বাংলা হান্ট ডেস্কঃ লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের টাকা পেলেও অনেক মহিলা এখনও অন্নপূর্ণা যোজনার (Annapurna Yojana) ভাতা পাননি বলে অভিযোগ উঠছে। কেন এমন হচ্ছে এবং কারা এই সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন, তা খতিয়ে দেখতে এবার সরাসরি মানুষের বাড়িতে পৌঁছে তথ্য সংগ্রহ শুরু করেছেন জলপাইগুড়ি পুরসভার কংগ্রেস কাউন্সিলার অম্লান মুন্সি। ভাতা না পাওয়া মহিলাদের নামের তালিকা তৈরি করে প্রশাসনের কাছে জমা দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
অন্নপূর্ণা যোজনা (Annapurna Yojana) নিয়ে নতুন বিতর্ক
জলপাইগুড়িতে বাড়ি বাড়ি গিয়ে খোঁজ নিচ্ছেন কংগ্রেস কাউন্সিলার অম্লান মুন্সি। তাঁর দাবি, এমন অনেক মহিলা রয়েছেন যাঁরা নিয়মিত লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের টাকা পেয়েছেন, কিন্তু অন্নপূর্ণা যোজনার (Annapurna Yojana) ভাতা তাঁদের অ্যাকাউন্টে আসেনি। সেই কারণেই ভাতা না পাওয়া মহিলাদের নাম সংগ্রহের কাজ শুরু হয়েছে। তিনি আরও জানিয়েছেন, এই তালিকা তৈরি করে আগামী সোমবার মহকুমা শাসকের কাছে জমা দেওয়া হবে। তাঁর প্রশ্ন, রাজ্য সরকার যখন জানিয়েছিল লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের সুবিধাভোগীরাও অন্নপূর্ণা যোজনার আওতায় আসবেন, তাহলে অনেকের নাম বাদ গেল কেন?
কংগ্রেসের দাবি, যাঁরা এই প্রকল্পের টাকা পাননি, তাঁদের প্রত্যেককে প্রশাসনের পক্ষ থেকে কারণ জানানো উচিত। শুধু নাম বাদ দেওয়া নয়, কেন বাদ পড়লেন সেটাও লিখিতভাবে জানাতে হবে। অম্লানের বক্তব্য, এসআইআর-এর সময় যেভাবে বাড়িতে বাড়িতে নোটিস পাঠানো হয়েছিল, এখানেও একই পদ্ধতি অনুসরণ করা উচিত।
এছাড়াও তিনি প্রশ্ন তুলেছেন, কোনও মহিলার স্বামী চাকরি করেন বলে যদি তাঁর পিঙ্ক কার্ড না হয় বা অন্নপূর্ণা যোজনার (Annapurna Yojana) সুবিধা না মেলে, তাহলে সরকারি বেতন ও সুযোগ-সুবিধা পাওয়া জনপ্রতিনিধিদের ক্ষেত্রে সেই যুক্তি প্রযোজ্য হবে না কেন?

আরও পড়ুনঃ বড় সমস্যা! মিলছে না বার্থ-ডেথ সার্টিফিকেট, বিপাকে শত শত পরিবার
এই ইস্যুতে কংগ্রেস আরও সরব হতে চলেছে। দলের টাউন ব্লক সভাপতি অম্লান মুন্সি জানিয়েছেন, ভাতা (Annapurna Yojana) থেকে বঞ্চিত মহিলাদের বিষয়টি সামনে এনে আন্দোলনের পথেও হাঁটতে পারে দল।













