সভাপতিত্বে অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি তথা CCEA এই চুক্তির জন্য কানাডার সংস্থাটিকে কৌশলগত ক্রেতা হিসাবে অনুমোদন দিয়েছে। এই চুক্তি অনুযায়ী, কেন্দ্রীয় সরকার IDBI ব্যাঙ্কে থাকা তার ৩০.৪৮ শতাংশ অংশীদারিত্ব বিক্রি করবে। অন্যদিকে, লাইফ ইন্স্যুরেন্স কর্পোরেশন অফ ইন্ডিয়া তার ৩০.২৪ শতাংশ অংশীদারিত্ব বিক্রি করবে বলে জানা গিয়েছে।

উল্লেখ্য যে, চুক্তি সম্পন্ন হওয়ার পর, সরকার ব্যাঙ্কটির ১৫ শতাংশ এবং LIC ১৯ শতাংশ অংশীদারিত্ব নিজেদের কাছে রাখবে। এতে তাদের মোট শেয়ারের পরিমাণ দাঁড়াবে ৩৪ শতাংশে। এই প্রসঙ্গে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব জানিয়েছেন যে, চুক্তিটি সম্পন্ন হলে এটি হবে ভারতের আর্থিক সেক্টরে এযাবৎকালের সর্ববৃহৎ প্রত্যক্ষ বিদেশি বিনিয়োগ তথা FDI।
আরও পড়ুন: পাক ক্রিকেটারদের সঙ্গে এক দলে শিখর ধাওয়ানের নাম! এই T20 লিগের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপের হুমকি গব্বরের
ফেয়ারফ্যাক্সের কোম্পানি নিলামে বাজিমাত করেছে: জানিয়ে রাখি যে, IDBI ব্যাঙ্কের কৌশলগত বিক্রয় একটি দুই-পর্যায়ের প্রতিযোগিতামূলক নিলাম প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সম্পন্ন করা হয়েছিল। মূলত, ইন্টার-মিনিস্ট্রিয়াল গ্রুপ বিলগ্নিকরণ সংক্রান্ত সচিবদের মূল গোষ্ঠী এবং মন্ত্রিসভার ক্ষমতাপ্রাপ্ত মন্ত্রীদের গোষ্ঠী সহ বিভিন্ন স্তরে গঠিত কমিটিগুলি দ্বারা সম্পূর্ণ প্রক্রিয়াটি পর্যবেক্ষণ করা হয়েছিল।
আরও পড়ুন: সমুদ্রপথে এবার ভারতের মাস্টারস্ট্রোক! বাণিজ্যের নতুন প্রবেশদ্বার হতে চলেছে আন্দামান-নিকোবর
সরকার ২০২২ সালের ৭ অক্টোবর একটি প্রাথমিক তথ্য স্মারকলিপি জারি করে এই চুক্তিতে আগ্রহী কোম্পানিগুলির কাছ থেকে আবেদন আহ্বান করেছিল। নিলাম প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণকারী সংস্থাগুলিকে রিজার্ভ ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া তথা RBI থেকে অনুমোদন নিতে হয়। এর মাধ্যমে RBI-কে যাচাই করেছিল যে, সম্ভাব্য ক্রেতা ব্যাঙ্কটি অধিগ্রহণ করার জন্য উপযুক্ত কি না। এছাড়াও, নিলাম প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণের আগে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক থেকে নিরাপত্তা ছাড়পত্র পাওয়াও বাধ্যতামূলক ছিল।














