বাংলা হান্ট ডেস্ক: উচ্চ মাধ্যমিকের পরীক্ষার ব্যবস্থা (WBCHSE) ও শিক্ষক শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন সমস্যা সমাধানের দাবিতে এবার উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা সংসদের সভাপতি অসিত কুমার মণ্ডলের কাছে শিক্ষকদের একাংশ আবেদন জানালেন। সেই আবেদনের ৩০ দফার দাবি সহ চিঠি জমা দিয়েছেন তারা। অল পোস্ট গ্রাজুয়েট টিচার্স ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের তরফে জমা দেওয়া সেই চিঠিতে ২০২৭ সালের উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার রুটিন, প্রশ্নপত্রের ধরন ও খাতা দেখা এবং শিক্ষক নিয়োগ সহ একাধিক বিষয়ে তুলে ধরা হয়েছে।
উচ্চ মাধ্যমিক ১২টায় শুরুর দাবি, সংসদকে চিঠি শিক্ষকদের (WBCHSE)
তাছাড়া সেই যে চাইতে যে বিষয়গুলো মূলত উল্লেখ করা হয়েছে তা আজকে প্রতিবেদনে বিস্তারিতভাবে আলোচনা করা হল (WBCHSE)। সেই চিঠিতে পরীক্ষার সময় ও রুটিন বদলের দাবি জানানো হয়েছে। সুবিধার কথা মাথায় রেখে, এই পরীক্ষায় সকাল দশটা পরিবর্তে দুপুর বারোটায় শুরু করার আবেদন জানিয়েছে সংগঠনটি। পাশাপাশি প্রতিটি পরীক্ষার মাঝে অন্তত একদিন করে ছুটি রাখা দাবি তোলা হয়েছে।

আরও পড়ুন: শিয়ালদহ ও আসানসোল ডিভিশনে ট্রেন বাতিল, সপ্তাহান্তে যাত্রীদের দুর্ভোগের আশঙ্কা
পাশাপাশি সিবিএসই ও আইসিএসই বোর্ডের পরীক্ষার রুটিন এর উদাহরণ দিয়ে এই প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। তারই সঙ্গে একাদশ শ্রেণির পরীক্ষার ক্ষেত্র রাজ্য জুড়ে একই রুটিন চালু করার দাবি জানিয়েছে সংগঠন। দীর্ঘ আকার ও জটিল কাঠামো পরীক্ষার্থীদের মানসিক চাপ বাড়াচ্ছে বলে দাবি করেছেন শিক্ষক সংগঠনটি।
তাই প্রশ্নপত্রের বিন্যাস আরো পরিচ্ছন্ন ও সহজ বোধ করার আবেদন জানানো হয়েছে। তারই সঙ্গে প্রশ্নপত্রে প্রথমে বাংলা ভাষায় রাখার পাশাপাশি, একাধিক ভাষার জন্য বাড়তি পৃষ্ঠা ও প্রশ্নের জটিলতার ধরন বদলানোর প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। উচ্চ মাধ্যমিক এই দুই পরীক্ষার খাতায় একই শিক্ষককে দিয়ে দেখানোর নির্দেশ বন্ধ করার বিষয়ে সংশোধের কাছ থেকে আশ্বাস চেয়েছে সংগঠনটি।
পাশাপাশি উত্তরপত্র মূল্যায়নের জন্য নির্ধারিত সময়সীমা অন্তত দশ দিন বাড়ানোর জন্য দাবি জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে খাতা দেখার কাজের সুবিধার্থে শিক্ষকদের জন্য অতিরিক্ত দুটি অন ডিউটি দেওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। তাছাড়া উচ্চ মাধ্যমিক স্তরে বিষয়ভিত্তিক স্থায়ী শিক্ষক নিয়োগের দাবিও জানিয়েছে ওই সংগঠন।
পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের সুবিধার জন্য একাদশ শ্রেণীতে ভর্তি সময় সব বিভাগের পাঠ্য বই বিনামূল্যে দেওয়ার দাবি জানিয়েছে সংগঠনটি। পাশাপাশি পরিবর্তিত পাঠ্যক্রমের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে মেডেল প্রশ্নপত্রের পিডিএফ আপলোড করার আবেদন করা হয়েছে। তাছাড়া একাদশ শ্রেণির পরীক্ষার প্রশ্নকর্তা হিসেবে বিশ্ববিদ্যালয় বা কলেজের পরিবর্তে অভিজ্ঞ স্কুল শিক্ষকদের দায়িত্ব দেওয়া পাশাপাশি উচ্চমাধ্যমিকের পাঠ্যক্রমের লাইব্রেরী সায়েন্স অন্তর্ভুক্ত করার দাবিও জানিয়েছে ওই সংগঠনের তরফ থেকে (WBCHSE)।












